দেবোত্থান (উত্থান) একাদশী 2026 — বিশাখাপত্তনম: ব্রত ও পারণের সময়

বিশাখাপত্তনম শহরে দেবোত্থান (প্রবোধিনী বা উত্থান) একাদশীর ব্রত শুক্রবার, 20 নভেম্বর 2026 তারিখে। পারণ করুন শনিবার, 21 নভেম্বর 2026 তারিখে 12:50 PM–3:05 PM-এর মধ্যে।

দেবোত্থান একাদশী 2026 — বিশাখাপত্তনম শহরের সম্পূর্ণ সময়সূচি

তারিখশুক্রবার, 20 নভেম্বর 2026
পারণ (ব্রত ভাঙার সময়)শনিবার, 21 নভেম্বর 2026, 12:50 PM – 3:05 PM
সূর্যোদয়6:05 AM
সূর্যাস্ত5:20 PM

সব সময় ভারতীয় প্রমাণ সময়ে (IST) দেওয়া — বিশাখাপত্তনম শহরের নিজস্ব সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত ও চন্দ্রোদয় থেকে গণনা করা।

বিশাখাপত্তনম বনাম দিল্লি

বিশাখাপত্তনম শহরে পারণের সময় 12:50 PM-এ, আর দিল্লিতে 1:10 PM-এ। সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত ও চন্দ্রোদয় প্রতিটি শহরের অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ অনুযায়ী বদলে যায়, তাই নিজের শহরের সময়ই মেনে চলুন।
দেবোত্থান একাদশী — সম্পূর্ণ পূজাবিধি, ব্রতকথা ও উপকরণ →
বিশাখাপত্তনম শহরের আজকের পঞ্জিকা →

কাছাকাছি শহর

বিজয়ওয়াড়াভুবনেশ্বরকটকরায়পুরহায়দরাবাদনাগপুরচেন্নাইজামশেদপুর

দেবোত্থান একাদশী 2026 — অন্যান্য শহরে

দিল্লিমুম্বইকলকাতাচেন্নাইবেঙ্গালুরুহায়দরাবাদআহমেদাবাদপুনেজয়পুরলখনউকানপুরনাগপুরইন্দোরভোপালপাটনাভাদোদরাসুরাটলুধিয়ানাআগ্রাবারাণসীপ্রয়াগরাজমিরাটরাজকোটজবলপুরঅমৃতসররাঁচিরায়পুরগুয়াহাটিচণ্ডীগড়তিরুবনন্তপুরমকোচিকোয়েম্বাটুরমাদুরাইবিশাখাপত্তনমবিজয়ওয়াড়াভুবনেশ্বরকটকদেহরাদুনহরিদ্বারমথুরাঅযোধ্যাউজ্জয়িনীনাসিকগোয়ালিয়রযোধপুরউদয়পুরকোটাশ্রীনগরজম্মুশিমলাগোরখপুরবস্তিগয়াভাগলপুরশিলিগুড়িজামশেদপুরগাজিয়াবাদনয়ডাগুরুগ্রামফরিদাবাদ

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

বিশাখাপত্তনম শহরে দেবোত্থান একাদশী 2026 কবে?

বিশাখাপত্তনম শহরে দেবোত্থান (প্রবোধিনী বা উত্থান) একাদশীর ব্রত শুক্রবার, 20 নভেম্বর 2026 তারিখে। পারণ করুন শনিবার, 21 নভেম্বর 2026 তারিখে 12:50 PM–3:05 PM-এর মধ্যে।

বিশাখাপত্তনম শহরের সময় কি দিল্লির থেকে আলাদা?

হ্যাঁ। বিশাখাপত্তনম শহরে পারণের সময় 12:50 PM-এ, আর দিল্লিতে 1:10 PM-এ। সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত ও চন্দ্রোদয় প্রতিটি শহরের অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ অনুযায়ী বদলে যায়, তাই নিজের শহরের সময়ই মেনে চলুন।

এই সময় কীভাবে গণনা করা হয়েছে?

Swiss Ephemeris (নিরয়ণ, লাহিড়ী অয়নাংশ) দিয়ে, বিশাখাপত্তনম শহরের স্থানাঙ্কে (17.69°N, 83.22°E), ভারতীয় প্রমাণ সময়ে; তিথি নির্ধারণ প্রচলিত পঞ্জিকার নিয়মে। আপনার মন্দির বা পরিবারের প্রথা ভিন্ন হলে সেটিকেই অগ্রাধিকার দিন।