🌙 মাসিক শিবরাত্রি 2026
পরবর্তী মাসিক শিবরাত্রি কবে — প্রতি মাসের কৃষ্ণ পক্ষ-এর চতুর্দশী-এর রাতে (নিশীথ-কাল) শিব-পূজা, চার প্রহর অভিষেক, রাত্রি-জাগরণ; ফাল্গুন-এর মহাশিবরাত্রি এর মহরূপ; কন্যা ও বিবাহিত নারীদের ব্রত; উপরে নিশীথ-কাল ও আগামী তিথিগুলি।
- আশ্বিন মাসিক শিবরাত্রি — গুরুবার, 8 অক্টোবর 2026
- কার্তিক মাসিক শিবরাত্রি — শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
- মার্গশীর্ষ মাসিক শিবরাত্রি — সোমবার, 7 ডিসেম্বর 2026
- পৌষ মাসিক শিবরাত্রি — মংগলবার, 5 জানুয়ারি 2027
- মাঘ মাসিক শিবরাত্রি — গুরুবার, 4 ফেব্রুয়ারি 2027
- মহা শিবরাত্রি (ফাল্গুন) — শনিবার, 6 মার্চ 2027
- চৈত্র মাসিক শিবরাত্রি — সোমবার, 5 এপ্রিল 2027
- বৈশাখ মাসিক শিবরাত্রি — মংগলবার, 4 মে 2027
- জ্যেষ্ঠ মাসিক শিবরাত্রি — গুরুবার, 3 জুন 2027
- আষাঢ় মাসিক শিবরাত্রি — শুক্রবার, 2 জুলাই 2027
- শ্রাবণ মাসিক শিবরাত্রি — শনিবার, 31 জুলাই 2027
- ভাদ্রপদ মাসিক শিবরাত্রি — সোমবার, 30 আগস্ট 2027
মাসিক শিবরাত্রি প্রতি চন্দ্র-মাসের কৃষ্ণ পক্ষ-এর চতুর্দশী-তে হয় — অমাবস্যা-এর একদিন আগে, যখন চন্দ্র প্রায় অদৃশ্য থাকে; এই তিথি নিশীথ-কাল (মধ্য রাত)-এ হলে — সেই রাতেই শিবরাত্রি। পূজা রাতে — নিশীথ-কাল (উপরের সময়) ও চার প্রহরে অভিষেক; ব্রত সূর্যোদয় থেকে পরের সূর্যোদয় পর্যন্ত, পারণ চতুর্দশী শেষ হলে।
ফাল্গুন কৃষ্ণ চতুর্দশী-এর **মহা শিবরাত্রি** হলো এর বার্ষিক মহারূপ (আলাদা পান্না); শ্রাবণ-এর মাসিক শিবরাত্রি হলো দ্বিতীয় বৃহত্তম। শাস্ত্রীয় কাহিনী অনুসারে, শিবরাত্রির রাতে শিব লিঙ্গ-রূপে প্রকট হয়েছিলেন/শিব-পার্বতী বিবাহ — তাই কন্যারা মনমতো বর পাওয়ার জন্য এবং বিবাহিত মহিলারা স্বামীর দীর্ঘায়ুর জন্য এই ব্রত রাখেন। উপরে পরবর্তী মাসিক শিবরাত্রির তিথি, নিশীথ-প্রদোষ-সময় (দিল্লি) ও আসন্ন 12 তিথিগুলি মাস-নামসহ দেওয়া হলো; নিচে বিধি, চার-প্রহর পূজা, সামগ্রী, কথা, ভোজন ও বিভিন্ন অঞ্চলের রীতি দেওয়া আছে।
গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন
শিব-পুরাণ/স্কন্দ-পুরাণ: কৃষ্ণ চতুর্দশী-এর রাত্রি শিব-এর প্রিয় — এই রাতেই অগ্নি-স্তম্ভ (লিঙ্গোদ্ভব) প্রকট হয়েছিল যা ব্রহ্মা-বিষ্ণু পরিমাপ করতে পারেননি; এই রাতের জাগরণ-অভিষেক সারা বছরের পাপ হরণ করে; মাসিক শিবরাত্রি ব্রত 12/14 বছর টানা রাখলে বিবাহ-সন্তান-মোক্ষ (লোক-মান্যতা); চতুর্দশী নিশীথ-ব্যাপিনী — যে রাতের মধ্যভাগে চতুর্দশী থাকে সেটিই ব্রতের দিন (উপরের তালিকা এই নিয়ম অনুযায়ী — কখনও ত্রযোদশী-এর সন্ধ্যা থেকে শুরু)।
চার প্রহরের পূজা: প্রথম প্রহর (সন্ধ্যা — দুধ দিয়ে অভিষেক), দ্বিতীয় (রাত — দই), তৃতীয় (মধ্য-রাত্রি — ঘি), চতুর্থ (ভোর — মধু/চিনি); প্রতি প্রহরে «ওঁ নমঃ শিবায়», বেলপাতা, আরতি; গৃহস্থ অন্তত নিশীথ-কাল (মধ্য রাত ± 24 মিনিট — উপরে) সময়ে একবার পূজা করুন।
মহাশিবরাত্রি ও শ্রাবণ-শিবরাত্রিতে কাওড়িয়াদের জলাভিষেক; মাসিক শিবরাত্রিতে শিবালয়ে রাত্রি-আরতি; কুণ্ডলী-এ চন্দ্র-দোষ/মঙ্গল/শনি-পীড়া, বিবাহ-বিলম্বের ক্ষেত্রে মাসিক শিবরাত্রির ব্রত লোক-প্রসিদ্ধ উপায়; প্রদোষ (ত্রযোদশী) + শিবরাত্রি (চতুর্দশী) টানা দুই দিন শিব-এর — «প্রদোষ-শিবরাত্রি যুগল»।
পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)
এটি মাসিক শিবরাত্রির ঘরোয়া বিধি — দিনের ব্রত, রাতে নিশীথ-কাল-এ শিব-পূজা (চার প্রহর সম্ভব হলে), জাগরণ, পরের দিন সকালে পারণ।
- সকাল: স্নান, শিব-স্মরণ, সংকল্প — «মাসিক শিবরাত্রি ব্রত, (কামনা) হেতু, রাত্রি-পূজা ও জাগরণ, কাল সূর্যোদয়-এর পর পারণ»; দিনে ফলাহার/নির্জলা (সামর্থ্য অনুযায়ী); শিবালয়-দর্শন, জল-বেলপাতা।
- সন্ধ্যা (প্রদোষ — উপরের সময়): পূজা-স্থানে শিবলিঙ্গ (পার্থিব — মাটি দিয়ে তৈরি করেও) বা শিব-পার্বতী চিত্র, উত্তর-পূর্ব দিকে; কলস, প্রদীপ; প্রথম প্রহর — দুধ দিয়ে অভিষেক, বেলপাতা, «ওঁ নমঃ শিবায়» 108, শিব-চালিসা।
- রাত (দ্বিতীয় প্রহর): দই দিয়ে অভিষেক, ধুতুরা-আকন্দ-শমী-ভাঙ, চন্দন-ভস্ম; রুদ্রাষ্টক/শিব-তাণ্ডব-স্তোত্র; শিবরাত্রি-কথা (নিচে — শিকারী/লিঙ্গোদ্ভব) শ্রবণ।
- নিশীথ-কাল (উপরে সময় — তৃতীয় প্রহর): ঘি/পঞ্চামৃত দিয়ে অভিষেক, গঙ্গাজল, বেলপাতা 108 (সম্ভব হলে — প্রতি পাতায় «ওঁ নমঃ শিবায়»), পৈতা, সাদা ফুল, আতর; পার্বতীকে সুহাগ-সামগ্রী; মহামৃত্যুঞ্জয় 108/11; আরতি «ওঁ জয শিব ওঙ্কারা», কর্পূর; এই পূজা বাধ্যতামূলক — বাকি প্রহর সামর্থ্য অনুযায়ী।
- ভোর (চতুর্থ প্রহর): মধু/চিনি/আখের রস দিয়ে অভিষেক, তারপর জল; শেষ আরতি; জাগরণ — সারা রাত ভজন-কীর্তন/শিব-নাম (না পারলে নিশীথ-পূজা-এর পর ঘুমান, ভোরে উঠে চতুর্থ প্রহর পালন করুন)।
- পারণ: পরের দিন সূর্যোদয়-এর পর, চতুর্দশী শেষ হওয়ার পর (অমাবস্যা শুরু হওয়ার পর — উপরের তিথি-উইন্ডো); প্রথমে শিব-প্রসাদ (ফল-পঞ্চামৃত), তারপর সাত্ত্বিক ভোজন; ব্রাহ্মণ/দরিদ্রকে দান।
- পার্থিব শিবলিঙ্গ (অনেকের বাড়িতে): ভেজা মাটি (নদী/শুদ্ধ) দিয়ে বুড়ো আঙুলের সমান শিবলিঙ্গ তৈরি করে পূজা, পরের দিন সকালে জলে বিসর্জন — শ্রাবণ-শিবরাত্রি ও মহাশিবরাত্রিতে বিশেষ।
- স্ত্রী-রীতি: কন্যারা মনমতো বর (পার্বতী-পূজা, 108 বেলপাতা), বিবাহিতারা স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনা; 12/14 মাসিক শিবরাত্রির সংকল্প → মহাশিবরাত্রিতে উদ্যাপন (শিব-হবন, দম্পতি-ভোজন); ঋতুস্রাবে পূজা নয় — স্মরণ-জপ; গর্ভবতী ফলাহার করবেন, জাগরণ নয়।
পূজা-সামগ্রীর তালিকা
চার প্রহরের অভিষেক-দ্রব্য, বেলপাতা 108, পার্থিব মাটি, জাগরণের কথা-পুস্তক — মাসিক শিবরাত্রির তালিকা।
- শিবলিঙ্গ (পারদ/নর্মদেশ্বর/স্ফটিক) বা পার্থিব (বিশুদ্ধ মাটি) বা শিব-পার্বতী চিত্র, চৌকি, সাদা কাপড়, কলস
- চার প্রহরের অভিষেক: দুধ, দই, ঘি, মধু, চিনি, আখের রস, গঙ্গাজল, ডাবের জল, পঞ্চামৃত
- বেলপাতা 108 (3-পাতা, আস্ত), ধুতুরা-ফল-ফুল, আক (মদার), শমী, ভাঙ, দূর্বা, সাদা ফুল (চামেলি-কনের), নীলকমল (সম্ভব হলে)
- চন্দন, ভস্ম, অক্ষত, পৈতে, মৌলি, রোলি-হলুদ-কুমকুম, আতর (কেয়া-চন্দন), পান-সুপারি-লবঙ্গ-এলাচ
- পার্বতী: সোহাগ-সামগ্রী (চুড়ি-টিপ-সিঁদুর-চুনরি), লাল ফুল
- প্রদীপ (ঘি — সারা রাত অখন্ড, সম্ভব হলে), ধূপ, কর্পূর, আরতি-থালা, ঘণ্টা-ডমরু
- নৈবেদ্য: ফল (কুল-কলা-আপেল — মহাশিবরাত্রিতে কুল), পঞ্চমেওয়া, পায়েস, হালুয়া, ঠান্ডাই/ভাঙ-দুধ, মিছরি।
- কথা/স্তোত্র: শিবরাত্রি-কথা, রুদ্রাষ্টক, শিব-তাণ্ডব, মহামৃত্যুঞ্জয়, শিব-চালিশা; রুদ্রাক্ষ-মালা; ভজন
- ফলাহার: ফল, দুধ, সাবুদানা, কুঁটু, সৈন্ধব লবণ; পারণ: সাত্ত্বিক ভোজন, দান-সামগ্রী
🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন
সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।
পঞ্জিকা দেখুন →ব্রত-কথা
শিকারির কথা (শিব-পুরাণ): এক শিকারি শিকার না পেয়ে রাতে বেল গাছে বসেছিল, যার নিচে শিবলিঙ্গ ছিল; জেগে থাকার জন্য ও নিচে দেখার জন্য সে পাতা ছিঁড়ে ফেলতে থাকে — অজান্তেই 108 বেলপাতা শিবলিঙ্গে পড়ে; সারা রাত অভুক্ত-তৃষ্ণার্ত (অজান্তেই ব্রত-জাগরণ); চারবার হরিণ-পরিবার আসে, প্রতিবার দয়া করে ছেড়ে দেয় (চার প্রহর); ভোরে শিব প্রকট — «অজান্তে করা শিবরাত্রি-পূজা-এর ফলে তোর পাপ কাটল»; শিকারির মোক্ষ লাভ, হরিণ-পরিবারের মুক্তি (মৃগ-শিরা)। শিক্ষা — শিবরাত্রির রাতে বেলপাতা-জাগরণ-দয়ার ফল অজান্তেও অনন্ত।
লিঙ্গোদ্ভব: ব্রহ্মা ও বিষ্ণুর মধ্যে «বড় কে» নিয়ে বিবাদ হয়; ফাল্গুন কৃষ্ণ চতুর্দশী-এর রাতে এক অনন্ত অগ্নি-স্তম্ভ (জ্যোতির্লিঙ্গ) প্রকট হয় — বিষ্ণু বরাহ হয়ে নিচে, ব্রহ্মা হংস হয়ে উপরে, কেউ শেষ খুঁজে পাননি; ব্রহ্মা কেতকীকে মিথ্যা সাক্ষী বানান — শিব কেতকীকে অভিশাপ দেন (শিব-পূজা-এ বর্জিত) এবং ব্রহ্মাকে পূজা-হীন; সেই থেকে শিবরাত্রি লিঙ্গ-পূজা-এর রাত, অরুণাচল (তিরুবন্নামালাই) সেই অগ্নি-স্তম্ভ।
শিব-পার্বতী বিবাহ ও সমুদ্র-মন্থন: মহাশিবরাত্রিতে শিব-পার্বতী বিবাহ (অনেক পুরাণ) — তাই কন্যারা বরের জন্য; বিষ-পানের পর শিব-কে জাগিয়ে রাখার জন্য দেবতারা সারারাত জাগরণ-স্তুতি করেছিলেন — তাই শিবরাত্রিতে জাগরণ; প্রতি মাসিক শিবরাত্রি সেই রাতের মাসিক স্মৃতি — পুরাণ বলে যে ব্যক্তি বছরের 12 শিবরাত্রি (মহাশিবরাত্রি সহ 13) ব্রত-সহ পালন করে, সে শিব-লোক পায়।
ফল-পঞ্চামৃত-ঠান্ডাই, কুল, কুট্টু — শিবরাত্রির ফলাহার ও পারণ
শিবরাত্রিতে দিন-রাত ব্রত — ফলাহার (ফল-দুধ-সাবুদানা-কুঁটু-সৈন্ধব লবণ) বা নির্জলা; শিব-এ ফল (কুল-কলা), পঞ্চমেওয়া, ক্ষীর, ঠান্ডাই/ভাঙ-দুধ (কিছু রীতি), ধুতুরা-ভাঙ (শিব-প্রিয়, খাওয়ার জন্য নয়); পরের দিন সকালে পারণ সাত্ত্বিক — খিচুড়ি/ডাল-ভাত-সবজি, হালুয়া; রাতে অন্ন গ্রহণ নিষিদ্ধ।
- ফলাহার: ফল (আপেল-কলা-পেয়ারা-কুল), দুধ-দই-ঘোল, মাখনা, সাবুদানা-খিচুড়ি/পায়েস, কুঁটু/সিংগাড়ার লুচি-পকোড়া, আলু-মিষ্টি আলু, সৈন্ধব লবণ; যারা নির্জলা করেন — কিছুই নয়।
- শিব-নৈবেদ্য: পঞ্চামৃত, ফল, পঞ্চমেওয়া, ক্ষীর (চাল/মাখনা), হালুয়া, মিছরি, ঠান্ডাই (কাঠবাদাম-মৌরি-গোলমরিচ-গোলাপ — ভাঙ ঐচ্ছিক, কেবল ঐতিহ্য অনুযায়ী)
- চার প্রহর: প্রথম দুধ, দ্বিতীয় দই, তৃতীয় ঘি, চতুর্থ মধু/চিনি — অভিষেক-দ্রব্যই প্রসাদ-রূপে (পঞ্চামৃত)
- পারণ (পরের দিন সকালে): খিচুড়ি (মুগ-চাল) / ডাল-ভাত-সবজি, হালুয়া-পুরি, দই; ব্রাহ্মণ/দরিদ্রকে অন্ন-দান আগে
- আঞ্চলিক: মহারাষ্ট্র (শিবরাত্র) — সাবুদানা-খিচুড়ি, রতালি, ভগর; দক্ষিণ (মাসিক শিবরাত্রি/শিবরাত্রি) — ফল-দুধ, পরের দিন সকালে পোঙ্গল-পায়েস; বাংলা (শিব-চতুর্দশী) — ফল-দুধ-মিছরি, পারণ খিচুড়ি; গুজরাট (শিবরাত্রি) — ফরাড়, সোমনাথ-পালকি
বিভিন্ন এলাকার রীতি
কাশী-উজ্জয়িনীর রাত্রি-আরতি, দক্ষিণের চার-প্রহর পূজা, বাংলার শিব-চতুর্দশী, কাঁওয়ারের শ্রাবণ-শিবরাত্রি — প্রতি মাসের শিব-রাত।
দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।
✅ মিল গিলি-রিডিং 1-2 দিনে একই পৃষ্ঠায় যোগ করবে। ধন্যবাদ!কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ পাঠানো হচ্ছেকী করবেন, কী করবেন না
✅ কী করবেন
- পূজা রাতে — নিশীথ-কাল (উপরের সময়) বাধ্যতামূলক; চার প্রহর সম্ভব হলে; জাগরণ
- বেলপাতা (108 — আস্ত, উল্টো), দুধ-দই-ঘি-মধু ক্রমে অভিষেক; «ওঁ নমঃ শিবায়»/মহামৃত্যুঞ্জয়
- পারন পরের দিন সকালে চতুর্দশী শেষ হওয়ার পর (তিথি-উইন্ডো); প্রথমে দান
- কন্যারা পার্বতী-পূজা (বরের জন্য), 12/14 শিবরাত্রির সংকল্প → মহাশিবরাত্রিতে উদ্যাপন
- রোগী/গর্ভবতী ফলাহার ও নিশীথ-পূজা পর্যন্ত; জাগরণ নয়
❌ কী করবেন না
- শিবলিঙ্গে তুলসী, কেতকী, হলুদ, সিঁদুর, শঙ্খ-জল; ভাঙা বেলপাতা; কুমকুম (শিব-এ — পার্বতীর ক্ষেত্রে ঠিক)
- ব্রত-রাতে ঘুমানো (জাগরণ-নিয়ম — তবে স্বাস্থ্য আগে), অন্ন-ভোজন, তামসিক, নেশা (ভাঙ-মদ্য — শিব-প্রসাদের নামে নেশা নয়)
- পূজা দিনে করে রাতে ছাড়া (শিবরাত্রি রাত্রি-ব্রত)
- কালো বস্ত্র, ক্রোধ, মিথ্যা, কলহ; অমাবস্যা লাগার পর অভিষেক-পূজা চালিয়ে যাওয়া (পারন-সময়)
- পার্থিব শিবলিঙ্গ নর্দমা/আবর্জনায় — জল/গাছের গোড়ায় বিসর্জন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পরবর্তী মাসিক শিবরাত্রি কবে? 2026-এর তিথিগুলি?
উপরে পরবর্তী মাসিক শিবরাত্রির তিথি, নিশীথ-কাল ও প্রদোষ-সময় (দিল্লি) এবং আগামী 12 শিবরাত্রিগুলি মাস-নাম সহ (ফাল্গুন-এর মহাশিবরাত্রি আলাদা লেখা) — নিশীথ-ব্যাপিনী চতুর্দশী নিয়ম অনুযায়ী; কখনো সূর্যোদয়-তিথি ত্রযোদশী হয় এবং রাতে চতুর্দশী — ব্রত সেই রাতেই; নিজের শহরের পঞ্জিকা মিলিয়ে নিন।
মাসিক এবং মহাশিবরাত্রির মধ্যে পার্থক্য কী?
মাসিক শিবরাত্রি প্রতি কৃষ্ণ চতুর্দশী (12 বার); মহাশিবরাত্রি ফাল্গুন কৃষ্ণ চতুর্দশী (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) — শিব-পার্বতী বিবাহ/লিঙ্গোদ্ভব-এর রাত, চার-প্রহর ও জাগরণ সবচেয়ে বড়, কাওড়, মেলা; বিধি এক, মহাশিবরাত্রিতে ফল গুণিতক; শ্রাবণ-এর মাসিক শিবরাত্রি দ্বিতীয় বড় (কাওড়-জলাভিষেক)।
নিশীথ-কাল কী এবং পূজা রাতে কেন?
রাতের মধ্যবিন্দু (সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়-এর অর্ধেক) ± এক মুহূর্ত (24 মিনিট) — প্রায় 11:40-12:30; শিবরাত্রি «রাত্রি-ব্রত» — লিঙ্গোদ্ভব ও শিব-বিবাহ মধ্যরাতে, তাই প্রধান পূজা নিশীথে; চার প্রহর = সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়-এর চারটি ভাগ; উপরে নিশীথ ও প্রদোষ উভয় সময়।
চার প্রহরের পূজা বাড়িতে কীভাবে করবেন?
প্রথম প্রহর (সূর্যাস্ত ~6-9) দুগ্ধ-অভিষেক, দ্বিতীয় (9-12) দই, তৃতীয় (12-3 — নিশীথ) ঘি/পঞ্চামৃত, চতুর্থ (3-6 ভোর) মধু-চিনি; প্রতিবার বেলপাতা-«ওঁ নমঃ শিবায়»-আরতি; সম্ভব না হলে নিশীথের একটি পূজা যথেষ্ট; অ্যালার্ম লাগিয়ে উঠুন; স্বাস্থ্য ভালো থাকলে জাগরণ।
কন্যারা মাসিক শিবরাত্রি কেন পালন করেন?
শিবরাত্রি শিব-পার্বতী বিবাহের রাত — পার্বতী শিব-কে ব্রতের মাধ্যমে পেয়েছিলেন; কন্যারা মনমতো বর ও দ্রুত বিবাহের জন্য 12/14 মাসিক শিবরাত্রি (বা কেবল মহাশিবরাত্রি + শ্রাবণের) পালন করেন, পার্বতীকে সুহাগ-সামগ্রী, 108 বেলপাতা; বিবাহে বিলম্বের ক্ষেত্রে লোক-প্রসিদ্ধ — কুণ্ডলী-পরীক্ষা সহ।
পারণ কখন এবং কী?
পরের দিন সকালে সূর্যোদয়-এর পর, যখন চতুর্দশী সমাপ্ত হয়ে অমাবস্যা লাগে (উপরে তিথি-উইন্ডো); চতুর্দশী সূর্যোদয়-এর পর দেরি পর্যন্ত থাকলে তা শেষ হওয়ার পর; প্রথমে শিব-প্রসাদ ও দান, তারপর সাত্ত্বিক ভোজন (খিচুড়ি-ডাল-ভাত); রাতে অন্ন নয়।
আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।
✅ নথিভুক্ত হয়েছে — পরের ব্রতের একদিন আগে বার্তা আসবে।কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ নথিভুক্ত হচ্ছে…📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান
আরও পড়ুন: মহা শিবরাত্রি (ফাল্গুন) · প্রদোষ ব্রত (এক দিন আগে) · সোমবার / শ্রাবণ-সোমবার · অমাবস্যা (পরের দিন)
⚠️ এই বিবরণ ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি ও লোক-মান্যতার উপর ভিত্তি করে; আপনার কুল-পরিবার ও এলাকার রীতি সর্বোপারি। নিশীথ-সময় দিল্লির; আপনার শহরের পঞ্জিকা দেখুন; জাগরণ/নির্জলা স্বাস্থ্য অনুযায়ী; ভাঙ ইত্যাদি নেশা করবেন না।
🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার