🪔 ব্রত-উৎসব

🌙 সকট চৌথ (তিলকুট চতুর্থী) 2027

✍️ জ্যোতিষাচার্য আদিত্য ধর দ্বিবেদী · 🔎 শেষ পর্যালোচনা: · 🧮 গণনা-পদ্ধতি

মাঘ কৃষ্ণ চতুর্থী — সন্তানের রক্ষার জন্য মায়েদের ব্রত; গণেশ ও সকট মাতার পূজা, তিলকুটের ভোগ এবং রাতে চাঁদকে অর্ঘ্য।

সকট চৌথ (তিলকুট চতুর্থী) 2027-এর তিথি
সোমবার, 25 জানুয়ারি 2027
মাঘ · কৃষ্ণ পক্ষ · চতুর্থী (বিক্রম সংবত 2084)
🌙 চাঁদের উদয়9:12 PM
🌇 সূর্যাস্ত5:54 PM
🪔 প্রদোষ কাল5:54 PM – 8:18 PM
📿 তিথি-কালচতুর্থী 25 জানুয়ারি, 8:10 AM → 26 জানুয়ারি, 6:00 AM
⭐ অভিজিৎ মুহূর্ত12:09 PM – 12:57 PM
⛔ রাহু কাল (এড়িয়ে চলুন)08:33 AM – 09:53 AM
সময় দিল্লি (আই. এস. টি) কে, সুইস এপিহেমেরিস-গণনা, উদীয়মান-তারিখের নিয়ম। চন্দ্রোদয়/সূর্যোদয় প্রতিটি শহরে পরিবর্তিত হয় -

সকট চৌথ মাঘ মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্থীতে পালিত মায়েদের ব্রত — মকর সংক্রান্তির কয়েক দিন পরে। একে তিলকুট চৌথ, তিল-চৌথ, সংকটা চৌথ, মাঘী চতুর্থী এবং লম্বোদর সংকষ্টী চতুর্থীও বলা হয়। মায়েরা সন্তানের দীর্ঘ আয়ু, আরোগ্য ও সংকট থেকে মুক্তির জন্য সারাদিন নির্জলা বা ফলাহারে উপবাস করেন এবং রাতে চন্দ্রোদয়ে অর্ঘ্য দিয়ে ব্রত ভাঙেন।

বছরের বারোটি সংকষ্টী চতুর্থীর মধ্যে এটিকেই সবচেয়ে বড় বলে মানা হয় — উত্তর প্রদেশ, বিহার, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান ও দিল্লিতে এর মান্যতা সবচেয়ে বেশি। নিচে এ বছরের তিথি, চন্দ্রোদয়ের সময়, বিধি, উপকরণ, ব্রতকথা, তিলকুট তৈরির পদ্ধতি এবং বিভিন্ন অঞ্চলের রীতি দেওয়া হল।

গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন

«সকট» = সংকট — এই ব্রত সন্তানের ওপর আসা সব সংকট কাটিয়ে দেয় বলে মানা হয়; ব্রতকথায় সকট মাতা মহাজন-গিন্নির ছেলেকে ভাটি থেকে জীবিত বের করে এনেছিলেন। এই দিনেই গণেশ সংকট-হরণের শক্তি পেয়েছিলেন — তাই গণেশ ও সকট (চৌথ) মাতা, দুজনেরই পূজা।

এটা তিলের মাস — তিল-গুড়ের তিলকুটই এই ব্রতের প্রসাদ; অনেক বাড়িতে তিলকুটের «বকরা» (ছাগল — তিলকুট দিয়ে গড়া আকৃতি) বানিয়ে কাটার রীতি আছে (বলির প্রতীক)। করওয়া চৌথের মতোই ব্রত চলে চন্দ্রোদয় (রাত প্রায় 8:30-9:30, সঠিক সময় উপরে) পর্যন্ত।

অহোই ও করওয়া চৌথের সঙ্গে এটি মায়েদের তিনটি বড় ব্রতের একটি; পূর্বাঞ্চলে (পূর্ব উত্তর প্রদেশে) একে «গণেশ চৌথ»ও বলে, আর নতুন বউয়ের প্রথম সকট বিশেষ গুরুত্বের।

পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)

এটি উত্তর ভারতের ঘরোয়া বিধি — দিনভর উপবাস, সন্ধ্যায় গণেশ ও সকট মাতার পূজা ও ব্রতকথা, চন্দ্রোদয়ে অর্ঘ্য।

  1. সকালে স্নান করে সংকল্প — «আমি সন্তানের দীর্ঘায়ু ও সংকট থেকে মুক্তির জন্য সকট চৌথের ব্রত পালন করছি।» দিনে অন্ন নয়; নির্জলা, অথবা ফল-দুধ।
  2. দিনের বেলা তিলকুট বানান — তিল ভেজে গুড়/চিনির পাকে মিশিয়ে কুটে নিন; কিছু বাড়িতে তিলকুটের ছাগল/পিণ্ড গড়া হয়। অনেক বাড়িতে পূজায় নতুন মাটির চৌথ মাতা/গণেশের মূর্তি রাখা হয়।
  3. সন্ধ্যায় (প্রদোষ কালে) পূজার জায়গায় কাঠের চৌকি পেতে তার ওপর হলুদ কাপড়; গণেশের মূর্তি/ছবি, সকট মাতার (চৌথ মাতার) ছবি বা মাটির আকৃতি; কলসে জল, তার ওপর প্রদীপ।
  4. গণেশকে দূর্বা, হলুদ ফুল, সিঁদুর, রোলি-অক্ষত, ধূপ-দীপ; সকট মাতাকে রোলি ও চুনরি (ওড়না); ভোগ — তিলকুট, তিলের নাড়ু, গুড়, রাঙা আলু, মুলো, আখ, শুকনো ফল; «ওঁ গং গণপতয়ে নমঃ» 21 বার জপ।
  5. সকট চৌথের ব্রতকথা (নিচে) বাড়ির মেয়েরা একসঙ্গে শুনুন; কথা শোনার সময় হাতে তিল-গুড় বা গমের দানা রাখুন; শাশুড়ি/বড়দের বায়না (উপহার — তিলকুট, ফল, দক্ষিণা) দিয়ে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করুন।
  6. চন্দ্রোদয়ে (সময় উপরে) ছাদে বা উঠোনে জল-দুধ-তিল দিয়ে চাঁদকে অর্ঘ্য দিন; গণেশ ও সকট মাতাকে নিবেদন করে তিলকুটের ভোগ।
  7. অর্ঘ্যের পর তিলকুট খেয়ে ব্রত ভাঙুন; আগে ছেলেমেয়েদের তিলকুট, তারপর নিজে; ছাগল গড়া হলে বাড়ির ছেলে সেটি কাটবে এবং সবাই ভাগ করে নেবে।
  8. রাতে গণেশের আরতি; তিলকুট-প্রসাদ প্রতিবেশীদের মধ্যে বিলিয়ে দিন।

📿 কিভাবে চৌথ (তিলকুট চৌধুর) - বিস্তারিত পদ্ধতি, উপাদান চেকলিস্ট এবং নিয়ম →

পূজা-সামগ্রীর তালিকা

তিল-গুড় আর গণেশ ও সকট মাতার আকৃতি — এগুলোই প্রধান; বাকিটা পূজার সাধারণ উপকরণ।

  • তিল (সাদা), গুড়/চিনি — তিলকুট ও নাড়ুর জন্য; কোটার জন্য উদূখল-মুষল (হামানদিস্তা)
  • গণেশের মূর্তি/ছবি, সকট (চৌথ) মাতার ছবি বা মাটির আকৃতি, চৌকি, হলুদ কাপড়
  • কলস, প্রদীপ (ঘিয়ের), ধূপ, কর্পূর, আরতির থালা
  • দূর্বা (21 গোছা), হলুদ ফুল, সিঁদুর, রোলি, অক্ষত, হলুদ, মৌলি (পবিত্র সুতো), চুনরি (সকট মাতার জন্য)
  • ভোগ: তিলকুট, তিলের নাড়ু, গুড়, রাঙা আলু, মুলো, আখ, গাজর, বাদাম-কাজু
  • চন্দ্রকে অর্ঘ্যের জন্য তামার ঘটি, দুধ-জল
  • বায়না: তিলকুট, ফল, দক্ষিণা, কাপড় (শাশুড়ির জন্য)
  • সকট চৌথের ব্রতকথার বই

🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন

📅 আপনার শহরের পঞ্জিকা

সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।

পঞ্জিকা দেখুন →

ব্রত-কথা

এক নগরে এক কুমোর ভাটি সাজাল, কিন্তু হাঁড়ি-কলসি কিছুতেই পাকছিল না। রাজা পণ্ডিতকে জিজ্ঞেস করলেন; পণ্ডিত বললেন — প্রতিবার ভাটিতে একটি শিশুকে বলি দিলে তবেই বাসন পাকবে। নগরের প্রতিটি ঘর থেকে পালা করে শিশুদের ভাটিতে ফেলা হতে লাগল। একদিন পালা এল এক বুড়ির একমাত্র ছেলের।

📖 শকট চৌথ (তিলকুট চৌধুর) এর সম্পূর্ণ উপবাসের গল্প পড়ুন →

তিলকুট — এই ব্রতের প্রসাদ (তৈরির পদ্ধতি)

তিলকুট: 250 গ্রাম সাদা তিল কম আঁচে হালকা বাদামি করে ভেজে নিন; 200 গ্রাম গুড় (বা চিনি) সামান্য জলে গলিয়ে এক-তারের পাক তৈরি করুন; তিল মিশিয়ে উদূখলে হালকা করে কুটুন (তাই নাম «তিলকুট»); হাতে ঘি মাখিয়ে নাড়ু বা চ্যাপ্টা টুকরো গড়ুন। বিহারের গয়ার তিলকুট বিখ্যাত — সেখানে চিনি আর তিল কুটে মুচমুচে করে তৈরি হয়।

  • ভোগ: তিলকুট, তিল-গুড়ের নাড়ু, গুড়, রাঙা আলু (সেদ্ধ), মুলো, আখ, গাজর, শুকনো ফল
  • ব্রতের দিন: নির্জলা অথবা ফল-দুধ; বয়স্ক ও গর্ভবতীরা অবশ্যই ফল-দুধ খাবেন
  • ব্রত ভাঙার সময়: প্রথমে তিলকুট ও জল, তারপর হালকা খাবার — খিচুড়ি/ডাল-ভাত বা পুরি-তরকারি
  • তিলকুটের ছাগল (রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশের অনেক বাড়িতে): তিলকুটের আকৃতি, বাড়ির ছেলে কাটে, সবাই ভাগ করে নেয় — বলির প্রতীক
  • পরদিন তিলকুট প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের বাড়িতে — «সকটের প্রসাদ» ফেরত দেওয়া হয় না

বিভিন্ন এলাকার রীতি

সকট উত্তর ও মধ্য ভারতের ব্রত; পূর্বে তিলকুট, পশ্চিমে তিল-চতুর্থী, দক্ষিণে সংকষ্টী।

উত্তর প্রদেশ (পূর্বাঞ্চল-অবধ-ব্রজ): «সকট/গণেশ চৌথ» — সন্ধ্যায় ব্রতকথা, মাটির চৌথ মাতা, তিলকুটের ভোগ, চন্দ্রোদয়ে অর্ঘ্য; নতুন বউয়ের প্রথম সকটে বাপের বাড়ি থেকে তিলকুট-বায়না আসে; ব্রজে গণেশ-চতুর্থীর কাহিনি (সকটের চারটি কথা)।
বিহার-ঝাড়খণ্ড: «তিলকুট চৌথ/তিল-সংকটী» — গয়া-ভাগলপুরের তিলকুট, মায়েরা চাঁদকে অর্ঘ্য দিয়ে তিলকুট খান; মিথিলায় «তিলা-সকরাইত»-এর পর এই চৌথ; ছোটদের গলায় তিলকুটের মালা।
রাজস্থান-মধ্য প্রদেশ-দিল্লি-হরিয়ানা: «তিলকুটা চৌথ/সকট চৌথ» — রাজস্থানে তিলকুটের ছাগল কাটা, চৌথ মাতার (চৌথ কা বরওয়াড়া) পূজা, সধবাদের গোল হয়ে বসে ব্রতকথা শোনা; মধ্য প্রদেশ-বুন্দেলখণ্ডে গণেশ-সকটের কথা ও তিলের নাড়ু; দিল্লি-হরিয়ানায় করওয়া-অহোইয়ের মতোই কাঠামো।
মহারাষ্ট্র-গুজরাট: «তিল-চতুর্থী/মাঘী সংকষ্টী» (অঙ্গারকী হলে আরও বিশেষ) — গণেশ-মন্দিরে তিলের নাড়ু ও মোদক, «সংকষ্ট-হর» গণপতির পূজা, চন্দ্রোদয়ের পর ভোজন; নারী-পুরুষ দুজনেই ব্রত রাখেন।
দক্ষিণ ভারত: «সংকটহর চতুর্থী» — প্রতি মাসের মতোই, তবে মাঘেরটি বিশেষ; গণেশকে তিল-গুড় (এল্লু) ও মোদক, চন্দ্র-দর্শনের পর ভোজন; তামিলনাড়ুতে গণেশ-মন্দিরে «সকট-হর চতুর্থী» ব্রত।
🙏 আপনার বাড়ির রীতিনীতি এর থেকে আলাদা? এখানে লিখুন

দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।

প্রতিটি পোস্ট করা রীতিনীতি আগে পড়া হয়-অশ্লীল/বিজ্ঞাপন/ভুল যোগ করা হয় না।

কী করবেন, কী করবেন না

✅ কী করবেন

  • চন্দ্রোদয়ের পরেই ব্রত ভাঙুন — উপরে দিল্লির সময় দেওয়া, নিজের শহরের পঞ্জিকার সঙ্গে মিলিয়ে নিন
  • তিলকুট ঘরেই বানান, গণেশ ও সকট মাতাকে ভোগ দিয়ে প্রথমে ছেলেমেয়েদের দিন
  • গণেশকে অবশ্যই দূর্বা দিন — 21 গোছা
  • সধবারা একসঙ্গে ব্রতকথা শুনুন; বায়না শাশুড়ি বা বড়দের দিন
  • গর্ভবতী বা অসুস্থরা ফল-দুধ খেয়ে ব্রত রাখুন

❌ কী করবেন না

  • দিনে ঘুমোনো, ছেলেমেয়েদের বকাবকি, কালো কাপড় — নিষিদ্ধ
  • চাঁদকে অর্ঘ্য দেওয়ার আগে কোনো খাবার নয়
  • গণেশকে তুলসী দেবেন না (পৌরাণিক কারণ) — দূর্বা ও শমী-পাতা দিন
  • তিলকুট-প্রসাদ ফেরত দেওয়া বা ফেলে দেওয়া চলবে না
  • অসুস্থ শরীরে নির্জলা থাকার জেদ করবেন না

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

2027 সালে সকট চৌথ কবে?

উপরে দেওয়া তিথিটি এ বছরের মাঘ কৃষ্ণ চতুর্থী — পঞ্জিকা-গণনা অনুযায়ী, চন্দ্রোদয়-ভিত্তিক নিয়মে (যে রাতে চন্দ্রোদয়ের সময় চতুর্থী থাকে); দিল্লির চন্দ্রোদয়ের সময়ও সেখানেই দেওয়া আছে।

সকট চৌথে চাঁদ কটায় উঠবে?

উপরে «চন্দ্রোদয়» দেখুন (দিল্লি) — মাঘের চৌথের চাঁদ রাত প্রায় 8:30-9:30-এর মধ্যে ওঠে; পূর্বের শহরগুলোতে কয়েক মিনিট আগে, পশ্চিমে পরে। নিজের শহরের সময় পঞ্জিকা-পাতায় দেখুন।

সকট চৌথ আর সংকষ্টী চতুর্থীর মধ্যে পার্থক্য কী?

প্রতি মাসের কৃষ্ণ চতুর্থীই সংকষ্টী চতুর্থী (গণেশের ব্রত, চন্দ্রকে অর্ঘ্য); মাঘের সংকষ্টীই «সকট চৌথ/তিলকুট চৌথ» — বছরের সবচেয়ে বড়, বিশেষ করে মায়েদের জন্য।

তিলকুটের ছাগল কী?

অনেক বাড়িতে (রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ) তিলকুট দিয়ে ছাগলের মতো আকৃতি গড়ে পূজার পর বাড়ির ছেলে ছুরি দিয়ে সেটি কাটে — এটি ব্রতকথার বলির প্রতীক; তারপর সেই প্রসাদই সবার মধ্যে বিলোনো হয়।

অবিবাহিতা বা নিঃসন্তান নারী কি এই ব্রত রাখতে পারেন?

হ্যাঁ — সন্তান-কামনাতেও এই ব্রত রাখা হয়; বিধি একই, সংকল্পে নিজের কামনাটি বলুন।

🔔 মনে করিয়ে দিন — প্রতি ব্রতের একদিন আগে

আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।

বার্তা Nakshtra Tak-এর তরফ থেকে আসবে; নম্বর অন্য কাউকে দেওয়া হয় না।

📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান

আরও পড়ুন: মকর সংক্রাংতি (কয়েক দিন আগে) · অহোই অষ্টমী (মায়েদের দ্বিতীয় উপবাস) · মৌনী অমাবস্যা · গণেশ-আরতি

⚠️ এই বিবরণ ঐতিহ্যবাহী বিধি ও লোক-বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে তৈরি; আপনার কুল-পরিবারের রীতিই সর্বোপরি। স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার