🔱 শারদীয় নবরাত্রি 2026
আশ্বিন শুক্ল প্রতিপদা থেকে নবমী পর্যন্ত মা দুর্গার নয় রূপের আরাধনা — ঘটস্থাপনা, অখণ্ড জ্যোতি, কন্যা-পূজন এবং দশেরা।
- ঘটস্থাপনা — প্রতিপদা (মা শৈলপুত্রী) — রবিবার, 11 অক্টোবর 2026
- দ্বিতীযা — মা ব্রহ্মচারিণী — সোমবার, 12 অক্টোবর 2026
- তৃতীযা — মা চন্দ্রঘণ্টা — মংগলবার, 13 অক্টোবর 2026
- চতুর্থী — মা কুষ্মাণ্ডা — বুধবার, 14 অক্টোবর 2026
- পংচমী — মা স্কন্দমাতা — গুরুবার, 15 অক্টোবর 2026
- ষষ্ঠী — মা কাত্যায়নী — শুক্রবার, 16 অক্টোবর 2026
- সপ্তমী — মা কালরাত্রি — শনিবার, 17 অক্টোবর 2026
- মহাষ্টমী — মা মহাগৌরী (কন্যা-পূজন) — সোমবার, 19 অক্টোবর 2026
- মহানবমী — মা সিদ্ধিদাত্রী (হবন) — মংগলবার, 20 অক্টোবর 2026
- বিজয়া দশমী — দশেরা (পারন, বিসর্জন) — মংগলবার, 20 অক্টোবর 2026
শারদীয় নবরাত্রি আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষ-এর প্রতিপদা থেকে নবমী পর্যন্ত নয় দিন ধরে চলা মা দুর্গার সবচেয়ে বড় উৎসব। প্রথম দিন ঘটস্থাপনা (কলস-স্থাপনা) হয়, নয় দিন মায়ের নয় রূপের — শৈলপুত্রী থেকে সিদ্ধিদাত্রী পর্যন্ত — পূজা হয়, অষ্টমী-নবমী-এ কন্যা-পূজন এবং দশম দিনে বিজয়া দশমী (দশেরা) পালিত হয়।
বাড়ির মহিলারা এই দিনগুলোতে ব্রত রাখেন — কেউ নয় দিন, কেউ প্রথম ও শেষ দিন (জোড়া), কেউ শুধু অষ্টমীতে। নিচে এই বছরের সমস্ত তিথি (দিন-প্রতি-দিন কোন দেবী), ঘটস্থাপনার মুহূর্ত, পূজা-পদ্ধতি, সামগ্রী, ব্রতের খাবার, কন্যা-পূজন এবং বিভিন্ন প্রদেশের রীতি দেওয়া হয়েছে।
গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন
পুরাণ অনুসারে মা দুর্গা নয় দিনের যুদ্ধের পর দশম দিনে মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন — সেই কারণেই দশমী «বিজয়া»। রামায়ণে ভগবান রাম রাবণ-বধের আগে এই নয় দিনেই শক্তির আরাধনা করেছিলেন। এটি ঋতু পরিবর্তনেরও সময়, তাই ব্রত-সংযম শরীরের জন্যও হিতকর বলে মনে করা হয়।
নয় দিন নয়জন দেবীঃ শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘন্টা, কুশমাণ্ড, স্কন্দমাতা, কাতায়ানি, কালরাত্রি, মহাগৌরি, সিদ্ধিদাত্রি। প্রতিটি দিনের নিজস্ব রঙ, ভোগ এবং মন্ত্র রয়েছে; কিন্তু বাড়িতে সহজ পূজা-প্রদীপ, ফুল, চুনরি, ভোগ এবং দুর্গা-সপ্তথী বা দুর্গা-চালিসা পাঠ যথেষ্ট।
উপরের তিথিগুলো ইঞ্জিন-গণনা থেকে নেওয়া। মনে রাখবেন: তিথি-ক্ষয় বা বৃদ্ধি হওয়ার কারণে নবরাত্রি কখনও 8 এবং কখনও 10 দিনেরও হয়ে যায় — তখন মাঝের দিনগুলো (দ্বিতীযা-সপ্তমী) একদিন আগে-পিছে হতে পারে; অষ্টমী, নবমী এবং দশমী-এর তিথিগুলো উপরে সরাসরি পঞ্জিকা থেকে নেওয়া, সেগুলো নিশ্চিত।
পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)
প্রথম দিন ঘটস্থাপনা, প্রতিদিন সকালে-সন্ধ্যায় পূজা, অষ্টমী/নবমী-এ কন্যা-পূজন ও হবন — এটি ঘরোয়া পদ্ধতি।
- ঘটস্থাপনা (প্রতিপদা): সকালে স্নান করে পূজা-স্থান পরিষ্কার করুন। মাটির পাত্রে মাটি ভরে যব (জওয়ারে) বপন করুন; তার উপরে বা পাশে জলভরা কলস রাখুন — কলসে সুপারি, মুদ্রা, অক্ষত, দূর্বা দিন; মুখে আমের 5 পাতা এবং নারকেল (লাল কাপড়/চুনরিতে মোড়ানো, মৌলি বাঁধা) রাখুন।
- কলসের পাশে মা দুর্গার প্রতিমা/চিত্র স্থাপন করুন; লাল কাপড় বিছান, চুনরি চড়ান। ঘটস্থাপনার শুভ সময় প্রতিপদা-এর সকালে (সূর্যোদয়-এর পর) অথবা অভিজিৎ মুহূর্ত-এ — উপরে দেখুন। চিত্রা নক্ষত্র এবং বৈধৃতি যোগে স্থাপনা বর্জনীয় বলে মনে করা হয়; এমন পরিস্থিতি হলে অভিজিৎ-এ করুন।
- অখণ্ড জ্যোতি: ঘি বা তেলের প্রদীপ জ্বালান যা নয় দিন যেন না নেভে — যারা বাড়িতে অখণ্ড জ্যোতি রাখতে পারবেন না, তারা সকাল-সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালান, এটিও সম্পূর্ণ মান্য।
- সংকল্প নিন — «আমি নয় দিন (বা যত দিন) মা দুর্গার ব্রত শ্রদ্ধার সাথে পালন করব।» তারপর গণেশ-পূজন, কলস-পূজন এবং মায়ের ষোড়শোপচার পূজা — রোলি, অক্ষত, ফুল, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য।
- প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা: প্রদীপ-ধূপ, ফুল, ভোগ (সেই দিনের দেবীর), দুর্গা-সপ্তশতী (বা অন্তত কবচ-অর্গলা-কীলক ও সিদ্ধ-কীলক স্তোত্র) বা দুর্গা-চালিসা পাঠ, আরতি «জয অম্বে গৌরী»। জওয়ারায় প্রতিদিন সামান্য জল দিন।
- অষ্টমী বা নবমী-এ কন্যা-পূজন: 2 থেকে 10 বছরের 9 কন্যা এবং 1 বালক (লাঙ্গুর/ভৈরব) ডাকুন; পা ধুয়ে আসনে বসান, তিলক-কলাবা দিন, পুরি-চানা-হালুয়া খাওয়ান, দক্ষিণা এবং উপহার (চুনরি, চুড়ি, রুমাল) দিন, পা ছুঁয়ে বিদায় জানান।
- নবমী-এ হবন: নবমী-এ হবন-কুণ্ডে আমের কাঠ/ঘুঁটেতে ঘি-হবন সামগ্রী দিয়ে «ওঁ দুং দুর্গায়ৈ নমঃ স্বাহা» বা সপ্তশতীর মন্ত্র দিয়ে আহুতি দিন; শেষে পূর্ণাহুতি (নারকেল)।
- পারণ: নবমী-এর পূজা/হবন-এর পরে বা দশমী-এ সকালে পূজা করে ব্রত খুলুন — নিজের বংশের রীতি অনুযায়ী। কন্যাদের খাওয়ানোর পরেই নিজে খান।
- দশমী (বিজয়া দশমী): কলসের জল বাড়িতে ছিটিয়ে দিন, জওয়ারা কেটে পরিবারের পুরুষদের টুপি/কানে লাগিয়ে দিন এবং বোন-মেয়েদের দিন, নারকেল ফাটান/প্রসাদ বিতরণ করুন এবং কলস-জওয়ারা-প্রতিমা নদী/পুকুর বা বাড়ির গাছের গোড়ায় বিসর্জন দিন।
পূজা-সামগ্রীর তালিকা
ঘটস্থাপনার একদিন আগে এই তালিকা দেখে নিন — অষ্টমী-নবমী-এর সামগ্রী নিচে আলাদা করে দেওয়া আছে।
- মাটির কলস (বা তামা/পিতলের) এবং ঢাকনা
- মাটির চওড়া পাত্র + পরিষ্কার মাটি + যব (জওয়ারা বোনার জন্য)
- আমের পাতা (5), নারকেল (জটাযুক্ত), লাল কাপড়/চুনরি
- মৌলি (কলাওয়া), রোলি, কুমকুম, হলুদ, অক্ষত, সুপারি, মুদ্রা, দূর্বা
- মা দুর্গার প্রতিমা/ছবি, লাল আসন-কাপড়, চুনরি, সাজসজ্জার সামগ্রী
- অখণ্ড জ্যোতির জন্য বড় প্রদীপ, ঘি/সরিষার তেল, তুলোর সলতে
- ধূপ, আগরবাতি, কর্পূর, আরতির থালা
- ফুল-মালা (লাল জবা বিশেষ), পান, লবঙ্গ, এলাচ
- ভোগ — ফল, মিষ্টি, মাখানা, নয় দিনের জন্য আলাদা আলাদা ভোগ
- দুর্গা-সপ্তশতী / দুর্গা-চালিসার বই, আসন
- কন্যা-পূজন: পুরি-ছোলা-হালুয়া, দক্ষিণা, চুনরি/রুমাল/চুড়ি উপহার, তিলক-কলাবা
- হবন: হবন-কুণ্ড, আমের কাঠ/ঘুঁটে, হবন-সামগ্রী, ঘি, নারকেল পূর্ণাহুতির জন্য
🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন
সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।
পঞ্জিকা দেখুন →ব্রত-কথা
মহিষাসুর নামে এক অসুর ব্রহ্মা জির কাছ থেকে বর পেয়েছিল যে কোনো পুরুষ বা দেবতা তাকে মারতে পারবে না। বলের মদে সে স্বর্গ জয় করে দেবতাদের বের করে দেয়। তখন ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং মহেশের তেজ থেকে এক দিব্য নারী-শক্তি প্রকট হয় — মা দুর্গা। সমস্ত দেবতা তাকে নিজেদের অস্ত্র দেন এবং হিমালয় সিংহ বাহন দেন।
মা মহিষাসুরের সেনার সাথে নয় দিন ধরে যুদ্ধ করেছিলেন — চণ্ড-মুণ্ড, রক্তবীজ, ধূম্রলোচন সবাই নিহত হয়েছিল। দশম দিনে মা মহিষাসুরকে বধ করেন; এই বিজয-এর স্মরণে বিজয়া দশমী এবং মা «মহিষাসুরমর্দিনী» নামে পরিচিত হলেন।
দ্বিতীয় কথাটি রামায়ণের — লঙ্কায় যাওয়ার আগে শ্রীরাম শক্তির পূজা করেছিলেন; 108 নীল কমল অর্পণ করার কথা ছিল, একটি কম পড়ায় রাম নিজের চোখ অর্পণ করতে চেয়েছিলেন — মা প্রসন্ন হয়ে বিজয-এর বরদান দিয়েছিলেন। এই কারণেই বাংলায় «অকাল বোধন» (অসময়ে পূজা)-এর পরম্পরা রয়েছে, কারণ রাম শরদ ঋতুতে মাকে জাগিয়েছিলেন।
নয় দিনের ব্রত-খাবার এবং ভোগ
নবরাত্রি-ব্রতে শস্য, পেঁয়াজ-রসুন, লবণ (সাধারণ) খাওয়া হয় না — সৈন্ধব লবণ, কুট্টু, সিংঘাড়া, সাবুদানা, রাজগিরা, আলু, ফল, দুধ-দই চলে। একবেলা ফলাহার এবং সন্ধ্যায় পূজা-এর পরে খাবার — এটি সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি।
- সকাল: ফল, দুধ, মাখনা, শুকনো ফল; দিনে সাবুদানা খিচুড়ি বা কুট্টুর লুচি + আলুর তরকারি (সৈন্ধব লবণ) + দই
- সন্ধ্যার পূজা-এর পর: সিংঘাড়ার আটার হালুয়া, সমা (ব্রত)-এর চালের পায়েস, আলু-মাখানার সবজি, ফলের চাট
- নয় দিনের ভোগ: 1 গরুর ঘি · 2 চিনি · 3 দুধ/পায়েস · 4 মালপোয়া · 5 কলা · 6 মধু · 7 গুড় · 8 নারকেল · 9 তিল/কালো ছোলা-হালুয়া-পুরি
- কন্যা-পূজনের প্রসাদ: সুজির হালুয়া, কালো ছোলা (শুকনো, হালকা মশলা), পুরি — এই তিনটিই উত্তর ভারতে সবচেয়ে মান্য
- গর্ভবতী, ডায়াবেটিস-রোগী বা দুর্বল মহিলারা ফল-দুধ-দই দিয়ে ব্রত রাখুন, নির্জলা থাকবেন না
বিভিন্ন এলাকার রীতি
নবরাত্রি সারা দেশের উৎসব, কিন্তু প্রতিটি প্রদেশের রীতি আলাদা — যা আপনার বাড়িতে চলে আসছে সেটাই সঠিক।
দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।
✅ মিল গিলি-রিডিং 1-2 দিনে একই পৃষ্ঠায় যোগ করবে। ধন্যবাদ!কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ পাঠানো হচ্ছেকী করবেন, কী করবেন না
✅ কী করবেন
- ঘটস্থাপনা প্রতিপদা-এ সূর্যোদয়-এর পরে, দিনের প্রথম তৃতীয়াংশ বা অভিজিৎ মুহূর্ত-এ করুন।
- নয় দিন বাড়িতে সাত্ত্বিকতা — পেঁয়াজ-রসুন, মাংস-মদ্য নয়, কলহ নয়
- প্রতিদিন সকালে-সন্ধ্যায় প্রদীপ, ভোগ এবং পাঠ — ছোট হোক কিন্তু নিয়ম মেনে হোক
- কন্যাদের শ্রদ্ধার সাথে বসিয়ে ভোজন করান, পা ছুঁয়ে বিদায় জানান
- দশমী-এ কলস-জল বাড়িতে ছিটিয়ে দিন এবং জওয়ারা বিতরণ করুন — এটি মায়ের আশীর্বাদ
❌ কী করবেন না
- কলস স্থাপনের পর তা বারবার নাড়াবেন না; অখণ্ড জ্যোতি একা ছেড়ে যাবেন না (সুরক্ষা)
- ব্রতের সময় চুল-নখ কাটা, দাড়ি কামানো, চামড়ার জিনিস ব্যবহার — ঐতিহ্যে নিষিদ্ধ।
- কালো কাপড় পূজা-এ পরবেন না
- কন্যা-পূজন ছাড়া নবরাত্রি-ব্রত অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয় — কন্যা না পাওয়া গেলে 2 কন্যাও যথেষ্ট।
- গর্ভবতী/রোগী নির্জলা ব্রত বা হবন-এর ধোঁয়া সহ্য করবেন না — ফলাহার করে ব্রত করুন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
শারদীয় নবরাত্রি 2026 কবে থেকে কবে পর্যন্ত?
উপরে দিন-প্রতি-দিন তালিকায় ঘটস্থাপনা (প্রতিপদা) থেকে বিজয়া দশমী পর্যন্ত এই বছরের সব তিথি দেওয়া আছে — পঞ্জিকা-গণনা অনুযায়ী, দিল্লির সূর্যোদয়-এর উদয়া-তিথি নিয়ম অনুসারে।
ঘটস্থাপনার শুভ মুহূর্ত কী?
প্রতিপদা তিথিতে সূর্যোদয়-এর পরে দিনের প্রথম তৃতীয়াংশ (প্রায় সকাল 6:30-10 টা) শ্রেষ্ঠ; সম্ভব না হলে অভিজিৎ মুহূর্ত (উপরে দেওয়া সময়)। চিত্রা নক্ষত্র এবং বৈধৃতি যোগে স্থাপনা করবেন না — এমন হলে অভিজিৎ-এই করুন।
কন্যা-পূজন অষ্টমী-এ করবেন নাকি নবমী-এ?
উভয়ই মান্য — পাঞ্জাব-দিল্লিতে অষ্টমী (কঞ্জক) এবং পূর্ব উত্তর প্রদেশ-বিহারে নবমী বেশি প্রচলিত। আপনার বাড়ির রীতি মেনে চলুন; কন্যারা 2 থেকে 10 বছর বয়সী এবং সাথে একজন বালক থাকা উচিত।
নবরাত্রির উপবাস কীভাবে ভাঙবেন (পারণ)?
নবমী-এ হবন-কন্যা-পূজনের পরে বা দশমী-এ সকালে পূজা করে — নিজের রীতি অনুযায়ী। প্রথমে মাকে ভোগ, তারপর কন্যাদের, তারপর নিজে।
নয় দিন ব্রত রাখতে না পারলে?
প্রথম এবং শেষ দিন (জোড়ার ব্রত), অথবা শুধুমাত্র অষ্টমী-এর ব্রতও শাস্ত্রসম্মত। শ্রদ্ধা এবং নিয়মই প্রধান, দিনের গণনা নয়।
এই বছর নবরাত্রি 8 দিনের কেন (বা 10 দিনের)?
যখন একটি তিথি সূর্যোদয়-থেকে-সূর্যোদয়-এর মধ্যে পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় (তিথি-ক্ষয়) তখন একদিন কম, এবং যখন একটি তিথি দুটি সূর্যোদয় স্পর্শ করে (তিথি-বৃদ্ধি) তখন একদিন বেশি হয়ে যায়। উপরে অষ্টমী-নবমী-দশমী-এর তিথিগুলি সরাসরি পঞ্জিকা থেকে নেওয়া, তাই সেগুলি সঠিক।
আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।
✅ নথিভুক্ত হয়েছে — পরের ব্রতের একদিন আগে বার্তা আসবে।কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ নথিভুক্ত হচ্ছে…📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান
আরও পড়ুন: বিজয়া দশমী (দশেরা) · শরদ পূর্ণিমা · দুর্গা চালীসা ও আরতি · হিন্দু ক্যালেন্ডার
⚠️ এই বিবরণটি প্রচলিত পদ্ধতি ও লোক-মান্যতার উপর ভিত্তি করে তৈরি; আপনার কুল-পরিবারের রীতিই সর্বোপারি। মাঝের দিনগুলির (দ্বিতীযা-সপ্তমী) তিথি, তিথি-ক্ষয়/বৃদ্ধি-এর কারণে একদিন পরিবর্তিত হতে পারে — স্থানীয় পঞ্জিকা-এর সাথে মিলিয়ে নিন।
🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার