Nakshtra Takকুণ্ডলীরাশিফলপঞ্জিকামিলানজ্ঞানগ্রহ-ফলজ্যোতিষীStore
🪔 ব্রত-উৎসব

🌕 শরদ পূর্ণিমা (কোজাগরী) 2026

✍️ জ্যোতিষাচার্য আদিত্য ধর দ্বিবেদী · 🔎 শেষ পর্যালোচনা: · 🧮 গণনা-পদ্ধতি

আশ্বিন পূর্ণিমা — চাঁদের আলোয় রাখা ক্ষীর, লক্ষ্মী-পূজা এবং রাত-জাগরণ; ষোলো কলার অধিকারী চন্দ্র অমৃত বর্ষণ করেন।

শরদ পূর্ণিমা (কোজাগরী) 2026-এর তিথি
রবিবার, 25 অক্টোবর 2026
আশ্বিন · শুক্ল পক্ষ · পূর্ণিমা (বিক্রম সংবত 2083)
🌙 চাঁদের উদয়4:56 PM
🌇 সূর্যাস্ত5:42 PM
📿 তিথি-কালপূর্ণিমা 25 অক্টোবর, 11:56 AM → 26 অক্টোবর, 9:41 AM
🌌 নিশীথ কাল11:39 PM – 12:31 AM
⭐ অভিজিৎ মুহূর্ত11:41 AM – 12:29 PM
⛔ রাহুকাল (এড়িয়ে চলুন)04:17 PM – 05:42 PM
আগামী বছর — 2027: গুরুবার, 14 অক্টোবর 2027
সময় দিল্লি (আই. এস. টি) কে, সুইস এপিহেমেরিস-গণনা, উদীয়মান-তারিখের নিয়ম। চন্দ্রোদয়/সূর্যোদয় প্রতিটি শহরে পরিবর্তিত হয় -

শরদ পূর্ণিমা আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা হলো — দশেরার প্রায় পাঁচ দিন পর এবং করবা চৌথের চার দিন আগে। বিশ্বাস করা হয় যে, এই রাতে চাঁদ তার ষোলো কলা পূর্ণ করে এবং তার রশ্মি থেকে অমৃত বর্ষিত হয়; সেই কারণেই ক্ষীর বানিয়ে সারা রাত চাঁদের আলোয় রাখা হয় এবং সকালে প্রসাদ হিসেবে খাওয়া হয়।

একে কোজাগরী পূর্ণিমা-ও বলা হয় — «কো জাগর্তী?» অর্থাৎ «কে জেগে আছো?» — এই রাতে মা লক্ষ্মী পৃথ্বী-এ ঘুরে দেখেন যে কে জেগে থেকে তাঁকে স্মরণ করছে, এবং তাকে ধন-সমৃদ্ধি দেন। বাংলা-ওড়িশা-আসাম-মিথিলায় এই দিনটিই লক্ষ্মী পূজা-এর প্রধান দিন, গুজরাটে শরদ-পুনমের রাস এবং ব্রজে রাস-পূর্ণিমা।

গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন

আয়ুর্বেদ অনুসারে শরদ ঋতু পিত্ত-প্রধান এবং এই রাতের জ্যোৎস্না শীতল-ঔষধি গুণসম্পন্ন বলে মানা হয় — দুধ-চালের ক্ষীর জ্যোৎস্নায় রাখলে তার গুণ বৃদ্ধি পায়। এই কারণেই হাঁপানি রোগীদের এই রাতে ক্ষীর খাওয়ানোর লোক-পরম্পরা রয়েছে।

এটি লক্ষ্মী-প্রাপ্তির ব্রত — পূর্ণিমা-এ মহিলারা ব্রত রাখেন, সন্ধ্যায় চন্দ্রোদয়ে চন্দ্র-অর্ঘ্য, রাতে লক্ষ্মী-পূজা এবং জাগরণ; পরের দিন সকালে পায়েসের প্রসাদ বিতরণ করে ব্রত ভাঙেন।

ব্রজে এটি শ্রীকৃষ্ণের মহারাসের রাত — এই পূর্ণিমা-তেই কৃষ্ণ গোপীদের সঙ্গে রাস রচনা করেছিলেন; তাই রাস-পূর্ণিমা-ও বলা হয়।

পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)

এটি ঘরোয়া পদ্ধতি — দিনের ব্রত, চন্দ্রোদয়ে অর্ঘ্য, রাতে লক্ষ্মী-পূজা এবং চাঁদের আলোয় পায়েস।

  1. সকালে স্নান করে ব্রতের সংকল্প নিন — «আমি শরদ পূর্ণিমা-এর ব্রত লক্ষ্মী-প্রাপ্তি ও পরিবারের সমৃদ্ধির জন্য করছি।» দিনে ফলাহার।
  2. সন্ধ্যায় বাড়ির মন্দির বা পূজা-স্থান পরিষ্কার করুন; লক্ষ্মী দেবী ও শ্রীকৃষ্ণ/রাধা-কৃষ্ণ-এর মূর্তি/ছবি স্থাপন করুন, লাল বা হলুদ কাপড় বিছিয়ে দিন।
  3. দুধ-চাল-চিনির পায়েস তৈরি করুন (কেশর-এলাচ-ড্রাই ফ্রুটস দিয়ে) — পিতল বা রুপোর পাত্রে, ঢাকনা ছাড়া, পাতলা কাপড়/জালি দিয়ে ঢেকে।
  4. চন্দ্রোদয় (উপরে সময়) হলে ছাদ/উঠানে চাঁদকে জল-দুধের অর্ঘ্য দিন, প্রদীপ দেখান; «ওঁ সোম সোমায় নমঃ» বা চন্দ্র-মন্ত্র জপ করুন।
  5. ক্ষীরের পাত্র খোলা ছাদ বা উঠোনে চাঁদের আলোয় রাখুন — যেখানে সরাসরি চাঁদের আলো পড়ে; উপরে জালি দিন যাতে পোকা-পাখি না বসে। অন্তত রাত 12 টা পর্যন্ত, তবে প্রথা অনুযায়ী সারা রাত রাখা ভালো।
  6. রাতে লক্ষ্মী-পূজা: প্রদীপ, ফুল, পদ্ম (পেলে), খৈ-বাতাসা, সাদা মিষ্টি, সুগন্ধি; শ্রীসূক্ত, লক্ষ্মী-চালিশা বা «ওঁ শ্রীং মহালক্ষ্ম্যৈ নমঃ» জপ করুন। ঘরের দরজা-জানালা খোলা রাখুন, প্রদীপ জ্বালান।
  7. জাগরণ: রাতে ভজন-কীর্তন, কথা, বা অন্তত মধ্যরাত পর্যন্ত জেগে লক্ষ্মী-স্মরণ — «কো জাগর্তী»-র পরম্পরা।
  8. সকালে (বা মাঝরাতের পর) চাঁদের আলোয় রাখা ক্ষীর প্রথমে লক্ষ্মী দেবী ও চন্দ্রদেবকে ভোগ দিন, তারপর পরিবারে প্রসাদ বিতরণ করুন এবং ব্রত ভঙ্গ করুন। রোগী, শিশু, বৃদ্ধ সবাইকে দিন।

পূজা-সামগ্রীর তালিকা

ক্ষীরের জন্য পরিষ্কার ধাতুর পাত্র এবং জালি সবচেয়ে জরুরি।

  • ক্ষীর: দুধ (গরুর দুধ হলে উত্তম), চাল, চিনি/মিছরি, কেশর, এলাচ, বাদাম-কাজু-কিশমিশ, মাখনা
  • পিতল/রুপো/স্টিলের খোলা পাত্র + পাতলা কাপড় বা জালি (ঢাকনা হিসেবে)।
  • লক্ষ্মী দেবী ও রাধা-কৃষ্ণ-এর ছবি/মূর্তি, লাল-হলুদ কাপড়
  • প্রদীপ (ঘি), ধূপ, কর্পূর, আগরবাতি
  • ফুল — পদ্ম/গোলাপ, ফুলের মালা
  • খৈ-বাতাসা, সাদা মিষ্টি (বরফি/পেড়া), ফল।
  • রোলি, অক্ষত, হলুদ, মৌলি, চন্দন, আতর
  • চন্দ্র-অর্ঘ্যের জন্য তামা বা রুপোর ঘটি, দুধ-জল।
  • শ্রীসূক্ত/লক্ষ্মী-চালিশার বই, আসন
  • পান, সুপারি, লবঙ্গ, এলাচ, নারকেল

🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন

📅 আপনার শহরের পঞ্জিকা

সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।

পঞ্জিকা দেখুন →

ব্রত-কথা

এক মহাজনের দুই মেয়ে ছিল। দুজনেই পূর্ণিমা-এর ব্রত রাখত, কিন্তু বড় মেয়ে পুরো নিয়ম মেনে এবং ছোট মেয়ে অসম্পূর্ণ মনে — ভোজন করে। বিয়ের পর ছোট মেয়ের সন্তানরা জন্মের পরেই মারা যেত। পণ্ডিতরা জানালেন যে অসম্পূর্ণ ব্রতেরই এই ফল।

ছোট বোন পূর্ণিমা-এর ব্রত নিয়ম মেনে করেছিল, কিন্তু সেইবারও তার পুত্র জন্মের পর প্রাণহীন হয়ে যায়। সে বালককে পিঁড়িতে শুইয়ে কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয় এবং বড় বোনকে ডেকে সেই পিঁড়িতে বসতে বলে। বড় বোন বসতেই তার পুণ্য-ব্রতের স্পর্শে বালক কেঁদে ওঠে।

বড় বোন বলল — «তুই আমার উপর হত্যার দোষ চাপাতে চেয়েছিলি?» ছোট বোন বলল — «না দিদি, এটি তো আগেই মরে ছিল, তোমার ব্রতের পুণ্যে জীবিত হয়েছে।» সেই থেকে নগরে শরদ পূর্ণিমা-এর ব্রত বিধি-পূর্বক করার পরম্পরা চলে — এই কাহিনী শেখায় যে ব্রত মন থেকে এবং সম্পূর্ণ বিধিতে করা উচিত।

দ্বিতীয় কথাটি কোজাগরীর — এই রাতে মা লক্ষ্মী পৃথ্বী-এ নেমে এসে জিজ্ঞেস করেন «কো জাগর্তি?» (কে জেগে আছো?) — যে জেগে থেকে তাঁর স্মরণ করে, তার বাড়িতে তিনি স্থির থাকেন। সেইজন্যই বাংলায় কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা এবং মিথিলাতে কোজাগরা (নববিবাহিত বরের বাড়িতে) রীতি প্রচলিত।

জ্যোৎস্নার ক্ষীর — তৈরির পদ্ধতি এবং ব্রতের খাবার

ক্ষীরই এই উৎসবের প্রসাদ। দুধ ঘন করে তাতে চাল, চিনি, কেশর-এলাচ ও ড্রাই ফ্রুটস মেশান; ঠান্ডা করে খোলা পাত্রে জালি দিয়ে ঢেকে চাঁদের আলোয় রাখুন। প্লাস্টিক বা অ্যালুমিনিয়ামে রাখবেন না — পিতল, রুপো বা স্টিল উত্তম।

  • ব্রতের দিন: ফল, দুধ, সাবুদানা-খিচুড়ি বা শিংগাড়ার হালুয়া; সৈন্ধব লবণ
  • ক্ষীর (4 জনের জন্য): 1 লিটার দুধ, 50 গ্রাম চাল (ভেজানো), 80-100 গ্রাম চিনি, 5-6 কেশর, 4 এলাচ, 2 চামচ কাটা ড্রাই ফ্রুটস — কম আঁচে 40 মিনিট।
  • বাংলা-ওড়িশা: কোজাগরীতে চিড়ে, নারকেল, খই-বাতাসা, দুধ-মাখনার প্রসাদ
  • ব্রজ: রাস-পূর্ণিমা-এ মাখন-মিছরি ও ক্ষীরের ভোগ ঠাকুরজিকে নিবেদন
  • পরের দিন সকালে ক্ষীরের প্রসাদ সবাইকে দিন — বিশেষ করে শিশুদের এবং হাঁপানি/শ্বাসকষ্টের রোগীদের (লোক-বিশ্বাস)

বিভিন্ন এলাকার রীতি

একই পূর্ণিমা — কোথাও ক্ষীর ও জ্যোৎস্না, কোথাও লক্ষ্মী পূজা, কোথাও রাস।

উত্তর প্রদেশ-বিহার-মধ্য প্রদেশ: ছাদে পায়েস রাখা এবং সকালে প্রসাদ; মহিলারা ব্রত রেখে চন্দ্র-অর্ঘ্য দেন; অনেক বাড়িতে পূর্ণিমা-এর সত্যনারায়ণ-কথাও এই দিনেই হয়।
বঙ্গ-অসম-ওড়িশা: কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা — দুর্গা পূজা-এর পরের বড় উৎসব; ঘরে লক্ষ্মীর প্রতিমা/সরা, আলপনা (চালের গুঁড়ো দিয়ে লক্ষ্মীর পা), খই-মুড়ি-নারকেলের নাড়ু, রাত-জাগরণ।
মিথিলা (বিহার): কোজাগরা — নববিবাহিত বরের বাড়িতে বাপের বাড়ি থেকে মাখনা, পান, মিষ্টি, বাতাসা আসে; বরের আরতি এবং পুরো গ্রামে মাখনা-বাতাসা বিতরণ।
গুজরাট: শরদ-পূর্ণিমা — রাতে খোলা জায়গায় দুধ-চিঁড়ে এবং গরবা-রাস; অনেক শহরে «শরদ-পূর্ণিমা নো রাস» হয়।
ব্রজ-রাজস্থান: রাস-পূর্ণিমা — বৃন্দাবন-বরসানা-তে মহারাস লীলা; রাজস্থানে «শরদ পুনম»-এ ক্ষীর ও চন্দ্র-দর্শন, কোথাও কোথাও কুমারী কন্যাদের ব্রত।
মহারাষ্ট্র: কোজাগরী পূর্ণিমা — রাতে মশলা-দুধ (কেশর-ড্রাই ফ্রুটস যুক্ত) জ্যোৎস্নায় রেখে পান করা, পরিবার-বন্ধুদের সাথে জাগরণ, ঘরের সবচেয়ে বড় ছেলে/প্রথম সন্তানের সম্মান।
🙏 আপনার বাড়ির রীতিনীতি এর থেকে আলাদা? এখানে লিখুন

দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।

প্রতিটি পোস্ট করা রীতিনীতি আগে পড়া হয়-অশ্লীল/বিজ্ঞাপন/ভুল যোগ করা হয় না।

কী করবেন, কী করবেন না

✅ কী করবেন

  • পায়েস সরাসরি চাঁদের আলোয় রাখুন — যেখানে মেঘ/ছাদ ঢাকা না থাকে; উপরে অবশ্যই জালি দেবেন
  • চন্দ্রোদয়ে অর্ঘ্য দিন, রাতে লক্ষ্মী-পূজা ও কিছুক্ষণ জাগরণ।
  • ঘরের দরজা-জানালার পাশে প্রদীপ — «লক্ষ্মী আগমন»-এর সংকেত।
  • সকালে পায়েসের প্রসাদ সবার মধ্যে বিতরণ করুন, বিশেষ করে শিশুদের এবং রোগীদের মধ্যে
  • শ্রীসূক্ত বা লক্ষ্মী-চালিশা পাঠ করুন

❌ কী করবেন না

  • পায়েস প্লাস্টিক/অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে রাখবেন না; জালি ছাড়া রাখবেন না (পোকা-পাখি)
  • রাতে ঝগড়া, জুয়া (অনেক জায়গায় রেওয়াজ আছে, কিন্তু লক্ষ্মী-পূজা-এর রাতে মনমালিন্য নয়)।
  • পূর্ণিমা-এ চুল-নখ কাটা, মাংস-মদ্যপান — পরম্পরায় নিষিদ্ধ
  • ক্ষীর খুব গরম থাকলে জ্যোৎস্নায় রাখবেন না — আগে ঠান্ডা করে নিন
  • ডায়াবেটিস-রোগীরা চিনির পায়েসের প্রসাদ অল্পই নেবেন

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

শরদ পূর্ণিমা 2026 মধ্যে কখন আছে?

উপরে দেওয়া তারিখটি এই বছরের আশ্বিন পূর্ণিমা — পঞ্জিকা-গণনা অনুযায়ী; চন্দ্রোদয়ের দিল্লি-সময় এবং পূর্ণিমা তিথির সময়সীমাও উপরে দেওয়া আছে। পূর্ণিমা তিথি যদি পরের দিন পর্যন্ত চলে, তবে চাঁদের আলোর ক্ষীর সেই রাতেই রাখুন যে রাতে পূর্ণিমা তিথি চন্দ্রোদয়ের সময় থাকে।

পায়েস চাঁদের আলোয় কতক্ষণ রাখবেন?

চন্দ্রোদয়ের পর থেকে অন্তত মাঝরাত (12 টা) পর্যন্ত; পরম্পরায় সারা রাত এবং সকালে প্রসাদ। জালি দিয়ে ঢেকে রাখুন।

ক্ষীর কি সত্যিই ওষুধ হয়ে যায়?

এটি লোক ও আয়ুর্বেদিক বিশ্বাস — শরদ-এর শীতল চাঁদের আলো এবং দুধ-চালের সংযোগ পিত্ত-নাশক বলে গণ্য হয়। এটিকে শ্রদ্ধা ও প্রথা হিসেবে গ্রহণ করুন; কোনো রোগ-এর চিকিৎসা চিকিৎসকের পরামর্শেই করান।

শরদ পূর্ণিমা এবং কোজাগরীর মধ্যে পার্থক্য কী?

উভয়ই একই তিথি — আশ্বিন পূর্ণিমা। উত্তর ভারতে ক্ষীর-চাঁদের উপর জোর দেওয়া হয়, বাংলা-ওড়িশা-মিথিলা-মহারাষ্ট্রে «কোজাগরী» নামে লক্ষ্মী-পূজা ও জাগরণের উপর।

শরদ পূর্ণিমা-এর ব্রত কীভাবে ভাঙবেন?

পরের দিন সকালে চাঁদের আলোয় রাখা ক্ষীর লক্ষ্মী ও চন্দ্রদেবকে ভোগ নিবেদন করে, সেই প্রসাদ দিয়ে ব্রত ভঙ্গ করুন; রাতে জাগরণ করলে মাঝরাতের পরেও প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।

🔔 মনে করিয়ে দিন — প্রতি ব্রতের একদিন আগে

আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।

বার্তা Nakshtra Tak-এর তরফ থেকে আসবে; নম্বর অন্য কাউকে দেওয়া হয় না।

📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান

আরও পড়ুন: করবা চৌথ (4 দিন পর) · দীপাবলি — লক্ষ্মী পুজো · বিজয়া দশমী · পূর্ণিমা-একাদশী তালিকা

⚠️ এই বিবরণ ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি ও লোক-মান্যতার উপর ভিত্তি করে; আপনার কুল-পরিবারের রীতিই সর্বোপারি। স্বাস্থ্য-দাবিগুলিকে শ্রদ্ধা হিসেবে গ্রহণ করুন, চিকিৎসার বিকল্প নয়।

🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার