🐄 বছ বারস (গোবৎস দ্বাদশী / বসু বারস) 2026
গাভী-বাছুর পূজার মায়েদের ব্রত — ভাদ্রপদ কৃষ্ণা দ্বাদশী (বছ বারস: রাজস্থান-UP-MP) আর কার্তিক কৃষ্ণা দ্বাদশী (গোবৎস/বসু/বাঘ বারস: গুজরাট-মহারাষ্ট্র, ধনতেরসের এক দিন আগে): গরুর দুধ-দই ও ছুরিতে কাটা জিনিস নিষিদ্ধ, বাজরা-মথ-কড়ী, সন্তানের মঙ্গলকামনা; দুটি তিথিই উপরে দেওয়া আছে।
- গোবৎস দ্বাদশী/বাসু বারাস/ওয়াঘ বারাস-কার্তিক কৃষ্ণ দ্বাদশী, দান্থেরাসের একদিন আগে (গুজরাট। মহারাষ্ট্র) - গুরুবার, 5 নভেম্বর 2026
- বাশ বারাস-ভাদ্রপদ কৃষ্ণ দ্বাদশী (রাজস্থান * উত্তরপ্রদেশ * মধ্যপ্রদেশ * হরিয়ানা) - রবিবার, 29 আগস্ট 2027
**বছ বারস** (বছ দ্বাদশী, গোবৎস দ্বাদশী, বসু বারস, বাঘ বারস) পুত্রবতী মায়েদের ব্রত, যাতে গাভী ও তার বাছুরের (বৎস) পূজা হয় — গাভীর মধ্যে সব দেবতার বাস আর বাছুর সন্তানের প্রতীক; মায়েরা নিজের সন্তানের দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সুখের জন্য গাভী-বাছুরকে হলুদ-কুমকুমের তিলক দিয়ে, অঙ্কুরিত মথ-বাজরা ও গুড় খাইয়ে প্রদক্ষিণ করেন। এই দিন গরুর দুধ-দই-ঘি খাওয়া হয় না (বাছুরের জন্য রেখে দেওয়া হয়) আর ছুরিতে কাটা কোনো জিনিসও খাওয়া হয় না — তাই বাজরার রুটি, মথ, কড়ী আর গোটা শস্যের খাবার।
এই ব্রত দুটি আলাদা তিথিতে দুই রূপে পালিত হয়: রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানায় **ভাদ্রপদ কৃষ্ণা দ্বাদশীতে** (জন্মাষ্টমীর চার দিন পরে) «বছ বারস», আর গুজরাট-মহারাষ্ট্রে **কার্তিক কৃষ্ণা দ্বাদশীতে** (ধনতেরসের এক দিন আগে, দীপাবলি-উৎসবের প্রথম দিন) «বাঘ বারস/বসু বারস/গোবৎস দ্বাদশী» — দুটি তিথিই উপরে আছে; নিজের অঞ্চলের তিথি দেখে নিন। নিচে বিধি, উপকরণ, ব্রতকথা, খাবার, অঞ্চলভেদে রীতি ও প্রশ্নোত্তর।
গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন
গোবৎস-পূজা: গাভীর (কামধেনু) মধ্যে 33 কোটি দেবতার বাস — গোবৎস দ্বাদশীতে গাভী-বাছুরের পূজায় সব দেবতা প্রসন্ন হন; ভবিষ্য পুরাণে গোবৎস দ্বাদশীর উল্লেখ আছে — নন্দিনী গাভীর পূজা, বৎস = সন্তান; তাই এটি মায়েদের ব্রত।
সন্তানকামনা: বিশ্বাস — গাভী-বাছুরের সেবায় সন্তান দীর্ঘায়ু ও নিরোগ হয়, নিঃসন্তানের সন্তান হয়; কাহিনিতে গাভী-বাছুরের অপমান/বধ সন্তানহানি ঘটায় আর সেবায় সন্তান ফিরে আসে — ব্রতের মূল কথা এটাই।
দুধ ও ছুরি ত্যাগ: সেই দিন গরুর দুধ-দই-ঘি বাছুরের প্রাপ্য — তাই মোষের দুধ বা দুধ ছাড়া খাবার; ছুরিতে কাটা সবজি/ফল নিষিদ্ধ (গাভী-বাছুরের যেন আঘাত না লাগে, তার প্রতীক) — গোটা মথ, বাজরা, কড়ী, খীচ; খেতের ফসল হাত দিয়ে ছিঁড়ে নেওয়া।
দীপাবলির সূচনা (গুজরাট-মহারাষ্ট্র): বাঘ বারস/বসু বারস থেকে দীপাবলির পাঁচ-ছয় দিন শুরু — বসু বারস (গাভী-বাছুর), ধনতেরস, কালী চৌদস, দীপাবলি, বেস্তু বর্ষ/পাড়বা, ভাই বীজ; গুজরাটে ব্যবসায়ীরা এই দিন খাতার লেনদেন বন্ধ করে হিসাব মিটিয়ে নেন («বাঘ» = ব্যাঘ্র, ঋণ শোধের দিন)।
পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)
বছ বারস/গোবৎস দ্বাদশীর ঘরোয়া বিধি — সকালে গাভী-বাছুরের পূজা (গোশালা/প্রতিবেশীর গাভী, না থাকলে মাটির গাভী-বাছুর), দিনে দুধ ছাড়া ও ছুরি ছাড়া খাবার, ব্রতকথা; গুজরাট-মহারাষ্ট্রে সন্ধ্যায় গোধূলি বেলায়।
- সকাল: স্নান, পরিষ্কার পোশাক; বাছুরসহ গাভী (দুধেল, বাছুর সঙ্গে আছে এমন) খুঁজে নিন — গোশালা/প্রতিবেশী; না পেলে ভিজে মাটি দিয়ে গাভী-বাছুর গড়ে বা ছবিতে পূজা করুন।
- সংকল্প: «আমি (নাম) আমার সন্তানের (নাম) দীর্ঘায়ু ও সুখের জন্য বছ বারস/গোবৎস দ্বাদশী ব্রত রাখছি; আজ গরুর দুধ ও ছুরিতে কাটা জিনিস গ্রহণ করব না» — জল ছাড়ুন।
- গাভী-বাছুরের স্নান-সাজ: গাভীর পা ধুয়ে হলুদ-কুমকুম-রোলীর তিলক (কপালে ও শিংয়ে), ফুলের মালা, পিঠে চুনরি/লাল কাপড়, বাছুরকেও তিলক-মালা; গাভীর গলায় ঘণ্টা (কিছু ঘরে); কাঁচা সুতো গাভী-বাছুরের চারদিকে জড়ানো (রক্ষাসূত্র)।
- পূজা: অক্ষত, ফুল, প্রদীপ-ধূপ (গাভী থেকে দূরে), জলের অর্ঘ্য; ভোগ — অঙ্কুরিত/ভেজানো মথ, বাজরা, ছোলা, গুড়, কাঁচা ঘাস, কলা, রুটি (বাজরার, হাতে ছেঁড়া); গাভী-বাছুরকে নিজের হাতে খাওয়ানো; «ওঁ সুরভ্যৈ নমঃ» / «সর্বদেবময়ে দেবি সর্বদেবৈরলংকৃতে। মাতর্মমাভিলষিতং সফলং কুরু নন্দিনি॥»
- প্রদক্ষিণ ও প্রার্থনা: গাভী-বাছুরকে 3/7 বার প্রদক্ষিণ, সন্তানের রক্ষার প্রার্থনা, গাভীর লেজ দিয়ে আশীর্বাদ নেওয়া (কিছু রীতিতে); বাচ্চাদের দিয়ে গাভী-বাছুরকে ছোঁয়ানো/খাওয়ানো।
- ব্রতকথা: বছ বারস/গোবৎস দ্বাদশীর কথা (নিচে — মহাজনগিন্নি ও পুকুরের) বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠ মহিলার মুখে শোনা; কথার পরে «বছ বারস মাতা»র আরতি (রাজস্থান) বা গোমাতার আরতি।
- খাবার: দিনে গরুর দুধ-দই-ঘি-মাখন নয়, ছুরিতে কাটা সবজি-ফল নয়, গম (কিছু ঘরে) নয় — বাজরার রুটি/খীচ, মথ-ছোলা (গোটা/অঙ্কুরিত), কড়ী (মোষের দই বা বেসন-ঘোল দিয়ে), গোটা সবজি (কুমড়ো/লাউ হাতে ভাঙা — কিছু ঘরে), গোটা ফল (কলা-পেয়ারা); একবেলা (অনেক ঘরে দুবেলাই এই খাবার)।
- গুজরাট-মহারাষ্ট্র (বাঘ/বসু বারস): সন্ধ্যায় গোধূলি বেলায় গাভী-বাছুরের আরতি-পূজা, গাভীকে বাজরা-গুড়; ঘরে রঙ্গোলি-প্রদীপ (দীপাবলির সূচনা), ব্যবসায়ীরা খাতার লেনদেন বন্ধ করেন; রাতে গরুর দুধ বাদ দিয়ে খাবার (উড়দ/মুগ, বাজরা)।
- সমাপন: গাভী-বাছুরকে কাঁচা ঘাস-গুড়; বাকি ভোগ গাভীকে; পরের দিন স্বাভাবিক খাবার; বছ বারসের মাটির গাভী-বাছুর জলে বিসর্জন; বাচ্চাদের গো-সেবার শিক্ষা।
📿 বচ্ছ বারস (গোবৎস দ্বাদশী / বসু বারস) কীভাবে পালন করবেন — বিস্তারিত বিধি, সামগ্রীর তালিকা ও নিয়ম →
পূজা-সামগ্রীর তালিকা
গাভী-বাছুরের সাজ, মথ-বাজরা-গুড়ের খাদ্য-ভোগ আর দুধ ছাড়া-ছুরি ছাড়া খাবার — বছ বারসের তালিকা।
- গাভী ও বাছুর (গোশালা/প্রতিবেশী) — না থাকলে মাটির গাভী-বাছুর বা গোমাতার ছবি; কলস (জল)
- সাজ: হলুদ, কুমকুম, রোলী, অক্ষত, ফুলের মালা (গাঁদা), লাল চুনরি/কাপড়, কাঁচা সুতো, ঘণ্টা (ঐচ্ছিক), মেহেদি (শিংয়ে — কিছু রীতিতে)
- খাদ্য-ভোগ: অঙ্কুরিত/ভেজানো মথ, বাজরা, ছোলা, গুড়, কাঁচা ঘাস, কলা, বাজরার রুটি (হাতে ছেঁড়া), গমের আটার লাড্ডু (কিছু ঘরে)
- পূজা: ঘিয়ের প্রদীপ (গাভী থেকে দূরে), ধূপ, কর্পূর, আরতির থালা, পান-সুপারি, নারকেল; «গোবৎস দ্বাদশী/বছ বারস» ব্রতকথার বই
- খাবার: বাজরার আটা, মথ, ছোলা, বেসন/মোষের দই (কড়ী), খীচ (গোটা গম-বাজরা — কিছু ঘরে), গোটা সবজি-ফল, সৈন্ধব লবণ; গরুর দুধের কোনো জিনিস নয়
- বাচ্চাদের জন্য: গাভী-বাছুরকে খাওয়ানোর খাদ্য, নতুন জামা (কিছু ঘরে); গোদান/গোশালায় দান (সামর্থ্য অনুযায়ী — খাদ্য, গুড়, অর্থ)
🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন
সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।
পঞ্জিকা দেখুন →ব্রত-কথা
বছ বারসের কথা (মহাজনগিন্নি ও পুকুর): এক মহাজন গ্রামে পুকুর খোঁড়ালেন, কিন্তু বছরের পর বছর তাতে জল ভরল না; পণ্ডিতেরা বললেন — বড় ছেলে বা বউয়ের বলি দিলে ভরবে। মহাজনগিন্নি বউকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিলেন আর বড় ছেলে-নাতির বলি দিলেন — পুকুর কানায় কানায় ভরে গেল। সেই দিনই ছিল বছ বারস — মহাজনগিন্নি পূজার জন্য গাভী-বাছুর খুঁজলেন; বাছুর না পেয়ে তিনি গমের ছোট দানাকে «বাছুর» মেনে হাতে কেটে-পিষে নিলেন (ছুরি/বিভ্রান্তি — লোকপাঠে «বাছুরের বদলে গমের আঁজলা কাটা হল»); কোনো পাঠে মহাজনগিন্নি ভুল করে গাভীর বাছুরকেই বধ করে পূজা করেছিলেন।
📖 বচ্ছ বারস (গোবৎস দ্বাদশী / বসু বারস)-এর সম্পূর্ণ ব্রত-কথা পড়ুন →
বাজরার রুটি, মথ, কড়ী, খীচ — গরুর দুধ ছাড়া, ছুরি ছাড়া; গাভী-বাছুরকে মথ-বাজরা-গুড়
বছ বারসের খাবারই এর পরিচয় — সেই দিন গরুর দুধ-দই-ঘি নয় (বাছুরের প্রাপ্য), ছুরিতে কাটা কোনো জিনিস নয়, অনেক ঘরে গমও নয় (কাহিনির কারণে) — তাই বাজরার রুটি/খীচ, মথ-ছোলা, কড়ী (মোষের দই/ঘোল), গোটা সবজি-ফল; গাভী-বাছুরকে অঙ্কুরিত মথ, বাজরা, গুড়, কাঁচা ঘাস, কলা।
- গাভী-বাছুরের খাদ্য-ভোগ: অঙ্কুরিত মথ, বাজরা, ছোলা, গুড়, কাঁচা ঘাস, কলা, বাজরার রুটি, আটার লাড্ডু
- ব্রতী ও পরিবারের খাবার: বাজরার রুটি (হাতে ছেঁড়া), মথের তরকারি (গোটা), কড়ী (মোষের দই বা বেসন-ঘোল দিয়ে), খীচ (গোটা গম-বাজরা-ডাল), কুমড়ো/লাউ (হাতে ভাঙা — কিছু ঘরে), ডাল-বাটি (ঘি-গরুর দুধ ছাড়া — রাজস্থানের কিছু ঘরে)
- ফল: কলা, পেয়ারা, আপেল — গোটা/হাতে ভাঙা; শুকনো ফল
- গুজরাট-মহারাষ্ট্র (বসু বারস): বাজরার রুটি, মুগ/উড়দ, গুড়; গরুর দুধ ত্যাগ; তেলে ভাজা জিনিস নয় (পুরাণের নিয়ম — কিছু ঘরে)
- নিষিদ্ধ: গরুর দুধ-দই-ঘি-মাখন-পনির-পায়েস, ছুরিতে কাটা সবজি/ফল, গম (কাহিনি — কিছু ঘরে), ভাজা জিনিস (কিছু রীতিতে), মাংস-মদ
বিভিন্ন এলাকার রীতি
ভাদ্রপদের বছ বারস (রাজস্থান-UP-MP-হরিয়ানা) আর কার্তিকের বসু/বাঘ বারস (গুজরাট-মহারাষ্ট্র) — এক ভাব, দুই তিথি, আলাদা আলাদা রীতি।
দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।
✅ মিল গিলি-রিডিং 1-2 দিনে একই পৃষ্ঠায় যোগ করবে। ধন্যবাদ!কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ পাঠানো হচ্ছেকী করবেন, কী করবেন না
✅ কী করবেন
- নিজের অঞ্চলের তিথি বেছে নিন — ভাদ্রপদ (রাজস্থান-UP-MP) বা কার্তিক (গুজরাট-মহারাষ্ট্র); দুটিই উপরে
- গাভী-বাছুরকে তিলক-মালা-খাদ্য (মথ-বাজরা-গুড়), প্রদক্ষিণ, ব্রতকথা; বাচ্চাদের গো-সেবায় যুক্ত করুন
- সেই দিন গরুর দুধ বাছুরের জন্য — দুধ-দই-ঘি নয়; ছুরি দিয়ে কিছু কাটবেন না — বাজরা-মথ-কড়ী-খীচ
- গোশালায় খাদ্য-গুড়-অর্থ দান; অসুস্থ/গর্ভবতী: শুধু পূজা-কথা, খাবার স্বাভাবিক (গরুর দুধ ছাড়া)
- গাভী-বাছুর না পেলে মাটির প্রতিমা/ছবি — ভক্তিই আসল
❌ কী করবেন না
- গরুর দুধ-দই-ঘি-পায়েস, ছুরিতে কাটা সবজি-ফল, গম (কিছু ঘরে), ভাজা জিনিস (কিছু রীতিতে)
- গাভী-বাছুরকে কষ্ট দেওয়া — দড়ি শক্ত করে বাঁধা, কাছে প্রদীপ-ধূপকাঠি, জোর করে সাজানো; প্লাস্টিক/রং যা গরু চেটে ফেলতে পারে
- কাহিনির বলি-প্রসঙ্গের অনুকরণ/ভয় দেখানো — বার্তা হল «হিংসা নয়, সেবা»; বাচ্চাদের ভয় দেখানো
- বাছুরকে দুধ থেকে বঞ্চিত করে পূজার লোকদেখানো; ব্রতের নামে বাচ্চাদের অভুক্ত রাখা
- বছ বারস (ভাদ্রপদ) আর বসু বারসকে (কার্তিক) একই তিথি ভাবা — নিজের অঞ্চলের তিথি দেখুন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
বছ বারস 2026-এ কবে — ভাদ্রপদে না কার্তিকে?
দুটি তিথিই উপরে আছে: রাজস্থান-UP-MP-হরিয়ানায় ভাদ্রপদ কৃষ্ণা দ্বাদশী (জন্মাষ্টমীর 4 দিন পরে) «বছ বারস»; গুজরাট-মহারাষ্ট্রে কার্তিক কৃষ্ণা দ্বাদশী (ধনতেরসের 1 দিন আগে) «বাঘ/বসু বারস, গোবৎস দ্বাদশী»। নিজের অঞ্চল/কুলের রীতি মানুন।
বছ বারসে কী খাওয়া হয় না, আর কেন?
গরুর দুধ-দই-ঘি (সেই দিন বাছুরের প্রাপ্য), ছুরিতে কাটা সবজি-ফল (কাহিনি — বাছুর/গম কাটার ভুল; হিংসার প্রতীক), অনেক ঘরে গমও নয়; খাওয়া হয় — বাজরার রুটি, মথ, ছোলা, কড়ী (মোষের দই/ঘোল), খীচ, গোটা ফল।
গাভী-বাছুর না পেলে পূজা কীভাবে?
ভিজে মাটি দিয়ে গাভী-বাছুর গড়ে বা গোমাতার ছবিতে — তিলক-মালা-ভোগ-ব্রতকথা; পরে মাটির প্রতিমা জলে বিসর্জন; গোশালায় গিয়ে খাদ্য-গুড় দানও সমান মান্য।
ব্রত কার জন্য — শুধু পুত্রবতীদের?
প্রথামতে পুত্রের জন্য মায়েরা রাখেন; এখন সব সন্তানের (ছেলে-মেয়ে) জন্য এবং নিঃসন্তানরাও (সন্তানকামনায়) রাখেন; পুরুষ/বাচ্চারাও গো-পূজায় যোগ দিন।
বাঘ বারসে গুজরাটে খাতা বন্ধ কেন?
বাঘ বারস দীপাবলি-উৎসবের প্রথম দিন — ব্যবসায়ীরা সেই দিন ধার-লেনদেন বন্ধ করে হিসাব মিটিয়ে নেন (ঋণমুক্তি — «বাঘ» থেকে রক্ষার লোকভাবনা), নতুন খাতা লাভ-পঞ্চম/দীপাবলিতে চোপড়া-পূজনে খোলা হয়।
বছ বারসের মুহূর্ত?
ভাদ্রপদে (উত্তর ভারত) সকাল-দুপুরে (সূর্যোদয় থেকে অভিজিৎ) গো-পূজা; কার্তিকে (গুজরাট-মহারাষ্ট্র) সন্ধ্যায় গোধূলি/প্রদোষে — সময় উপরে; দ্বাদশী তিথির সময়সীমা উপরে; রাহুকাল এড়িয়ে চলুন।
বছ বারস আর গোপাষ্টমীর তফাত?
দুটিই গো-পূজা — বছ বারস/গোবৎস দ্বাদশী মায়েদের সন্তান-ব্রত (কৃষ্ণা দ্বাদশী, ভাদ্রপদ/কার্তিক), গোপাষ্টমী কার্তিক শুক্লা অষ্টমী — কৃষ্ণের গোচারণ শুরুর পর্ব, গোশালার উৎসব (ব্রত নয়)।
আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।
✅ নথিভুক্ত হয়েছে — পরের ব্রতের একদিন আগে বার্তা আসবে।কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ নথিভুক্ত হচ্ছে…📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান
আরও পড়ুন: হল ষষ্ঠী (লালহি ছট) · কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী · দান্থেরাস (বসু বারাসের পরের দিন) · গোবর্ধন পূজা (গো-পূজা) · জীবিত কন্যা
⚠️ এই বিবরণ প্রথাগত বিধি ও লোকবিশ্বাসের (বছ বারসের ব্রতকথা, ভবিষ্য পুরাণ) উপর ভিত্তি করে; নিজের কুল-পরিবার ও অঞ্চলের রীতিই সর্বোপরি। দুটি আঞ্চলিক তিথি উপরে — দিল্লির (IST) উদয়-তিথি অনুযায়ী (কার্তিকেরটি প্রদোষ-নিয়মে); শারীরিক অসুস্থতায় ব্রত রাখবেন না।
🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার