🪔 নরক চতুর্দশী (ভূত চতুর্দশী / ছোট দীপাবলি) 2026
কার্তিক কৃষ্ণ চতুর্দশী — দীপোৎসবের দ্বিতীয় দিন; ভোরে অভ্যঙ্গ-স্নান (রূপ চৌদস), সন্ধ্যায় যম-দীপদান আর সারা বাড়িতে প্রদীপ।
নরক চতুর্দশী পালিত হয় কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে — সাধারণত লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন, পাঁচ দিনের দীপোৎসবের দ্বিতীয় দিন। উত্তর ভারতে একে বলে ছোট দীপাবলি (ছোটি দিওয়ালি), রাজস্থানে রূপ চৌদস (রূপ চতুর্দশী), গুজরাতে কালী চৌদস, আর আমাদের বাংলায় ভূত চতুর্দশী; তামিলনাড়ু ও দক্ষিণ ভারতের বড় অংশে তো এই ভোরের তেল-স্নান দিয়েই দীপাবলি পালিত হয়। দিনটি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে নরকাসুর-বধের স্মৃতি — অত্যাচার আর অন্ধকারের ওপর আলোর জয়।
এই পর্বের দুটি মূল রীতি, আর দুটির সময়ের নিয়ম আলাদা: (1) ছোট দীপাবলির সন্ধ্যার যম-দীপদান হয় প্রদোষকালে — সেই দিন, যেদিন সূর্যাস্তের পরে চতুর্দশী থাকে; (2) অভ্যঙ্গ-স্নান (তেল-উপটান মেখে স্নান) হয় সূর্যোদয়ের আগে অরুণোদয়ে — সেই ভোরে, যখন চতুর্দশী চলছে। তাই কোনো কোনো বছর স্নান পড়ে পরের দিন ভোরে, অর্থাৎ যেদিন সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুজো, সেদিনই। নিজের শহরের সঠিক দিন ও সময় এই পাতার তিথি-তালিকায় এবং শহর-ভিত্তিক পাতায় দেখে নিন; নিচে বিধি, সামগ্রী, কথা আর বিভিন্ন প্রদেশের রীতি দেওয়া হল।
গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন
নরকাসুর-বধ: প্রাগজ্যোতিষপুরের অত্যাচারী রাজা নরকাসুর (ভৌমাসুর) দেবতাদের উৎপীড়ন করত, দেবমাতা অদিতির কুণ্ডল কেড়ে নিয়েছিল এবং ষোলো হাজার (কোনো কোনো গ্রন্থে 16,100) রাজকন্যাকে বন্দি করে রেখেছিল। শ্রীকৃষ্ণ সত্যভামাকে সঙ্গে নিয়ে তাকে বধ করেন ও সকলকে মুক্ত করেন। এই জয়ের আনন্দেই ভোরের মঙ্গল-স্নান আর প্রদীপ জ্বালানোর প্রথা — নামের «নরক» শব্দটি এই নরকাসুর এবং নরক-ভয়, দুয়ের থেকেই মুক্তির ইঙ্গিত।
যম-তর্পণ ও যম-দীপদান: শাস্ত্রমতে এই চতুর্দশী যমরাজের পুজোরও দিন। সকালে স্নানের পর যম-তর্পণ, আর সন্ধ্যায় বাড়ির দরজায় দক্ষিণমুখী চারমুখো প্রদীপ — এই ভাবনায় যে পরিবার অকালমৃত্যু ও নরক-যন্ত্রণার ভয় থেকে রক্ষা পাক। অনেক বাড়িতে যম-প্রদীপ জ্বলে ধনতেরসে, অনেক বাড়িতে ছোট দীপাবলিতে, কোথাও আবার দুদিনই — নিজের বাড়ির রীতি মেনে চলুন।
রূপ চৌদস ও অন্যান্য রূপ: ভোরে তিলের তেল মালিশ করে উপটান মেখে স্নান আরোগ্য আর রূপ-লাবণ্যের জন্য — শীতের শুরুতে শরীরকে তৈরি করার এই রীতি আয়ুর্বেদের অভ্যঙ্গ-পরম্পরার সঙ্গে মেলে। কোনো কোনো পরম্পরায়, বিশেষ করে উত্তর ভারতের কিছু অঞ্চলে, এই দিনটিকে হনুমান-জয়ন্তী মেনে হনুমান-পুজো হয়; গুজরাতে কালী চৌদসের রাতে মহাকালীর উপাসনা হয়, আর বাংলায় ভূত চতুর্দশীতে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে 14টি প্রদীপ ও 14 রকম শাকের রীতি।
পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)
এই দিনের বিধির দুটি ভাগ — ভোরের স্নান আর সন্ধ্যার দীপদান। যে বছর দুটি আলাদা দিনে পড়ে, তালিকা দেখে সেই অনুযায়ী করুন।
- সূর্যোদয়ের আগে, অরুণোদয়ে উঠুন; সারা গায়ে তিলের তেল মালিশ (অভ্যঙ্গ) করুন — বিশেষ করে মাথা, কান, নাভি আর পায়ের তলায়। মহারাষ্ট্র ও দক্ষিণ ভারতে বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠা মহিলা পরিবারের সবার মাথায় তেল দিয়ে দেন।
- তেলের পরে উপটান মাখুন — বেসন বা যবের আটা, হলুদ, চন্দন-গুঁড়ো আর একটু দুধ বা দই; মহারাষ্ট্রে তৈরি «উটণে»-ও পাওয়া যায়। কিছুক্ষণ রেখে আলতো হাতে তুলে ফেলুন।
- স্নানের সময় আপাং (অপামার্গ)-এর ডাল মাথার ওপর দিয়ে তিনবার ঘোরানোর পুরনো রীতি আছে — «সিতালোষ্ঠসমাযুক্তং সকণ্টকদলান্বিতম্। হর পাপমপামার্গ ভ্রাম্যমাণঃ পুনঃ পুনঃ॥»; অনেক বাড়িতে এর পাতা স্নানের জলে ফেলে দেওয়া হয়।
- ঈষদুষ্ণ জলে স্নান সেরে পরিষ্কার বা নতুন কাপড় পরুন; তিলক কেটে শ্রীকৃষ্ণকে প্রণাম করুন। মহারাষ্ট্র-গোয়ায় স্নানের পর কারীট (চিরাটে)-এর ছোট তেতো ফল পা দিয়ে ফাটানোর রীতি আছে — নরকাসুর-বধের প্রতীক।
- যম-তর্পণ: দক্ষিণমুখী হয়ে, জলে কয়েকটি কালো তিল দিয়ে অঞ্জলি দিন এবং যমরাজের চোদ্দটি নাম উচ্চারণ করুন — «যমায় ধর্মরাজায় মৃত্যবে চান্তকায় চ। বৈবস্বতায় কালায় সর্বভূতক্ষয়ায় চ॥ ঔদুম্বরায় দধ্নায় নীলায় পরমেষ্ঠিনে। বৃকোদরায় চিত্রায় চিত্রগুপ্তায় বৈ নমঃ॥» তারপর হাতজোড় করে প্রণাম করুন।
- সন্ধ্যায় প্রদোষকালে যম-দীপদান: আটা বা মাটির চারমুখো প্রদীপ, সর্ষে বা তিলের তেল, চারটি সলতে; বাড়ির সদর দরজার চৌকাঠের বাইরে দক্ষিণমুখী করে রাখুন এবং পরিবারের মঙ্গল ও দীর্ঘায়ুর প্রার্থনা করুন।
- এরপর বাড়ির প্রতিটি কোণে, রান্নাঘরে, জল রাখার জায়গায়, তুলসীতলায়, উঠোনে আর দরজায় প্রদীপ জ্বালান — অনেক বাড়িতে 14টি প্রদীপ (চতুর্দশীর সংখ্যা); বাংলায় বাড়ির অন্ধকার কোণগুলিতে চোদ্দ প্রদীপ।
- যাদের পারিবারিক রীতি আছে, তাঁরা সন্ধ্যায় বা রাতে হনুমান-পুজো (সিঁদুর-চোলা, হনুমান চালিসা, বোঁদে-লাড্ডুর ভোগ) করুন, কিংবা গুজরাতের মতো কালী চৌদসে মহাকালী/কুলদেবীর পুজো; আরতির পর প্রসাদ বিতরণ করে পরের দিনের লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি নিন।
📿 নরক চতুর্দশী (ভূত চতুর্দশী / ছোট দীপাবলি) কীভাবে করবেন — বিস্তারিত বিধি, সামগ্রী checklist ও নিয়ম →
পূজা-সামগ্রীর তালিকা
বেশিরভাগ জিনিস ধনতেরস-দীপাবলির সামগ্রীর মধ্যেই এসে যায়; স্নানের জিনিসগুলো আগের রাতেই গুছিয়ে রাখুন — ভোরবেলা খোঁজার সময় থাকে না।
- তিলের তেল — মালিশের জন্য (অনেক বাড়িতে সর্ষের তেল)
- উপটান — বেসন/যবের আটা, হলুদ, চন্দন-গুঁড়ো, দুধ বা দই (অথবা তৈরি উটণে)
- আপাং (অপামার্গ)-এর ডাল বা পাতা — পাওয়া গেলে
- পরিষ্কার বা নতুন কাপড়, গামছা, স্নানের জন্য ঈষদুষ্ণ জল
- তর্পণের জন্য তামার ঘটি, কালো তিল, জল, কুশ (পাওয়া গেলে)
- যম-প্রদীপের জন্য আটা বা মাটির চারমুখো প্রদীপ, চারটি সলতে, তেল
- মাটির প্রদীপ (14টি বা তার বেশি), ঘি/তেল, তুলোর সলতে
- রোলি, আতপ চাল (অক্ষত), হলুদ, ফুল-মালা, ধূপ-ধুনো, কর্পূর, আরতির থালা
- শ্রীকৃষ্ণের ছবি; যাদের রীতি আছে তাঁদের জন্য হনুমানজি বা মহাকালীর ছবি, সিঁদুর, চামেলির তেল
- ভোগ — মিষ্টি, ফল, খই-বাতাসা; মহারাষ্ট্রে ফরাল, বাংলায় চোদ্দ শাক
🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন
সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।
পঞ্জিকা দেখুন →ব্রত-কথা
ভূদেবীর পুত্র নরকাসুর বর পেয়েছিল, কিন্তু শক্তির মদে সে অত্যাচারী হয়ে ওঠে — স্বর্গ আক্রমণ করে, দেবমাতা অদিতির কুণ্ডল ছিনিয়ে নেয় এবং বহু রাজার ষোলো হাজার কন্যাকে নিজের নগর প্রাগজ্যোতিষপুরে বন্দি করে রাখে। দেবরাজ ইন্দ্রের অনুরোধে শ্রীকৃষ্ণ সত্যভামাকে নিয়ে গরুড়ে চড়ে সেখানে পৌঁছন।
📖 নরক চতুর্দশী (ভূত চতুর্দশী / ছোট দীপাবলি) এর সম্পূর্ণ ব্রত-কথা পড়ুন →
নরক চতুর্দশীর ভোগ ও আহার
নরক চতুর্দশীতে উপবাস বাধ্যতামূলক নয় — এটি স্নান, দীপদান আর দীপাবলির প্রস্তুতির দিন; তবে হনুমান-পুজো বা রন্তিদেব-কথার সঙ্গে যুক্ত কিছু পরিবারে দিনভর ব্রত রাখা হয়। খাওয়াদাওয়া প্রদেশভেদে একেবারে আলাদা।
- বাংলা: ভূত চতুর্দশীতে চোদ্দ শাক — নিম, সর্ষে ইত্যাদি চোদ্দ রকম শাক একসঙ্গে রান্না, দুপুরের পাতে
- মহারাষ্ট্র: অভ্যঙ্গ-স্নানের পর প্রথম ফরাল — চকলি, করঞ্জি, শংকরপালি, চিভড়া, বেসন-লাড্ডু, অনারসে
- তামিলনাড়ু: তেল-স্নানের পর দীপাবলি-মরুন্দু (শুকনো আদা বা শুঁঠ, জোয়ান, গুড়-ঘি দিয়ে তৈরি হজমি লেহ্য), তারপর মিষ্টি
- গুজরাত: কালী চৌদসে বিউলি (উড়দ) ডালের বড়া — অনেক বাড়িতে ভোগে ও খাবারে দুটোতেই
- উত্তর ভারত: দীপাবলির মিষ্টি (গুজিয়া, লাড্ডু, বরফি), হনুমানজিকে বোঁদে-লাড্ডু বা চুরমা; সন্ধ্যায় সাদামাটা সাত্ত্বিক আহার
বিভিন্ন এলাকার রীতি
একই চতুর্দশী — কোথাও এটি ছোট দীপাবলি, কোথাও খোদ দীপাবলি, কোথাও রূপচর্চার দিন, আবার কোথাও পূর্বপুরুষ ও মহাকালীর রাত।
দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।
✅ মিল গিলি-রিডিং 1-2 দিনে একই পৃষ্ঠায় যোগ করবে। ধন্যবাদ!কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ পাঠানো হচ্ছেকী করবেন, কী করবেন না
✅ কী করবেন
- সূর্যোদয়ের আগে, অরুণোদয়ে তিলের তেল মালিশ করে উপটান মেখে স্নান করুন — স্নানের দিনটি তালিকায় দেখে নিন
- স্নানের পর দক্ষিণমুখী হয়ে যম-তর্পণ, অন্তত প্রণাম, আর শ্রীকৃষ্ণকে স্মরণ
- সন্ধ্যায় প্রদোষকালে দরজায় দক্ষিণমুখী চারমুখো যম-প্রদীপ অবশ্যই রাখুন
- বাড়ির অন্ধকার কোণ, রান্নাঘর, জল রাখার জায়গা আর তুলসীতলায় প্রদীপ জ্বালান — পরের দিনের লক্ষ্মীপুজোর আগে ঘর আলোয় ভরে থাকুক
- দিনে অভাবী মানুষকে অন্ন বা বস্ত্র দান করুন — রন্তিদেবের কথার এটাই বার্তা
❌ কী করবেন না
- এই সকালে সূর্য ওঠার পরেও ঘুমিয়ে থাকা — অভ্যঙ্গ-স্নানের সময় ভোরবেলাই
- যম-প্রদীপ ডিঙোনো, নাড়ানো বা নিভিয়ে দেওয়া; দক্ষিণ ছাড়া অন্য কোনো দিকে রাখা
- পরের দিন সকালে নেভা প্রদীপ আবর্জনায় ফেলে দেওয়া — ঠান্ডা হলে সম্মানের সঙ্গে গাছের তলায় বা মাটিতে রাখুন, কিংবা ধুয়ে আবার ব্যবহার করুন
- জ্বলন্ত প্রদীপের কাছে পর্দা-কাপড় রাখা, আর বাচ্চাদের বাজি নিয়ে একা ছেড়ে দেওয়া
- কালী চৌদস বা ভূত চতুর্দশীর নামে ভয় ছড়ানো তুকতাক-ঝাড়ফুঁকের ফাঁদে পা দেওয়া — এটি উপাসনা আর পূর্বপুরুষদের স্মরণের দিন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
নরক চতুর্দশী 2026 সালে কবে? ছোট দীপাবলি আর অভ্যঙ্গ-স্নান আলাদা দিনে পড়তে পারে কেন?
ওপরের তালিকায় এ বছরের কার্তিক কৃষ্ণ চতুর্দশীর দিনগুলি পঞ্জিকা-গণনা অনুযায়ী দেওয়া আছে। ছোট দীপাবলি (যম-দীপদান) সেই দিন, যেদিন প্রদোষকালে চতুর্দশী থাকে; আর অভ্যঙ্গ-স্নান হয় সেই ভোরে, যেদিন অরুণোদয়ে (সূর্যোদয়ের আগে) চতুর্দশী থাকে। তিথির হ্রাস-বৃদ্ধিতে এই দুটি আলাদা দিনে পড়তে পারে — তখন স্নান হয় লক্ষ্মীপুজোর দিনের ভোরে; নিজের শহরের পাঁচ দিনের তারিখ দীপাবলির শহর-ভিত্তিক পাতায় (যেমন /bn/vrat/diwali/lucknow) দেখে নিন।
যম-দীপদান কীভাবে করবেন?
সন্ধ্যায় প্রদোষকালে আটা বা মাটির চারমুখো প্রদীপ নিন, তেল ভরে চারটি সলতে দিন এবং বাড়ির সদর দরজার বাইরে দক্ষিণমুখী করে রাখুন। হাতজোড় করে যমরাজের কাছে পরিবারের সুরক্ষা ও দীর্ঘায়ু প্রার্থনা করুন; প্রদীপ আপনা থেকে জ্বলতে দিন, ডিঙোবেন না বা সরাবেন না।
রূপ চৌদসে উপটান মাখা হয় কেন?
রূপ চৌদসের স্নান দেহের শুদ্ধি ও লাবণ্যের প্রতীক — তেল-মালিশ শীতের আগে ত্বক আর গাঁটগুলিকে পুষ্টি দেয়, আর বেসন-হলুদ-চন্দনের উপটান ময়লা তুলে ত্বক পরিষ্কার করে। পরম্পরায় ভোরের এই স্নানকে নরক-ভয় থেকে মুক্তি এবং গোটা দীপোৎসবের জন্য দেহ-মনের প্রস্তুতি বলে মানা হয়।
দক্ষিণ ভারতে কি এটাই দীপাবলি?
হ্যাঁ, তামিলনাড়ু ও দক্ষিণ ভারতের বড় অংশে নরক চতুর্দশীর সকালকেই দীপাবলি বলা হয় — ভোরের তেল-স্নান, নতুন কাপড়, বাজি আর মিষ্টি সবই এই দিনে। উত্তর ভারতের মতো অমাবস্যার সন্ধ্যার লক্ষ্মীপুজো সেখানে ততটা কেন্দ্রীয় নয়, যদিও কর্ণাটকে এবং বহু ব্যবসায়ী পরিবারে অমাবস্যায় লক্ষ্মীপুজোও হয়।
কালী চৌদস আর ভূত চতুর্দশী কী?
গুজরাত ও রাজস্থানের কিছু অঞ্চলে এই চতুর্দশীকেই কালী চৌদস বলে — রাতে মহাকালী, হনুমানজি বা কুলদেবীর উপাসনা হয়, যাতে ঘর থেকে নেতিবাচকতা দূরে থাকে। বাংলায় এটাই ভূত চতুর্দশী — পূর্বপুরুষদের স্মরণে 14টি প্রদীপ জ্বালানো হয় আর 14 রকম শাক খাওয়া হয়; তারপর অমাবস্যায় কালীপুজো।
আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।
✅ নথিভুক্ত হয়েছে — পরের ব্রতের একদিন আগে বার্তা আসবে।কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ নথিভুক্ত হচ্ছে…📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান
আরও পড়ুন: ধনতেরাস (এক দিন আগে) · দীপাবলি — লক্ষ্মী পুজো (প্রায়ই পরের দিন) · গোবর্ধন পূজা · ভাই দুই
⚠️ এই বিবরণ প্রথাগত বিধি ও লোকবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা; নিজের কুল-পরিবারের রীতি এবং পুরোহিতের পরামর্শই সর্বোপরি। স্নান ও দীপদানের দিন ও সময় শহরভেদে বদলাতে পারে — নিজের শহরের পঞ্জিকা বা এই সাইটের শহর-ভিত্তিক পাতার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার