📿 গুরু পূর্ণিমা (ব্যাস পূর্ণিমা) 2027
আষাঢ় পূর্ণিমা — মহর্ষি বেদব্যাসের জন্মদিন; গুরুপূজা, গুরুদক্ষিণা, দীক্ষা; চাতুর্মাস্যের সূচনা (সাধুদের); ঘরে মা-বাবা ও বিদ্যাগুরুর সম্মান; বুদ্ধের প্রথম উপদেশের দিন।
গুরু পূর্ণিমা পালিত হয় আষাঢ় মাসের পূর্ণিমায় — দেবশয়নী একাদশীর চার দিন পরে, শ্রাবণ শুরু হওয়ার ঠিক আগে। এটি মহর্ষি বেদব্যাসের (কৃষ্ণদ্বৈপায়ন) জন্মদিন — যিনি বেদ বিভাজন করেছিলেন এবং মহাভারত, পুরাণ ও ব্রহ্মসূত্রের রচয়িতা — তাই «ব্যাস পূর্ণিমা»; গুরু-পরম্পরায় গুরুকে ব্যাসেরই রূপ মেনে এই দিন পূজা করা হয় («ব্যাসপীঠ»)।
এই দিন শিষ্যরা নিজের গুরুর (দীক্ষাগুরু, বিদ্যাগুরু, মা-বাবা — প্রথম গুরু) চরণে ফুল ও দক্ষিণা অর্পণ করেন, আশ্রমে গুরুপূজা ও দীক্ষা হয়, সাধু-সমাজের চাতুর্মাস্য (চার মাস এক জায়গায় থাকা) শুরু হয়; বৌদ্ধ-পরম্পরায় বুদ্ধ এই পূর্ণিমাতেই সারনাথে প্রথম উপদেশ (ধর্মচক্র-প্রবর্তন) দিয়েছিলেন; জৈনদের কাছে এটি «ত্রীনোক গুহা পূর্ণিমা» — মহাবীর গৌতমকে শিষ্য করেছিলেন। বাড়ির মহিলারা এই দিন ছোটদের দিয়ে বড়দের ও গুরুজনদের প্রণাম করান, সত্যনারায়ণ-কথা হয়, পূর্ণিমার ব্রত রাখা হয়। নিচে এই বছরের তিথি, বিধি, উপকরণ, কথা, প্রসাদ আর বিভিন্ন অঞ্চলের রীতি।
গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন
«গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণুঃ গুরুর্দেবো মহেশ্বরঃ, গুরুঃ সাক্ষাৎ পরব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ» — গুরু অজ্ঞানের অন্ধকার দূর করেন (গু = অন্ধকার, রু = দূর করা); আষাঢ় পূর্ণিমায় গুরুপূজার ফল — গুরুকৃপায় জ্ঞান, বিদ্যা, আধ্যাত্মিক উন্নতি; ব্যাসপূজার সঙ্গে শুকদেব, শঙ্করাচার্য ও নিজের গুরু-পরম্পরার (গুরুমণ্ডল) পূজা।
শিব প্রথম গুরু (আদিযোগী) — এই পূর্ণিমাতেই তিনি সপ্তর্ষিদের যোগবিদ্যা দান করেছিলেন (যোগ-পরম্পরা); গুরুমন্ত্রে দীক্ষা নেওয়া, নতুন পাঠ/সাধনা শুরু করা, ছাত্রছাত্রীদের গুরুবন্দনা ও শিক্ষকদের সম্মান জানানোর দিন; ছোটরা শিক্ষকদের ফুল-কার্ড দেয়, বিদ্যালয়ে গুরুবন্দনা হয়।
পূর্ণিমা-ব্রত (সারাদিন ফলাহার, সন্ধ্যায় চন্দ্রদর্শনের পর পারণ), সত্যনারায়ণ-কথা; এই পূর্ণিমা থেকেই সাধু-সন্তদের চাতুর্মাস্য (কার্তিক পূর্ণিমা পর্যন্ত — এক জায়গায় থেকে প্রবচন-সৎসঙ্গ); কোকিলা-ব্রত (আষাঢ় পূর্ণিমা — সতীর কাহিনি; কিছু অঞ্চলে); বাংলা-ওড়িশায় «গুরু পূর্ণিমা/ঋষি-পূজা»; নেপালে «গুরু পূর্ণিমা/শিক্ষক-দিবস»-এর ছুটি।
পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)
এটি ঘরোয়া বিধি — গুরু/ব্যাস-পূজা, মা-বাবার সম্মান, পূর্ণিমা-ব্রত, সত্যনারায়ণ-কথা।
- সকালে স্নান, পরিষ্কার কাপড়; পূজার জায়গায় ব্যাসদেব/নিজের গুরুর ছবি (না থাকলে শিব-দত্তাত্রেয়-শঙ্করাচার্য), সাদা কাপড়, বই (গীতা/ভাগবত) — ব্যাসপীঠের প্রতীক; কলস।
- সংকল্প: «গুরুকৃপা ও বিদ্যা-জ্ঞান লাভের জন্য গুরু পূর্ণিমার ব্রত/পূজা»; পূর্ণিমা-ব্রত রাখা মহিলারা ফলাহার করেন, সন্ধ্যায় চন্দ্রদর্শনের পর পারণ।
- ব্যাস/গুরু-পূজা: ছবিতে রোলি-চন্দন-অক্ষত, হলুদ/সাদা ফুল, মালা, ধূপ-দীপ, নৈবেদ্য (পায়েস/মিষ্টি/ফল); «গুরুর্ব্রহ্মা…» শ্লোক, গুরুমন্ত্র (দীক্ষা থাকলে) 108 বার জপ, গুরুস্তোত্র/গুরু-অষ্টক; ব্যাসদেবের উদ্দেশে — «ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়», গীতার একটি অধ্যায় পাঠ।
- জীবিত গুরু থাকলে: আশ্রমে গিয়ে বা বাড়িতে ডেকে পাদপ্রক্ষালন (চরণ ধোয়ানো), ফুলের মালা, বস্ত্র, ফল, দক্ষিণা (সামর্থ্য অনুযায়ী), প্রণাম, আশীর্বাদ; দীক্ষাগুরু দূরে থাকলে — ছবিতেই সেই পূজা, ফোন/চিঠিতে প্রণাম, অনলাইন সৎসঙ্গ।
- মা-বাবা ও গুরুজন: ছোটরা মা-বাবা (প্রথম গুরু), ঠাকুরদা-ঠাকুমা, বড় দাদা-দিদিকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করুক; মা নিজেও তাঁর শাশুড়ি/মাকে প্রণাম করেন; শিক্ষকদের ফুল/উপহার/চিঠি; যাঁরা কিছু শিখিয়েছেন (সংগীত, কোনো হাতের কাজ, চাকরি) — তাঁদের ধন্যবাদ।
- সত্যনারায়ণ-কথা (পূর্ণিমা): সন্ধ্যায় কলস-পূজা, পঞ্চামৃত, কলাপাতা, পঞ্জিরি-প্রসাদ, কথার পাঁচটি অধ্যায়; অথবা পূর্ণিমা-ব্রতের চন্দ্র-অর্ঘ্য (উপরে চন্দ্রোদয়)।
- দান: বই-কলম-খাতা, বস্ত্র, খাবার — গুরুকুল/বিদ্যালয়/গরিব ছাত্রছাত্রীদের; হলুদ রঙের বস্ত্র, ছোলা, কেশর (বৃহস্পতি-গুরুর জন্য — কুণ্ডলীতে গুরু দুর্বল হলে); ব্রাহ্মণ-ভোজন।
- চাতুর্মাস্য-সংকল্প: আজ থেকে কার্তিক পূর্ণিমা পর্যন্ত কোনো একটি নিয়ম — রোজ গীতাপাঠ, একটি নেশা বা বদভ্যাস ত্যাগ, সৎসঙ্গ, মৌন-সময় — গুরুর সামনে সংকল্প।
📿 কিভাবে একটি গুগুরু গুনিয়া (পছন্দ) করতে হয়-বিস্তারিত পদ্ধতি, উপাদানের চেকলিস্ট এবং নিয়ম
পূজা-সামগ্রীর তালিকা
ব্যাস/গুরুর ছবি, বই, হলুদ ফুল, দক্ষিণা, সত্যনারায়ণের প্রসাদ — গুরু পূর্ণিমার তালিকা।
- ব্যাসদেব/নিজের গুরুর ছবি বা পাদুকা, সাদা-হলুদ কাপড়, চৌকি, বই (গীতা/ভাগবত — ব্যাসপীঠ)
- রোলি, চন্দন, অক্ষত, হলুদ গুঁড়ো, কুমকুম, মৌলি (লাল-হলুদ পবিত্র সুতো), হলুদ-সাদা ফুল, মালা (গাঁদা-জুঁই-পদ্ম)
- ধূপ, প্রদীপ, ঘি, কর্পূর, আরতির থালা, কলস, আমপাতা, নারকেল
- নৈবেদ্য: পায়েস, লাড্ডু/প্যাঁড়া, ফল, পঞ্চামৃত; সত্যনারায়ণের জন্য পঞ্জিরি (সুজি-ঘি-চিনি-কলা)
- গুরুদক্ষিণা: বস্ত্র (হলুদ-সাদা), ফল, দক্ষিণা (খামে), পাদুকা, ফুলের মালা, চরণ ধোয়ানোর জল ও থালা
- গুরুস্তোত্র/গুরুগীতা/গীতার বই, জপমালা (রুদ্রাক্ষ/তুলসী)
- দান: বই-কলম-খাতা, হলুদ রঙের ছোলা-বস্ত্র, খাদ্যসামগ্রী
- পূর্ণিমা-ব্রত: ফল-দুধ, চন্দ্র-অর্ঘ্যের ঘটি
🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন
সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।
পঞ্জিকা দেখুন →ব্রত-কথা
পরাশর ঋষি ও সত্যবতীর (মৎস্যগন্ধা) পুত্র কৃষ্ণদ্বৈপায়নের জন্ম হয়েছিল যমুনার এক দ্বীপে, আষাঢ় পূর্ণিমায় — জন্মের পরই তিনি তপস্যায় চলে যান। কলিযুগে মানুষের স্মৃতি ও আয়ু কমে যাবে, তাই তিনি এক বেদকে চার ভাগে (ঋক্-যজুঃ-সাম-অথর্ব) ভাগ করলেন — তাই «বেদব্যাস»; শিষ্য পৈল, বৈশম্পায়ন, জৈমিনি ও সুমন্তুকে এক-একটি বেদ দিলেন; রচনা করলেন 18টি পুরাণ, ব্রহ্মসূত্র, আর গণেশের লেখনীতে মহাভারত — যার মধ্যে রয়েছে গীতা।
📖 গরুর পবিত্র দিনের পুরো উপবাসের গল্পটি পড়ুন।
পায়েস, পঞ্জিরি, লাড্ডু — সাত্ত্বিক প্রসাদ ও চাতুর্মাস্যের সূচনা
গুরু পূর্ণিমার ভোগ সাত্ত্বিক — পায়েস (চাল/সাবু), সত্যনারায়ণের সুজির পঞ্জিরি, লাড্ডু-প্যাঁড়া, ফল; পূর্ণিমা-ব্রতে ফলাহার, চন্দ্রদর্শনের পর পায়েস-পুরি; অনেক বাড়িতে আজ থেকে চাতুর্মাস্যের খাদ্য-নিয়ম শুরু (পেঁয়াজ-রসুন-বেগুন-শাকপাতা বর্জন — শ্রাবণে)।
- পায়েস (চাল-দুধ-কেশর) — ব্যাসদেব/গুরুর ভোগ; পূর্ণিমায় পায়েস চাঁদের প্রিয়
- সত্যনারায়ণের পঞ্জিরি: সুজি ঘিয়ে ভেজে গুঁড়ো চিনি, কলা-তুলসী, শুকনো ফল — সওয়া কিলো/সওয়া পোয়ার নিয়ম
- লাড্ডু (বেসন/বোঁদে), প্যাঁড়া, বরফি, ফল (আম-কলা — আষাঢ়ের আম), পঞ্চামৃত
- ব্রতের ফলাহার: সাবুর পায়েস, ফল, দুধ, মাখনা; পারণে পায়েস-পুরি-হালুয়া
- আশ্রম/ভাণ্ডারা (সবার জন্য ভোজ): পুরি-তরকারি-হালুয়া, কড়ি (দই-বেসনের ঝোল)-ভাত; গুরুকে হলুদ/সাদা ফল-মিষ্টি (কেশর-প্যাঁড়া, বরফি)
- চাতুর্মাস্যের নিয়ম (শ্রাবণ থেকে): শাকপাতা নয় (শ্রাবণ), দই নয় (ভাদ্র), দুধ নয় (আশ্বিন), ডাল নয় (কার্তিক) — লোক-আয়ুর্বেদ
বিভিন্ন এলাকার রীতি
আশ্রমের গুরুপূজা, মহারাষ্ট্রের ব্যাসপূজা, বৌদ্ধদের ধর্মচক্র-পূর্ণিমা, নেপালের শিক্ষক-দিবস — গুরু পূর্ণিমার নানা রীতি।
দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।
✅ মিল গিলি-রিডিং 1-2 দিনে একই পৃষ্ঠায় যোগ করবে। ধন্যবাদ!কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ পাঠানো হচ্ছেকী করবেন, কী করবেন না
✅ কী করবেন
- গুরু/ব্যাস-পূজা, «গুরুর্ব্রহ্মা…» শ্লোক, গুরুমন্ত্র জপ; মা-বাবা ও শিক্ষকদের প্রণাম
- গুরুদক্ষিণা সামর্থ্য অনুযায়ী — গুরু না থাকলে বই-দান/গরিব ছাত্রের ফি
- চাতুর্মাস্যের একটি নিয়ম (গীতাপাঠ/নেশা ত্যাগ) আজ থেকে কার্তিক পূর্ণিমা পর্যন্ত
- পূর্ণিমা-ব্রত ও সত্যনারায়ণ-কথা (মহিলারা); চন্দ্রদর্শনের পর পায়েস দিয়ে পারণ
- ছোটদের গুরু-শিষ্যের কাহিনি শোনান — একলব্য, আরুণি, বিবেকানন্দ
❌ কী করবেন না
- গুরুর অপমান, গুরুনিন্দা, গুরুর সঙ্গে ছলনা — গুরু পূর্ণিমায় বিশেষভাবে নিষিদ্ধ
- দক্ষিণার দেখনদারি/প্রতিযোগিতা; গুরুর নামে প্রতারণা করা লোকদের দান
- ব্রতের দিনে তামসিক খাবার, ঝগড়া, মিথ্যা; হলুদ রঙের জিনিসের অসম্মান (গুরু-গ্রহ)
- বইয়ে পা লাগানো, পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া; শিক্ষকদের অবহেলা
- গুরুমন্ত্র অন্যকে বলে দেওয়া (দীক্ষার গোপনীয়তা)
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
গুরু পূর্ণিমা 2027-এ কবে?
উপরে এই বছরের আষাঢ় পূর্ণিমার তিথি, পূজার মুহূর্ত ও চন্দ্রোদয় (দিল্লি) দেওয়া আছে — সকালে গুরুপূজা, সন্ধ্যায় পূর্ণিমা-ব্রতের চন্দ্র-অর্ঘ্য/সত্যনারায়ণ-কথা; পূর্ণিমা দুই দিনে ভাগ হলে উদয়া-তিথির দিনটিই গুরুপূজার দিন।
গুরু না থাকলে কাকে পূজা করব?
ব্যাসদেব (সব গুরুর গুরু), শিব-দত্তাত্রেয় (আদিগুরু), নিজের ইষ্টদেবতা, মা-বাবা (প্রথম গুরু), বিদ্যাগুরু/শিক্ষক; অথবা যাঁর শিক্ষায় জীবন বদলে গেছে — এমনকি কোনো বইয়ের লেখকও; গুরুতত্ত্বকে প্রণাম — «গুরুর্ব্রহ্মা…» শ্লোকই যথেষ্ট।
গুরুদক্ষিণা কী দেব?
সামর্থ্য অনুযায়ী — ফল-বস্ত্র-ফুল-দক্ষিণা; কিন্তু আসল দক্ষিণা হল গুরুর দেখানো পথে চলা, একটি নিয়ম/ত্যাগের সংকল্প, গুরুর কাজে সেবা; গুরু না থাকলে বই-দান, কোনো গরিব ছাত্রের ফি/খাতা-কলম — বিদ্যাদানই গুরুদক্ষিণা।
এই দিন দীক্ষা নেওয়া কি শুভ?
হ্যাঁ — দীক্ষা (গুরুমন্ত্র), নতুন পাঠ, সাধনা শুরু, সংগীত/শিল্পের প্রথম পাঠ, রুদ্রাক্ষ ধারণের জন্য গুরু পূর্ণিমা সর্বশ্রেষ্ঠ দিন; আশ্রমে সমবেত দীক্ষা হয়; অভিজিৎ মুহূর্ত (উপরে) উত্তম।
চাতুর্মাস্য কী?
দেবশয়নী একাদশী/গুরু পূর্ণিমা থেকে দেবোত্থান একাদশী/কার্তিক পূর্ণিমা পর্যন্ত চার মাস — বিষ্ণুর শয়নকাল, বিবাহ প্রভৃতি মাঙ্গলিক কাজ হয় না; সাধু-সন্তরা এক জায়গায় থেকে প্রবচন দেন; গৃহস্থরা কোনো একটি নিয়ম (সাত্ত্বিক আহার, গীতাপাঠ, ব্রহ্মচর্য, দান) পালন করেন; জৈন-বৌদ্ধদের মধ্যেও আছে (বর্ষাবাস)।
বৃহস্পতি-গ্রহের (গুরু) জন্য এই দিন কী করব?
কুণ্ডলীতে বৃহস্পতি দুর্বল/অশুভ হলে — গুরু পূর্ণিমায় হলুদ রঙের বস্ত্র, ছোলা, কেশর, হলুদ গুঁড়ো ও বই দান, «ওঁ বৃং বৃহস্পতয়ে নমঃ» জপ, কলাগাছে জল, গুরুজনদের সেবা; বৃহস্পতিবারের ব্রতের সংকল্পও আজ থেকে; পোখরাজ পণ্ডিতের পরামর্শ নিয়ে।
আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।
✅ নথিভুক্ত হয়েছে — পরের ব্রতের একদিন আগে বার্তা আসবে।কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ নথিভুক্ত হচ্ছে…📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান
🌎 বিদেশে গুরু পূর্ণিমা (ব্যাস পূর্ণিমা) 2027: আমেরিকা · কানাডা · যুক্তরাজ্য · অস্ট্রেলিয়া · সংযুক্ত আরব আমিরাত · কাতার · সৌদি আরব · কুয়েত · ওমান · বাহরাইন · সিঙ্গাপুর · মালয়েশিয়া · নিউজিল্যান্ড · দক্ষিণ আফ্রিকা · মরিশাস · ফিজি · নেদারল্যান্ডস · জার্মানি · আয়ারল্যান্ড
আরও পড়ুন: দেবশায়ানি একাদশী (4 দিন আগে) · জগন্নাথ রথযাত্রা · দত্তাত্রেয় জয়ন্তী (আদি-গুরু) · গুরু-ভজন এবং মন্ত্র
⚠️ এই বিবরণ প্রথাগত বিধি ও লোকবিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে; নিজের গুরু-পরম্পরা ও কুলের রীতিই সর্বোপরি। গ্রহ-প্রতিকার জ্যোতিষীয় পরামর্শ মাত্র, চিকিৎসা বা আর্থিক সিদ্ধান্তের বিকল্প নয়।
🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার
