Nakshtra Takকুণ্ডলীরাশিফলপঞ্জিকামিলানজ্ঞানগ্রহ-ফলজ্যোতিষীStore
🪔 ব্রত-উৎসব

🌙 কারওয়া চৌথ 2026

✍️ জ্যোতিষাচার্য আদিত্য ধর দ্বিবেদী · 🔎 শেষ পর্যালোচনা: · 🧮 গণনা-পদ্ধতি

সুহাগিনদের নির্জলা ব্রত — সূর্যোদয় থেকে চন্দ্রোদয় পর্যন্ত, স্বামীর দীর্ঘায়ু এবং ঘরের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য।

কারওয়া চৌথ 2026-এর তিথি
গুরুবার, 29 অক্টোবর 2026
কার্তিক · কৃষ্ণ পক্ষ · চতুর্থী (বিক্রম সংবত 2083)
🌙 চাঁদের উদয়8:12 PM
🌇 সূর্যাস্ত5:39 PM
🪔 প্রদোষ কাল5:39 PM – 8:03 PM
📿 তিথি-কালচতুর্থী 29 অক্টোবর, 1:07 AM → 29 অক্টোবর, 10:10 PM
⭐ অভিজিৎ মুহূর্ত11:41 AM – 12:29 PM
⛔ রাহুকাল (এড়িয়ে চলুন)01:28 PM – 02:52 PM
আগামী বছর — 2027: সোমবার, 18 অক্টোবর 2027
সময় দিল্লি (আই. এস. টি) কে, সুইস এপিহেমেরিস-গণনা, উদীয়মান-তারিখের নিয়ম। চন্দ্রোদয়/সূর্যোদয় প্রতিটি শহরে পরিবর্তিত হয় -

কারওয়া চৌথ কার্তিক মাসের কৃষ্ণ পক্ষ-এর চতুর্থী-তে রাখা বিবাহিত নারীদের সবচেয়ে বড় ব্রত। এই দিন বিবাহিত মহিলারা সূর্যোদয়-এর আগে সরগি খেয়ে সারাদিন অন্ন-জল ছাড়া থাকেন এবং রাতে চাঁদকে অর্ঘ্য দিয়ে, ছাঁকনি দিয়ে চাঁদ ও স্বামীর মুখ দেখে ব্রত ভাঙেন।

এই ব্রত উত্তর ভারত — পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল — এ সবচেয়ে বেশি প্রচলিত, তবে এখন সারা দেশেই পালন করা হয়। অবিবাহিত কন্যারাও ভালো বর পাওয়ার কামনায় এই ব্রত রাখে। নিচে এই বছরের সঠিক তিথি, চন্দ্রোদয়ের সময়, পূজা-বিধি, সামগ্রী, কাহিনী, সরগি-ফলাহার এবং বিভিন্ন এলাকার রীতিনীতি দেওয়া হয়েছে।

গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন

কারওয়ার অর্থ হলো মাটির ছোট কলসি (নলযুক্ত ঘটি) এবং চৌথ অর্থাৎ চতুর্থী তিথি। এই দিন গণেশ জি, শিব-পার্বতী, কার্তিকেয় এবং চন্দ্রের পূজা করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে, যে নারী শ্রদ্ধার সাথে এই ব্রত রাখেন, তার স্বামীর আয়ু দীর্ঘ হয় এবং দাম্পত্য জীবনে প্রেম বজায় থাকে।

ব্রতের সময় সূর্যোদয় থেকে চন্দ্রোদয় পর্যন্ত — তাই এই পৃষ্ঠায় দিল্লির চন্দ্রোদয়ের সময় দেওয়া হয়েছে। চাঁদ মেঘের আড়ালে থাকলে চন্দ্রোদয়ের সময়ের পর সেই দিকে মুখ করে অর্ঘ্য দিয়ে দিন; অনেক বাড়িতে এমন পরিস্থিতিতে শিব জির জটায় থাকা চন্দ্রকে স্মরণ করে ব্রত ভাঙা হয়।

পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)

এটি সাধারণ উত্তর-ভারতীয় পদ্ধতি; নিজের ঘর-পরিবারের রীতিই সর্বোপারি — শাশুড়ি মা যা বলেন তাই করুন।

  1. সূর্যোদয়-এর আগে (ব্রহ্ম মুহূর্ত-এ) স্নান করে শাশুড়ির দেওয়া সরগি — ফেনী, মিষ্টি, ফল, শুকনো ফল, মঠরি — খান এবং জল পান করুন। সরগির পর সারাদিন অন্ন-জল গ্রহণ করা হয় না।
  2. সংকল্প নিন: «আমি আমার স্বামীর দীর্ঘায়ু ও সৌভাগ্য-এর জন্য কারওয়া চৌথের নির্জলা ব্রত করছি।»
  3. দিনে ষোলো শৃঙ্গার করুন — লাল/গোলাপি শাড়ি বা লেহেঙ্গা, মেহেন্দি, চুড়ি, টিপ, সিঁদুর, মঙ্গলসূত্র, নূপুর, বিছিয়া।
  4. সন্ধ্যায় পূজা-স্থানে দেওয়ালে বা পিঁড়িতে করবা চৌথের ক্যালেন্ডার/ছবি (গৌরী, গণেশ, চন্দ্র, করবা) লাগান। মাটির বা তামার করবাতে জল ভরে তার ঢাকনায় চাল-চিনি রাখুন; করবায় স্বস্তিক চিহ্ন আঁকুন, মৌলি সুতো বাঁধুন।
  5. থালা সাজান — প্রদীপ, রোলি, অক্ষত, ফুল, মিষ্টি, ফল, সোহাগের সামগ্রী, শলাকা (করবায় দেওয়ার জন্য), ছাঁকনি।
  6. সূর্যাস্ত-এর পর, প্রদোষ কাল-এ, পাড়া-পরিবারের বিবাহিত মহিলারা একসাথে বসে কারওয়া চৌথের কাহিনী শোনেন এবং থালা ঘোরান (ফেরি) — প্রতি ফেরিতে «বীরা কুড়িয়ে করওয়াড়া…» বা «কারওয়া চৌথ মাতা কি জয»-এর গান গাওয়া হয়।
  7. গণেশ জি, শিব-পার্বতী এবং চন্দ্রের পূজা করুন; করওয়ার জল চাঁদকে অর্পণ করার জন্য আলাদা রাখুন।
  8. চন্দ্রোদয় হলে (উপরে দেওয়া সময়) ছাদ বা উঠোনে চাঁদকে ছাঁকনি দিয়ে দেখুন, তারপর সেই ছাঁকনি দিয়েই স্বামীর মুখ দেখুন। তামা/মাটির করবা দিয়ে চন্দ্রকে অর্ঘ্য দিন এবং প্রদীপ দেখান।
  9. স্বামীর হাত থেকে জল পান করে এবং মিষ্টি খেয়ে ব্রত ভাঙুন। স্বামীর পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিন।
  10. শাশুড়িকে (বা বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠা বিবাহিত নারীকে) বায়না — শুকনো ফল, কাপড়, সাজসজ্জার সামগ্রী, মিষ্টি — দিয়ে প্রণাম করুন। তারপর পরিবারের সাথে ভোজন করুন।

পূজা-সামগ্রীর তালিকা

পূজা-এর একদিন আগে এই তালিকা দেখে সামগ্রী সংগ্রহ করে নিন; টিক দিতে থাকুন।

  • মাটির বা তামার কারওয়া (নলযুক্ত) ও ঢাকনা
  • ছাঁকনি
  • কারওয়া চৌথ-এর ক্যালেন্ডার/ছবি বা গৌরী-গণেশের মূর্তি
  • মাটির প্রদীপ, ঘি, তুলোর সলতে
  • রোলি, কুমকুম, হলুদ, অক্ষত (চাল), মৌলি (কলাওয়া)
  • শলাকা (করওয়ায় রাখার জন্য)
  • ফুল, ফুলের মালা
  • মিষ্টি (মঠরি, ফেনী, হালুয়া বা মালপোয়া)
  • ফল — কলা, আপেল, ডালিম
  • সোহাগের সামগ্রী — সিঁদুর, টিপ, চুড়ি, মেহেন্দি, কাজল, চিরুনি, আয়না
  • গঙ্গাজল, তামার ঘটি
  • চাল-চিনি (কারওয়ার ঢাকনায় রাখার জন্য)
  • বায়ার সামগ্রী — শুকনো ফল, কাপড়, শৃঙ্গার, দক্ষিণা
  • পূজা-এর থালা ও আসন

🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন

📅 আপনার শহরের পঞ্জিকা

সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।

পঞ্জিকা দেখুন →

ব্রত-কথা

প্রাচীন কাল-এ এক সাহুকারের সাত ছেলে এবং এক মেয়ে ছিল — বীরাবতী। তার বিয়ে হয় এবং প্রথম করবা চৌথে সে বাপের বাড়িতে ছিল। ভাইদের আদরের বীরাবতী সারাদিন নির্জলা ব্রত রেখেছিল, কিন্তু সন্ধ্যা নাগাদ ক্ষুধা-তৃষ্ণায় মূর্ছিত হতে শুরু করে।

ভাইদের পক্ষে বোনের দশা দেখা সম্ভব ছিল না। তারা অশ্বত্থ গাছের আড়ালে প্রদীপ জ্বালিয়ে ছাঁকনির পিছনে রাখল এবং বোনকে বলল — «দেখো, চাঁদ উঠেছে, অর্ঘ্য দাও।» বীরাবতী নকল চাঁদকে অর্ঘ্য দিয়ে ব্রত ভেঙে ফেলল।

প্রথম গ্রাস মুখে দিতেই চুল পেলেন, দ্বিতীয়টিতে হাঁচি এল এবং তৃতীয় গ্রাসে শ্বশুরবাড়ি থেকে বার্তা এল যে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কাঁদতে কাঁদতে বীরবতী শ্বশুরবাড়ি পৌঁছালেন; জা তাকে ব্রত ভাঙার ভুলের কথা জানালেন।

বীরাবতী স্বামীর মৃতদেহ দাহ করতে দেয়নি এবং সারা বছর প্রতিটি চৌথের ব্রত শ্রদ্ধার সাথে পালন করেছে। পরের করবা চৌথে করবা মাতা প্রসন্ন হলেন এবং তার স্বামী জীবিত হয়ে উঠল। সেই থেকেই বলা হয় — ব্রতে তাড়াহুড়ো করবেন না, সত্য চন্দ্রকেই অর্ঘ্য দিন।

অন্য একটি কাহিনীতে কারওয়া নামের এক পতিব্রতা নারীর স্বামী নদীতে কুমিরের মুখে পড়ে গিয়েছিল; কারওয়া কাঁচা সুতো দিয়ে কুমিরকে বেঁধে যমরাজের কাছে স্বামীর প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন। তার তপস্যার কাছে যমরাজকে নতি স্বীকার করতে হয়েছিল। উভয় কাহিনীই শেখায় যে নারীর শ্রদ্ধা ও সংকল্পে অনেক শক্তি আছে।

সরগী এবং ব্রত ভাঙার খাবার

সরগী সকালে 4-5 টার মধ্যে, সূর্যোদয়-এর আগে খাওয়া হয়। এতে এমন জিনিস রাখুন যাতে সারাদিন শক্তি বজায় থাকে এবং তৃষ্ণা কম লাগে — খুব নোনতা বা ঝাল জিনিস খাবেন না।

  • সরগী: দুধে ফেনী/সেমাই, মঠরি, হালুয়া, নারকেল, কাঠবাদাম-কাজু-কিশমিশ, কলা-আপেল-বেদানা, এক গ্লাস জল বা ডাবের জল
  • ব্রত ভাঙার সময়: প্রথমে স্বামীর হাত থেকে জল, তারপর মিষ্টি; তার পরে হালকা খাবার — পুরি, আলু-মটরের সবজি, ক্ষীর বা হালুয়া, দই
  • যাদের মাথা ঘোরে বা দুর্বলতা থাকে, তারা সারাদিন কম কথা বলুন, রোদ থেকে বাঁচুন এবং সন্ধ্যার পূজা বসে করুন; গর্ভবতী ও অসুস্থ মহিলারা ফলাহার বা জল নিয়ে ব্রত রাখতে পারেন — এটি শাস্ত্রসম্মত

বিভিন্ন এলাকার রীতি

একই ব্রত, কিন্তু প্রতিটি এলাকার নিজস্ব রীতি — যা বাড়িতে চলে আসছে সেটাই সঠিক।

পাঞ্জাব-হরিয়ানা: সরগি শাশুড়ি দেন এবং তাতে ফেনী অবশ্যই থাকে। সন্ধ্যায় পাড়ার মহিলারা গোল হয়ে বসে সাতবার থালা ঘোরান এবং করওয়ার গান গান। বায়া শাশুড়ির কাছে পাঠানো হয়।
উত্তর প্রদেশ (পূর্বাঞ্চল-অবধ): পূজা-এ মাটির করওয়ার সাথে হলুদ মাটি দিয়ে গৌরী বানিয়ে পুজো করার রীতি আছে। কথা (কাহিনী) কোনো ব্রাহ্মণ বা বাড়ির বড় বিবাহিত মহিলা শোনান; রাতে চাঁদকে অর্ঘ্য দেওয়ার পর স্বামীর হাত থেকে প্রথম চুমুক জল পান করেন।
রাজস্থান: করবা চৌথের সাথেই অনেক বাড়িতে চৌথ মাতা (চৌথ কা বরওয়ারা)-র পূজা হয়। মহিলারা 13 করবা বানিয়ে পূজা করেন এবং গণেশ-চৌথের কথাও সাথে শোনা হয়।
মধ্যপ্রদেশ-বুন্দেলখণ্ড: এখানে চন্দ্রোদয়ের পর সবার আগে তুলসী গাছে অর্ঘ্য দেওয়ার চল আছে। খাবারের মধ্যে লাড্ডু-পুরি এবং আটার হালুয়া প্রধান।
বিহার-ঝাড়খণ্ড: কারওয়া চৌথের জায়গায় অনেক বাড়িতে তীজ এবং ছটকে প্রধান মনে করা হয়; তবে শহরগুলোতে এখন কারওয়া চৌথও পালন করা হয়, কথা এবং চন্দ্র-অর্ঘ্য একই।
🙏 আপনার বাড়ির রীতিনীতি এর থেকে আলাদা? এখানে লিখুন

দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।

প্রতিটি পোস্ট করা রীতিনীতি আগে পড়া হয়-অশ্লীল/বিজ্ঞাপন/ভুল যোগ করা হয় না।

কী করবেন, কী করবেন না

✅ কী করবেন

  • সরগী সূর্যোদয়-এর আগেই খান — সূর্যোদয়-এর পর থেকে ব্রত শুরু বলে গণ্য হয়
  • সারাদিন মন শান্ত রাখুন, কথা শুনুন, ভজন করুন
  • চন্দ্রকে অর্ঘ্য দেওয়ার সময় করবোর জল ধারার মতো দিন, ফেলে দেবেন না
  • ছাঁকনি দিয়ে আগে চাঁদ, তারপর স্বামীর মুখ — এই ক্রম বজায় রাখুন
  • ব্রত স্বামীর হাত থেকে জল পান করে ভাঙুন; বায়না শাশুড়িকে অবশ্যই দিন

❌ কী করবেন না

  • দিনে ঘুমানো, কাঁচি-সুঁইয়ের কাজ, সাদা বস্তু (দুধ-দই-চাল) দান করা — ঐতিহ্যে নিষিদ্ধ বলে মনে করা হয়
  • কালো বা সাদা কাপড় পরবেন না; লাল-গোলাপি-হলুদ শুভ শুভ
  • কোনো বিবাহিত নারীর অপমান, মিথ্যা, কলহ — ব্রতের ফল কমিয়ে দেয়
  • নকল চাঁদকে (ফটো/ভিডিও) অর্ঘ্য দেবেন না — কথার এটাই শিক্ষা
  • অসুস্থ থাকলে নির্জলা ব্রতের জেদ করবেন না — জল এবং ফলের সাথে ব্রত মান্য হয়

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

কারওয়া চৌথ 2026-এ কবে?

উপরে দেওয়া তারিখটি এই বছরের সঠিক তারিখ — কার্তিক কৃষ্ণ চতুর্থী, Swiss Ephemeris পঞ্জিকা-গণনা অনুযায়ী। দিল্লির চন্দ্রোদয়ের সময়ও সেখানেই দেওয়া আছে।

করবা চৌথে চাঁদ কটায় উঠবে?

উপরে «চন্দ্রোদয়»-এ দিল্লির সময় দেওয়া আছে। পূর্বের শহরগুলিতে (লখনউ, পাটনা) চাঁদ কয়েক মিনিট আগে এবং পশ্চিমে (জয়পুর, মুম্বাই) কয়েক মিনিট পরে ওঠে — আপনার শহরের সময় পঞ্জিকা-পৃষ্ঠায় দেখুন।

চাঁদ দেখা না গেলে কী করবেন?

চন্দ্রোদয়ের সময়ের পর চাঁদের দিকে (পূর্ব) মুখ করে অর্ঘ্য দিন এবং শিব জীর মস্তকের চাঁদের স্মরণ করুন। অনেক পরিবার এমন পরিস্থিতিতে তুলসী বা মন্দিরের শিখরে অর্ঘ্য দিয়ে ব্রত ভাঙেন।

অবিবাহিত মেয়েরা কি কারওয়া চৌথ রাখতে পারে?

হ্যাঁ, ভালো বরের কামনায় কুমারী কন্যারাও ব্রত রাখেন; তারা চাঁদের পরিবর্তে তারাকে অর্ঘ্য দিয়ে ব্রত ভাঙেন এবং ছাঁকনি দিয়ে চাঁদ দেখেন না।

গর্ভবতী বা অসুস্থ মহিলা ব্রত কীভাবে রাখবেন?

ফল, দুধ এবং জল নিয়ে ব্রত রাখুন — শাস্ত্রে রোগী, গর্ভবতী ও বৃদ্ধদের জন্য এই ছাড় রয়েছে। শ্রদ্ধা সহকারে কথা শোনা এবং চন্দ্র-অর্ঘ্য দেওয়াই প্রধান।

সরগিতে কী খাবেন?

ফেনী বা সেমাই, মঠরি, হালুয়া, ফল, শুকনো ফল, নারকেল এবং জল — হালকা এবং মিষ্টি, যাতে সারাদিন তৃষ্ণা কম লাগে। খুব নোনতা বা মশলাদার জিনিস খাবেন না।

🔔 মনে করিয়ে দিন — প্রতি ব্রতের একদিন আগে

আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।

বার্তা Nakshtra Tak-এর তরফ থেকে আসবে; নম্বর অন্য কাউকে দেওয়া হয় না।

📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান

আরও পড়ুন: অহোই অষ্টমী (একই সপ্তাহ) · দীপাবলি — লক্ষ্মী পুজো · শুভ মুহূর্ত · আরতি ও মন্ত্র

⚠️ এই বিবরণটি প্রচলিত পদ্ধতি ও লোক-মান্যতার উপর ভিত্তি করে; আপনার কুল-পরিবারের রীতিই সর্বোপারি। স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার