Nakshtra Takকুণ্ডলীরাশিফলপঞ্জিকামিলানজ্ঞানগ্রহ-ফলজ্যোতিষীStore
🪔 ব্রত-উৎসব

🥣 শীতলা অষ্টমী (বাসোড়া / বসোড়া) 2027

✍️ জ্যোতিষাচার্য আদিত্য ধর দ্বিবেদী · 🔎 শেষ পর্যালোচনা: · 🧮 গণনা-পদ্ধতি

চৈত্র কৃষ্ণ অষ্টমী — হোলির আট দিন পরে; শীতলা মাকে আগের দিন রান্না করা ঠান্ডা খাবার নিবেদন, সেদিন উনুন জ্বলে না; সন্তানদের বসন্ত-জ্বর থেকে রক্ষার জন্য মায়েদের ব্রত।

শীতলা অষ্টমী (বাসোড়া / বসোড়া) 2027-এর তিথি
মঙ্গলবার, 30 মার্চ 2027
চৈত্র · কৃষ্ণ পক্ষ · অষ্টমী (বিক্রম সংবত 2084)
🌅 সূর্যোদয়6:14 AM
🕉 ব্রহ্ম মুহুরত04:38 AM – 05:26 AM
⭐ অভিজিৎ মুহূর্ত12:02 PM – 12:50 PM
📿 তিথি-কালঅষ্টমী 29 মার্চ, 5:11 পিএম → 30 মার্চ, 7:40 পিএম
🌇 সূর্যাস্ত6:38 PM
⛔ রাহুকাল (এড়িয়ে চলুন)03:32 PM – 05:05 PM
সময় দিল্লি (আই. এস. টি) কে, সুইস এপিহেমেরিস-গণনা, উদীয়মান-তারিখের নিয়ম। চন্দ্রোদয়/সূর্যোদয় প্রতিটি শহরে পরিবর্তিত হয় -

শীতলা অষ্টমী পালিত হয় চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমীতে — রঙের হোলির আট দিন পরে (অনেক অঞ্চলে সপ্তমীতে — শীতলা সপ্তমী)। একে বাসোড়া/বসোড়া বলা হয়, কারণ এই দিন «বাসি» (আগের দিন রান্না করা, ঠান্ডা) খাবার খাওয়া ও নিবেদন করা হয় — সেদিন বাড়িতে উনুন জ্বলে না।

শীতলা মা বসন্ত, হাম, ফোড়া-ফুসকুড়ি আর ঋতুবদলের জ্বরের দেবী; গরমের শুরুতে মায়েরা সন্তানদের রক্ষার জন্য এই ব্রত রাখেন — শীতলা-মন্দিরে/জলাশয়ের ধারে ঠান্ডা খাবারের ভোগ, ঠান্ডা জলে পূজা, হলুদ-মেহেদি। নিচে এ বছরের তিথি, পূজার মুহূর্ত, বিধি, উপকরণ, ব্রতকথা, বাসি ভোগের রান্না আর বিভিন্ন অঞ্চলের রীতি দেওয়া হল।

গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন

«শীতলা» = যিনি শীতলতা দেন — গাধার পিঠে আসীন, হাতে ঝাঁটা (পরিচ্ছন্নতা), কুলো (হাওয়া), নিমপাতা (ওষুধ), কলস (ঠান্ডা জল): এই পুরো রূপটাই গরমের রোগ থেকে বাঁচার সংকেত — পরিচ্ছন্নতা, শীতলতা, নিম। তাই পূজায় নিম, ঠান্ডা জল আর বাসি (আগুন ছাড়া) খাবার।

বাসোড়া: পূজার আগের দিন (সপ্তমীতে) সব খাবার রান্না করে রেখে দেওয়া হয়; অষ্টমীতে উনুন-অগ্নির পূজা হয়, কিন্তু উনুন জ্বালানো হয় না — ঋতুবদলের সময় এক দিন শরীরকে ঠান্ডা খাবার দেওয়ার এটি এক আয়ুর্বেদিক রীতিও (এর পরে বাসি খাবার বন্ধ)।

রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানায় সবচেয়ে প্রবল; বাংলায় শীতলা পূজা আলাদা তিথিতে। এটি বাড়ির মেয়েদের — বিশেষ করে মায়েদের — ব্রত; নতুন বউয়ের প্রথম বাসোড়া বাপের বাড়ি থেকে।

পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)

এটি ঘরোয়া বিধি — সপ্তমীর সন্ধ্যায় রান্না, অষ্টমীর ভোরে শীতলা পূজা ও বাসি ভোগ, সারা দিন উনুন বন্ধ।

  1. সপ্তমীর (আগের দিন) সন্ধ্যায়: সব রান্না সেরে রাখুন — মিষ্টি ভাত (গুড়/চিনির), পুরি, গুলগুলে/মালপোয়া, বেসনের তরকারি, দই, রাবড়ি, কড়ি, পকোড়া, ঠান্ডা শরবতের উপকরণ; রান্নাঘর পরিষ্কার করে উনুন ঠান্ডা; রাতে উনুনের পূজা (রোলি-চাল-ফুল)।
  2. অষ্টমীর ভোরে (সূর্যোদয়ের আগে/ব্রাহ্মমুহূর্তে — সময় ওপরে দেওয়া) ঠান্ডা জলে স্নান; উনুন না জ্বেলে ঘর পরিষ্কার; সংকল্প — «আমি সন্তান/পরিবারের আরোগ্য রক্ষার জন্য শীতলা অষ্টমীর ব্রত করছি।»
  3. থালায় বাসি খাবার (প্রতিটি পদ অল্প অল্প), ঠান্ডা জলের ঘটি, হলুদ-মেহেদি, রোলি, চাল, ফুল, নিমের ডাল, কুলো/ঝাঁটা (প্রতীক), প্রদীপ (জ্বালানো নয় — অনেক জায়গায় প্রদীপ ছাড়াই); পাড়ার শীতলা-মন্দিরে বা জলের জায়গায় (কুয়ো-পুকুর-কলের কাছে) কিংবা বাড়ির ঠাকুরঘরে পূজা।
  4. শীতলা মাকে (ছবি/পাথর/মন্দির) ঠান্ডা জল, হলুদ-মেহেদি (হাতের ছাপ), রোলি-চাল, ফুল, নিমপাতা; বাসি ভোগ নিবেদন করুন; «ওঁ হ্রীং শ্রীং শীতলায়ৈ নমঃ» / শীতলা-স্তোত্র («বন্দেঽহং শীতলাং দেবীং রাসভস্থাং দিগম্বরাম্»); শীতলা মায়ের ব্রতকথা (নিচে) শুনুন।
  5. পূজার জল/হলুদ-মেহেদি দিয়ে বাড়ির সদর দরজায় ছাপ (হাতের ছাপ) আর সন্তানদের কপালে টিকা — কুনজর ও রোগ থেকে রক্ষা; পূজার ঠান্ডা জল ঘরে ছিটিয়ে দিন।
  6. সারা দিন শুধু বাসি খাবার — সবার আগে সন্তানেরা, তারপর বড়রা; উনুন-গ্যাস জ্বলবে না (চা-ও নয় — অনেক বাড়িতে ঠান্ডা দুধ/শরবত)।
  7. দান: ঠান্ডা খাবার, মিষ্টি ভাত, কাপড় — অভাবী মানুষ/মন্দিরে; গাধাকে (শীতলার বাহন) রুটি-ছোলা, যেখানে সম্ভব; ঝাঁটা-কুলো দানও।
  8. পরদিন (নবমী) উনুন জ্বেলে প্রথমে শীতলা মাকে গরম ভোগ (হালুয়া), তারপর সাধারণ রান্না — বাসোড়া শেষ; এর পরে বাসি খাবার বন্ধ।

📿 কিভাবে একটি সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা (σταλα σταγι) করতে হয়-বিস্তারিত পদ্ধতি, উপাদানের তালিকা এবং নিয়ম

পূজা-সামগ্রীর তালিকা

সবকিছু আগের দিনই তৈরি — পূজার দিন আগুন নয়।

  • বাসি ভোগ: মিষ্টি ভাত (গুড়-ভাত/ওলিয়া), পুরি, গুলগুলে/মালপোয়া, কড়ি-পকোড়া, বেসনের তরকারি, দই, রাবড়ি, ছোলার ডাল — সপ্তমীতে রান্না করা
  • ঠান্ডা জলের ঘটি (তামার/মাটির), গঙ্গাজল
  • হলুদ, মেহেদি (গোলা — হাতের ছাপের জন্য), রোলি, কাঁচা চাল, ফুল
  • নিমের ডাল/পাতা, কুলো (ছোট) আর ঝাঁটা (প্রতীক/দান)
  • শীতলা মায়ের ছবি/মূর্তি (বা মন্দির/জলের জায়গার পাথর), লাল ওড়না
  • ঠান্ডা শরবত/দুধ, ঠান্ডাই (সেদিন গরম কিছু নয়)
  • দান: কাপড়, খাবার, ঝাঁটা-কুলো; গাধা-গরুর জন্য রুটি-ছোলা
  • শীতলা-স্তোত্র/ব্রতকথার বই

🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন

📅 আপনার শহরের পঞ্জিকা

সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।

পঞ্জিকা দেখুন →

ব্রত-কথা

এক গ্রামে ঘরে ঘরে বাসোড়া পালন হত, কিন্তু এক বুড়ি উনুন জ্বেলে গরম রান্না করল। শীতলা মা বৃদ্ধার বেশে গ্রামে এলেন — বুড়ির ঘর আগুনে পুড়ে গেল, তার ছেলেমেয়েরা জ্বরে-বসন্তে পুড়তে লাগল। বুড়ি কাঁদতে কাঁদতে অন্যদের বাড়ি গেল — সেখানে ঠান্ডা খাবার আর ঠান্ডা জল ছিল; মা বললেন «আমি শীতলা, আমার চাই শীতলতা; তুই আগুন জ্বেলেছিস, তাই তোর ঘর পুড়েছে।»

📖 শীতল অষ্টমী (বসুন্ধরা/বসুন্ধরা)-এর পুরো উপবাসের গল্পটি পড়ুন

বাসোড়া — আগের দিন রাঁধা ঠান্ডা হেঁশেল

সব রান্না সপ্তমীর সন্ধ্যায় সেরে ঢাকা দিয়ে রাখুন; অষ্টমীতে গরম না করেই ভোগ ও আহার। মিষ্টি ভাত (ওলিয়া) আর গুলগুলে এই দিনের পরিচয়; রাজস্থানে «ঠান্ডা খানা»-র পুরো থালা।

  • মিষ্টি ভাত/ওলিয়া: চাল গুড়-জলে (বা চিনিতে) রেঁধে, ঘি-এলাচ-শুকনো ফল দিয়ে; ঠান্ডা — শীতলার প্রধান ভোগ
  • গুলগুলে (আটা-গুড়-মৌরির ভাজা গোলা), মালপোয়া, পুরি, বেসনের তরকারি/গট্টে, কড়ি-পকোড়া, দই, রাবড়ি, ছোলার ডাল
  • রাজস্থান: ঠান্ডা «বাসি-ওড়া» — দই-ভাত, বাজরার রুটি-গুড়, রাবড়ি, পচকুটা; গুজরাত: ঠান্ডা পুরি-শাক, ঢেবরা
  • উত্তরপ্রদেশ-হরিয়ানা: গুলগুলে, মিষ্টি ভাত, পুরি-কড়ি, দই-বুরা চিনি; মধ্যপ্রদেশ: ঠান্ডা পোহা-দই, মিষ্টি রুটি
  • পরদিন: গরম হালুয়া প্রথমে মাকে, তারপর পরিবারকে — বাসোড়ার সমাপ্তি

বিভিন্ন এলাকার রীতি

বাসোড়া উত্তর-পশ্চিম ভারতের রীতি; বাংলা ও দক্ষিণে শীতলা/মারিয়াম্মানের পূজা অন্যভাবে হয়।

রাজস্থান: «শীতলা সপ্তমী/অষ্টমী» — সবচেয়ে বড় উৎসব; চাকসুর (জয়পুর) শীতলা মেলা, গ্রামে গ্রামে «ঠান্ডা খানা», মেয়েরা মাথায় বাসি খাবারের থালা নিয়ে মন্দিরে যান, গাধার পূজা, দরজায় হলুদ-মেহেদির হাতের ছাপ; বাচ্চাদের «ঠান্ডি মাতা»-র টিকা।
উত্তরপ্রদেশ-হরিয়ানা-দিল্লি: বাসোড়া — সপ্তমীর রাতে গুলগুলে-মিষ্টি ভাত, অষ্টমীতে শীতলা-মন্দিরে/জোহড়ে (গ্রামের পুকুরে) পূজা, উনুন বন্ধ; হরিয়ানায় «সীলী সাতেঁ/সীলী আঠেঁ» — সীলী (ঠান্ডা) রুটি-দই; পূর্বাঞ্চলে অষ্টমীতে শীতলার ব্রতকথা ও নিম।
গুজরাত-মধ্যপ্রদেশ: গুজরাতে «শীতলা সাতম»-এও (শ্রাবণ কৃষ্ণ সপ্তমী — জন্মাষ্টমীর এক দিন আগে, আলাদা তিথি!) বাসি খাবার, চৈত্রে কোথাও কোথাও «বাসোড়া/ঠান্ডি সাতম»; মধ্যপ্রদেশ-মালওয়ায় চৈত্রের বাসোড়া, শীতলা মায়ের জলের জায়গায় মেহেদি-হলুদ।
বাংলা-বিহার-ওড়িশা: বাংলায় শীতলা পূজা বসন্তকালে/চৈত্রে নানা তিথিতে (গ্রামদেবী রূপে, «বসন্ত» রোগ থেকে রক্ষার জন্য), শাল-কীল নিবেদন (ঘর ও গ্রামের সীমানা কীলিত করে রক্ষা-বেষ্টনী গড়ার প্রাচীন লোকাচার — যাতে বসন্ত, হামের মতো রোগ ও অশুভ শক্তি সীমানার বাইরেই আটকে থাকে); বিহার-মিথিলায় «শীতলা অষ্টমী»-তে ঠান্ডা ভোগ আর সন্তানদের বসন্ত থেকে রক্ষার ব্রত; ওড়িশায় «শীতলা ষষ্ঠী»-র মতো স্থানীয় রূপ।
দক্ষিণ ভারত: এখানে শীতলার কাজটি মারিয়াম্মান/পোলেরাম্মার (তামিলনাড়ু-অন্ধ্র-কর্ণাটক) — গরমে মারিয়াম্মানকে «কূল্» (ঠান্ডা জাউ) নিবেদন, নিমপাতার বস্ত্র, গ্রাম-উৎসব; তিথি চৈত্রে নয়, গ্রীষ্মের শুরুতে/আষাঢ়ে।
🙏 আপনার বাড়ির রীতিনীতি এর থেকে আলাদা? এখানে লিখুন

দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।

প্রতিটি পোস্ট করা রীতিনীতি আগে পড়া হয়-অশ্লীল/বিজ্ঞাপন/ভুল যোগ করা হয় না।

কী করবেন, কী করবেন না

✅ কী করবেন

  • সব রান্না সপ্তমীতেই সেরে রাখুন — অষ্টমীতে উনুন/গ্যাস নয়
  • পূজা ভোরে, ঠান্ডা জলে; নিম আর হলুদ-মেহেদি অবশ্যই
  • বাসি ভোগ আগে মাকে, তারপর সন্তানদের, তারপর বড়দের
  • দরজায় হাতের ছাপ, সন্তানদের টিকা — রক্ষার প্রতীক
  • ঘর-রান্নাঘর-আশপাশ পরিষ্কার রাখা — এটাই শীতলার আসল বার্তা; সন্তানদের টিকাকরণ (বসন্ত-হাম) সময়মতো

❌ কী করবেন না

  • অষ্টমীতে আগুন নয় — চা-দুধও গরম নয় (ঠান্ডা খান)
  • খুব গরম আবহাওয়ায় বাসি খাবার নষ্ট হতে পারে — ঢেকে, ঠান্ডা জায়গায় রাখুন; দই-রাবড়ি সকালে দেখে নিন; শিশু-বয়স্কদের সন্দেহজনক কিছু দেবেন না
  • এই দিনের পরে বাসি খাবার বন্ধ — সারা গরমকাল টাটকা
  • জ্বর-বসন্তে ব্রতকে চিকিৎসার বিকল্প ভাববেন না — ডাক্তার ও টিকাকরণ
  • গাধা/পশুকে মারা বা কষ্ট দেওয়া নয় — শীতলার বাহন

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

2027 সালে শীতলা অষ্টমী কবে?

ওপরে দেওয়া তিথিটিই এ বছরের চৈত্র কৃষ্ণ অষ্টমী — পঞ্জিকা-গণনা অনুযায়ী; ভোরের পূজার সময় (সূর্যোদয়/ব্রাহ্মমুহূর্ত) সেখানেই আছে। অনেক পরিবার সপ্তমীতে (এক দিন আগে) পালন করেন — নিজের রীতি মানুন।

বাসোড়া কী, আর সেদিন রান্না হয় না কেন?

«বাসি» খাবারের দিন — সবকিছু আগের দিন রেঁধে অষ্টমীতে আগুন না জ্বেলে ঠান্ডা অবস্থায় খাওয়া ও নিবেদন করা হয়; শীতলা মায়ের শীতলতা প্রিয় (ব্রতকথা), আর ঋতুবদলের সময় এক দিন ঠান্ডা খাবার খাওয়া আয়ুর্বেদিক রীতিও।

শীতলা সপ্তমী আর অষ্টমীর মধ্যে তফাত কী?

দুটো একই উৎসব — রাজস্থান-গুজরাতের অনেক অঞ্চলে সপ্তমীতে, উত্তরপ্রদেশ-হরিয়ানায় অষ্টমীতে; রান্না হয় সপ্তমী/ষষ্ঠীর সন্ধ্যায়। গুজরাতে শ্রাবণের «শীতলা সাতম» আলাদা উৎসব (জন্মাষ্টমীর আগে)।

শীতলা মা কে?

বসন্ত-হাম-জ্বরের দেবী (স্কন্দপুরাণ), গাধার পিঠে আসীন, হাতে ঝাঁটা-কুলো-কলস-নিম — পরিচ্ছন্নতা, শীতলতা আর ওষুধের প্রতীক; জ্বরাসুরকে বশ করেন; মায়েরা সন্তানদের রক্ষার জন্য তাঁর পূজা করেন।

গ্যাস-উনুন কি একেবারেই জ্বালানো যাবে না?

প্রথা অনুযায়ী নয় — সারা দিন ঠান্ডা; বয়স্ক/অসুস্থ/শিশুর প্রয়োজনে (দুধ গরম করা, ওষুধ) যতটুকু দরকার ততটুকু জ্বালিয়ে নিন — মা শীতলতা চান, কষ্ট নয়।

🔔 মনে করিয়ে দিন — প্রতি ব্রতের একদিন আগে

আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।

বার্তা Nakshtra Tak-এর তরফ থেকে আসবে; নম্বর অন্য কাউকে দেওয়া হয় না।

📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান

আরও পড়ুন: হোলি (8 দিন আগে) · চৈত্র নবরাত্রি/গুডি পাড়ওয়া · গণগৌরব · শীতল-স্তুতিগীত

⚠️ এই বিবরণ প্রথাগত বিধি ও লোকবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা; নিজের কুল-পরিবারের রীতিই সবার ওপরে। সন্তানদের টিকাকরণ আর রোগের চিকিৎসা ডাক্তারের কাছে করান — ব্রত তার বিকল্প নয়; বাসি খাবারের নিরাপত্তার দিকে খেয়াল রাখুন।

🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার