🌸 শুক্রবারের ব্রত (সন্তোষী মাতা) 2026
আগামী শুক্রবার — সন্তোষী মাতার 16 শুক্রবারের ব্রত: গুড়-ছোলার প্রসাদ, ব্রতকথা, টক নিষেধ; সংসারে সুখ-সন্তোষ, বিবাহ, সন্তান ও আর্থিক ক্ষতিপূরণের জন্য; উপরে আসন্ন শুক্রবারগুলি, নিচে পুরো বিধি-কথা-উদযাপন।
- শুক্রবার (আশ্বিন শুক্ল পক্ষ) — শুক্রবার, 16 অক্টোবর 2026
- শুক্রবার (আশ্বিন শুক্ল পক্ষ) — শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
- শুক্রবার (কার্তিক কৃষ্ণ পক্ষ) — শুক্রবার, 30 অক্টোবর 2026
- শুক্রবার (কার্তিক কৃষ্ণ পক্ষ) — শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
- শুক্রবার (কার্তিক শুক্ল পক্ষ) — শুক্রবার, 13 নভেম্বর 2026
- শুক্রবার (কার্তিক শুক্ল পক্ষ) — শুক্রবার, 20 নভেম্বর 2026
- শুক্রবার (মার্গশীর্ষ কৃষ্ণ পক্ষ) — শুক্রবার, 27 নভেম্বর 2026
- শুক্রবার (মার্গশীর্ষ কৃষ্ণ পক্ষ) — শুক্রবার, 4 ডিসেম্বর 2026
- শুক্রবার (মার্গশীর্ষ শুক্ল পক্ষ) — শুক্রবার, 11 ডিসেম্বর 2026
- শুক্রবার (মার্গশীর্ষ শুক্ল পক্ষ) — শুক্রবার, 18 ডিসেম্বর 2026
- শুক্রবার (পৌষ কৃষ্ণ পক্ষ) — শুক্রবার, 25 ডিসেম্বর 2026
- শুক্রবার (পৌষ কৃষ্ণ পক্ষ) — শুক্রবার, 1 জানুয়ারি 2027
শুক্রবার মা লক্ষ্মী, সন্তোষী মাতা ও শুক্র গ্রহের বার। উত্তর ভারতের ঘরে মেয়েদের সবচেয়ে প্রচলিত সাপ্তাহিক ব্রত হল **সন্তোষী মাতার শুক্রবারের ব্রত** — টানা 16টি শুক্রবার, গুড় আর ভাজা ছোলার প্রসাদ, ব্রতকথা, আর সবচেয়ে কড়া নিয়ম: ব্রতের দিন বাড়িতে কেউ কোনো টক জিনিস (লেবু, তেঁতুল, আচার, দই, টমেটো) খাবে না, কাউকে খাওয়াবেও না। সন্তোষী মাতাকে গণেশজির কন্যা বলে মানা হয় — «সন্তোষ»-এর দেবী, যিনি অল্পের মধ্যে বরকত আর কলহের মধ্যে শান্তি দেন।
এই বারেই **বৈভব লক্ষ্মী ব্রত** (গুজরাট-মহারাষ্ট্র থেকে শুরু, এখন সর্বত্র) পালন করা হয় — সেটি আলাদা পাতায় আছে। উপরে আসন্ন শুক্রবারগুলির তালিকা (মাস-পক্ষ সহ); নিচে সন্তোষী মাতার ব্রতের পুরো বিধি, উপকরণ, কথা, প্রসাদ, উদযাপন, অঞ্চলভেদে রীতি আর প্রশ্নোত্তর।
গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন
সন্তোষী মাতা: গণেশজি ও ঋদ্ধি-সিদ্ধির কন্যা — নামেই «সন্তোষ»; বিশ্বাস, তাঁর ব্রত সংসারে সুখ-শান্তি, স্বামী-স্ত্রীর মিল, আটকে থাকা টাকা, বিবাহ ও সন্তানের পথ খুলে দেয়। 1975 সালের ছবি «জয় সন্তোষী মা»-র পরে এই ব্রত ঘরে ঘরে পৌঁছায়, কিন্তু এর রীতি — গুড়-ছোলা, টক বর্জন, 16 শুক্রবার — পুরনো লোক-পরম্পরার।
শুক্র গ্রহ: সৌন্দর্য, বিবাহ, দাম্পত্য-সুখ, বৈভব, বাহন ও শিল্পকলার কারক; কোষ্ঠীতে শুক্র দুর্বল হলে শুক্রবারের ব্রত, সাদা জিনিস (চাল, দুধ, চিনি, সাদা বস্ত্র) দান, «ওঁ শুং শুক্রায় নমঃ» জপ আর লক্ষ্মীপূজাকে শান্তির উপায় বলে মানা হয়।
লক্ষ্মীর বার: শুক্রবার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীর আরতি, ঘর পরিষ্কার, তুলসীতলায় প্রদীপ আর ধন-ধান্যের প্রার্থনা — তাই বাড়ির মেয়েরা শুক্রবারে নতুন কাজ, কেনাকাটা আর মিষ্টি রান্নাকে শুভ মনে করেন।
পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)
সন্তোষী মাতার শুক্রবারের ব্রতের ঘরোয়া বিধি — যে-কোনো শুক্রবার (শুক্লপক্ষ শ্রেষ্ঠ) থেকে শুরু, টানা 16 শুক্রবার, 16তম শুক্রবারে উদযাপন।
- সকাল: স্নান, পরিষ্কার (সম্ভব হলে লাল/হলুদ) কাপড়; বাড়ির ঠাকুরঘরে বা ঈশান কোণে চৌকির উপর লাল কাপড় পেতে সন্তোষী মাতার ছবি; সামনে জলভরা কলস আর তার উপর গুড়-ছোলা ভরা বাটি (এটাই মূল প্রসাদ)।
- সংকল্প: হাতে জল-অক্ষত-ফুল নিয়ে — «আমি (নাম) (মনোবাসনা) পূরণের জন্য 16 শুক্রবার সন্তোষী মাতার ব্রত রাখব; টক খাব না, কাউকে খাওয়াবও না» — জল মাটিতে ছেড়ে দিন।
- পূজা: ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপ, রোলি-অক্ষত, লাল ফুল (জবা/গোলাপ), লাল চুনরি, গুড়-ছোলা, কলা; «ওঁ শ্রী সন্তোষী মহামায়ে গজানন্দং দায়িনী। শুক্রবারং প্রিয়ং দেবী নারায়ণী নমোঽস্তুতে॥» অথবা «জয় সন্তোষী মাতা» 11/21 বার।
- কথা: সন্তোষী মাতার ব্রতকথা (নিচে) নিজে পড়ুন বা শুনুন — কথার সময় হাতে গুড়-ছোলা রাখুন, শেষে «সন্তোষী মাতা কি জয়» বলে কলসের জল ঘরে ছিটিয়ে দিন।
- আরতি: «জয় সন্তোষী মাতা, মৈয়া জয় সন্তোষী মাতা…» — কর্পূরের আরতির পর প্রসাদ (গুড়-ছোলা) বাড়ির সবাইকে দিন; একটা অংশ গরু/পাখিদের।
- ব্রতের আহার: দিনে একবেলা — ফলাহার বা সাদামাটা খাবার (টক ছাড়া: লেবু, তেঁতুল, আচার, দই, ঘোল, টমেটো, আমলকী, কাঁচা আম — কিছুই নয়); বাড়ির বাকিরাও সেদিন টক খাবেন না — এটাই এই ব্রতের মূল নিয়ম।
- সন্ধ্যা: লক্ষ্মীর প্রদীপ, তুলসীতলায় প্রদীপ, মিষ্টি ভোগ; রাতে তেতো-টক-ঝাল নয়।
- উদযাপন (16তম শুক্রবার): 8 জন বালককে (বা যতজন সম্ভব) পায়েস-পুরি-ছোলার তরকারি খাওয়ান (টক একেবারে নয়, নুনও কম — অনেক বাড়িতে নুন ছাড়া), দক্ষিণা-কলা; ছোটদের কাছে সেদিন টক না খাওয়ার অনুরোধ; কথা, আরতি, গুড়-ছোলা, মাতাকে লাল চুনরি-শৃঙ্গার; যাদের বাড়িতে রীতি আছে, ব্রাহ্মণ/কন্যা-ভোজন।
📿 শুক্রবার ব্রত (সন্তোষী মাতা) কীভাবে করবেন — বিস্তারিত পদ্ধতি, সামগ্রী checklist ও নিয়ম →
পূজা-সামগ্রীর তালিকা
গুড়-ছোলাই মূল — বাকি সব বাড়িতেই থাকে; উদযাপনের তালিকা আলাদা।
- সন্তোষী মাতার ছবি/মূর্তি, চৌকি, লাল কাপড়, লাল চুনরি, কলস (জল), বাটি (গুড় + ভাজা ছোলা)
- গুড় (আস্ত/ছোট টুকরো) ও ভাজা ছোলা — প্রতি শুক্রবার নতুন; কলা, নারকেল, পান-সুপারি
- ঘিয়ের প্রদীপ, তুলোর সলতে, ধূপ-ধূপকাঠি, কর্পূর, আরতির থালা, রোলি, অক্ষত, মৌলি, হলুদ
- লাল ফুল (জবা, গোলাপ, গাঁদা), মালা; আতর/গোলাপজল; সিঁদুর (সধবাদের জন্য)
- কথার বই (সন্তোষী মাতার ব্রতকথা ও আরতি), ঘণ্টা, শাঁখ (থাকলে)
- উদযাপন: 8 জন বালক — পায়েস (চাল-দুধ-চিনি), পুরি, কালো ছোলার তরকারি (টক ছাড়া), কলা, দক্ষিণা; 16টি গুড়-ছোলার পুরিয়া, মাতার চুনরি-শৃঙ্গার, নতুন বস্ত্র (সাধ্যমতো)
- শুক্র-শান্তি (ঐচ্ছিক): সাদা বস্ত্র, চাল, দুধ, চিনি, দই (ব্রতের দিন ছাড়া অন্য দিন) দান; সাদা ফুল
🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন
সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।
পঞ্জিকা দেখুন →ব্রত-কথা
সন্তোষী মাতার কথা: এক বুড়ির সাত ছেলে — ছয়জন রোজগার করে, সপ্তমজন অকর্মা। বুড়ি ছয়জনকে ভালো খাবার দিত আর সপ্তমজনকে তাদের এঁটো। সপ্তমজনের স্ত্রী তা দেখে স্বামীকে বলল; মায়ের ভালোবাসায় ভরসা রেখে সে কথাটা বিশ্বাস করল না, তারপর একদিন নিজের চোখে দেখল — দুঃখে রোজগারের জন্য বিদেশে চলে গেল। সেখানে এক শেঠের কাছে বারো বছরে ধন-সম্পদ রোজগার করল, কিন্তু বাড়ির খোঁজ নিল না। এদিকে শাশুড়ি-জায়েরা বউকে জঙ্গল থেকে কাঠ আনতে পাঠাত, তুষের রুটি আর নারকেলের খোলায় জল দিয়ে কষ্ট দিত।
📖 শুক্রবার ব্রত (সন্তোষী মাতা)-এর সম্পূর্ণ ব্রত-কথা পড়ুন →
গুড়-ছোলা, পায়েস-পুরি-ছোলা; টক পুরোপুরি নিষেধ
সন্তোষী মাতার প্রসাদ সবচেয়ে সাদামাটা — গুড় আর ভাজা ছোলা। ব্রতের আহার একবেলা, টক ছাড়া: সাধারণ তরকারি-রুটি, পায়েস, হালুয়া, ফল, দুধ; দই-ঘোল-লেবু-আচার-টমেটো-তেঁতুল-আমলকী একেবারেই নয়। উদযাপনে পায়েস-পুরি-কালো ছোলার তরকারি (অনেক বাড়িতে নুন ছাড়া বা সৈন্ধব লবণে) — 8 জন বালককে।
- প্রসাদ: গুড় (আস্ত) + ভাজা ছোলা — খোসা সহ বা ছাড়া; কোনো কোনো বাড়িতে গুড়-ছোলার লাড্ডু বানানো হয়
- ব্রতের আহার: লাউ/আলুর সাদামাটা তরকারি (টমেটো ছাড়া), রুটি/পুরি, চালের পায়েস, সুজির হালুয়া, ফল (কলা, আপেল, ডালিম — টক ফল নয়), দুধ
- উদযাপনের থালা: চালের পায়েস, পুরি, কালো ছোলার শুকনো তরকারি (জিরে-হলুদ-ধনে; আমচুর/টমেটো নয়), কলা, গুড়-ছোলা — 8 জন বালককে; বড়দেরও তাই
- নিষিদ্ধ (ব্রতের দিন গোটা বাড়িতে): লেবু, তেঁতুল, আমলকী, আচার, দই-ঘোল-রায়তা, টমেটো, কাঁচা আম, চাটনি, টমেটো-সস, কমলালেবু-মুসাম্বি, কঢ়ি
বিভিন্ন এলাকার রীতি
এই ব্রত প্রায় গোটা উত্তর-মধ্য ভারতে একই রকম — তফাত প্রসাদ ও উদযাপনের খুঁটিনাটিতে।
দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।
✅ মিল গিলি-রিডিং 1-2 দিনে একই পৃষ্ঠায় যোগ করবে। ধন্যবাদ!কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ পাঠানো হচ্ছেকী করবেন, কী করবেন না
✅ কী করবেন
- যে-কোনো শুক্রবার (শুক্লপক্ষ শ্রেষ্ঠ) থেকে শুরু, টানা 16টি; মাঝে বাদ পড়লে পরের শুক্রবার থেকে আবার গোনা
- প্রতি শুক্রবার নতুন গুড়-ছোলা; কথা নিজে পড়ুন/শুনুন, আরতি, প্রসাদ গোটা পরিবার ও গরু-পাখিদের
- ব্রতের দিন গোটা বাড়িতে টক নয় — এটাই মূল নিয়ম; ছোটদের-অতিথিদেরও পরিবেশন করবেন না
- 16তম শুক্রবারে উদযাপন: 8 জন বালককে পায়েস-পুরি-ছোলা (টক ছাড়া), দক্ষিণা, ছোটদের কাছে টক না খাওয়ার অনুরোধ
- অন্তঃসত্ত্বা/অসুস্থ/বয়স্করা: সাধারণ খাবার খেয়ে শুধু গুড়-ছোলা-কথা-আরতি করুন — ব্রতের ফল শ্রদ্ধায়
❌ কী করবেন না
- টক (লেবু-তেঁতুল-আচার-দই-টমেটো) খাওয়া/খাওয়ানো — কথায় এই ভুলেরই শাস্তি মেলে
- উদযাপনের খাবারে ছোটরা নুন-টক চাইলে তা দেওয়া; 16-র গোনা পূর্ণ না হলে উদযাপন
- ব্রতের নামে ছোটদের/অসুস্থকে অভুক্ত রাখা; শুক্রবার কলহ-কটু কথা (এ সন্তোষের ব্রত)
- প্রসাদের গুড়-ছোলা ফেলে দেওয়া — গরু/পাখিদের দিন; পুরনো বাসি প্রসাদ পরের সপ্তাহে
- মাতার ছবির সামনে এঁটো, চামড়া; ব্রতের দিন চুল-নখ কাটা (কিছু বাড়ির রীতি)
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পরের শুক্রবারের ব্রত কবে আর 2026-এ কোন কোন দিন শুক্রবার পড়বে?
উপরের তালিকায় আসন্ন 12টি শুক্রবার মাস-পক্ষ সহ দেওয়া আছে; 16 শুক্রবারের ব্রত যে-কোনো শুক্রবার থেকে শুরু করা যায় — শুক্লপক্ষের প্রথম শুক্রবার শ্রেষ্ঠ; মলমাস (অধিক মাস)/পিতৃপক্ষে শুরু করবেন না (চলতি ব্রত চালিয়ে যান)।
সন্তোষী মাতার ব্রতের দিন কী কী খাওয়া উচিত নয়?
যে-কোনো টক জিনিস — লেবু, তেঁতুল, আমলকী, আচার, দই-ঘোল, টমেটো, কাঁচা আম, চাটনি, টক ফল (কমলালেবু-মুসাম্বি); আর এই নিয়ম ব্রতের দিন গোটা বাড়ির (ছোটদের-অতিথিদের) জন্য। নুন চলে (উদযাপনে অনেক বাড়িতে সৈন্ধব/কম)।
ব্রতে কতবার খাওয়া আর কী খাওয়া?
একবেলা সাদামাটা খাবার বা ফলাহার — তরকারি-রুটি/পুরি, পায়েস, হালুয়া, ফল, দুধ; সকালে প্রসাদ গুড়-ছোলা। বাকি সময় জল-চা-দুধ নেওয়া যায়।
16 শুক্রবারের মাঝে একটা বাদ পড়ে গেলে?
যেখানে বাদ পড়েছে সেখান থেকেই পরের শুক্রবার গোনা এগিয়ে নিন (আবার 1 থেকে নয়); মাসিকের শুক্রবারে পূজা করবেন না, তবে গোনায় ধরে নিন — এটাই লোক-রীতি, কুলের রীতি আলাদা হলে সেটাই মানবেন।
উদযাপন কীভাবে করবেন, কতজন ছোট?
16তম শুক্রবারে 8 জন বালক (না পেলে যতজন পাওয়া যায়, বা কন্যারা) — পায়েস-পুরি-কালো ছোলার তরকারি, কলা, দক্ষিণা; খাবারে টক একেবারে নয়; মাতার পূজা-কথা-আরতি; কিছু বাড়িতে সেদিনই ব্রাহ্মণ-ভোজন।
পুরুষ বা অবিবাহিত মেয়েরা কি রাখতে পারেন?
হ্যাঁ — ব্রত সবার জন্য; কুমারী মেয়েরা ভালো বরের জন্য, পুরুষেরা ধন-কাজ-সন্তোষের জন্য রাখেন; নিয়ম সেই 16 শুক্রবার ও টক বর্জন।
সন্তোষী মাতা আর বৈভব লক্ষ্মী ব্রতে তফাত কী?
দুটোই শুক্রবারের; সন্তোষী মাতা — গুড়-ছোলা, টক বর্জন, 16 শুক্রবার, 8 জন বালক; বৈভব লক্ষ্মী — শ্রীযন্ত্র ও সোনা/রুপোর জিনিসের পূজা, পায়েসের ভোগ, 11/21 শুক্রবার, 7 জন সধবাকে কুমকুম-প্রসাদ (আলাদা পাতা)। দুটো একসঙ্গে রাখা উচিত নয় — একটি বেছে নিন।
আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।
✅ নথিভুক্ত হয়েছে — পরের ব্রতের একদিন আগে বার্তা আসবে।কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ নথিভুক্ত হচ্ছে…📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান
আরও পড়ুন: বৈভব লক্ষ্মী ব্রত (শুক্রবার) · সোমবার ব্রত · বৃহস্পতিবারের উপবাস · শনিবার ব্রত · সাকাত চৌথ
⚠️ এই বিবরণ প্রথাগত বিধি ও লোকবিশ্বাস (ব্রতকথা)-এর উপর ভিত্তি করে; নিজের কুল-পরিবার ও অঞ্চলের রীতিই সবার উপরে। গর্ভাবস্থা, ডায়াবেটিস বা অন্য রোগে ব্রত/টক বর্জনের কঠোরতা রাখবেন না — শুধু পূজা-কথা করুন।
🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার