🌾 হল ষষ্ঠী (ললহী ছট / হলছট) 2027
ভাদ্রপদ কৃষ্ণা ষষ্ঠী — জন্মাষ্টমীর দুই দিন আগে, বলরাম-জয়ন্তী: পুত্রবতী মায়েদের ব্রত — লাঙলে চষা জমির শস্য নিষিদ্ধ, পসহী (তিন্নী) চাল, মহুয়া, মোষের দুধ-দই; ঝরবেরি-পলাশ-কুশের «ছট মাতা»; সন্তানের দীর্ঘায়ু ও সুখের জন্য; তিথি, বিধি, ব্রতকথা ও রীতি।
**হল ষষ্ঠী** (ললহী ছট, হলছট, হরছট, বলদেব ছট) পালিত হয় ভাদ্রপদ কৃষ্ণপক্ষের ষষ্ঠীতে — কৃষ্ণ-জন্মাষ্টমীর ঠিক দুই দিন আগে। এটি ভগবান কৃষ্ণের দাদা **বলরামের** জয়ন্তী, যাঁর অস্ত্র লাঙল; তাই এই দিন লাঙলে চষা জমির কোনো শস্য বা ফল খাওয়া হয় না — শুধু না-চষা জমিতে আপনা থেকে জন্মানো «পসহী/তিন্নী» চাল, মহুয়া, আর গরুর বদলে মোষের দুধ-দই-ঘি। উত্তরপ্রদেশ (পূর্বাঞ্চল-অবধ-বুন্দেলখণ্ড), বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের পুত্রবতী মায়েরা ছেলের দীর্ঘায়ু, সুখ-সমৃদ্ধি ও রক্ষার জন্য এই ব্রত রাখেন।
ব্রতে ঝরবেরি (কুল), পলাশ আর কুশের ডাল দিয়ে উঠোনে «ছট মাতা»/হরছট বানিয়ে (বা পুকুরের প্রতীক বানিয়ে) সাত রকম শস্য, মহুয়া, কুশ, পসহী চাল ও দই নিবেদন করা হয় এবং সাতটি ব্রতকথা শোনা হয়। উপরে এই বছরের তিথি ও মুহূর্ত; নিচে বিধি, উপকরণ, ব্রতকথা (গরুর দুধের ভুল), ভোগ, বিভিন্ন অঞ্চলের রীতি ও প্রশ্নোত্তর।
গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন
বলরাম-জয়ন্তী: শেষনাগের অবতার বলরামের (হলধর, সংকর্ষণ) জন্ম ভাদ্রপদ কৃষ্ণা ষষ্ঠীতে — লাঙল ও মুষল তাঁর অস্ত্র, তিনি কৃষির দেবতা; তাই এই দিন লাঙলে চষা জমির ফসল (গম-চাল-ডাল-সবজি) নিষিদ্ধ, আর জমিতে লাঙল না চালানোর রীতি।
সন্তান-রক্ষার নারীব্রত: পুত্রবতী মায়েরা (অনেক বাড়িতে ছেলে-মেয়ে দুজনের জন্যই) সারাদিন নিরাহার বা ফলাহারে থাকেন — শুধু পসহী চাল ও মোষের দুধ; বিশ্বাস — ছট মাতা (ষষ্ঠী দেবী, শিশুদের রক্ষাকর্ত্রী) সন্তানকে দীর্ঘায়ু, নীরোগ ও সুখী রাখেন; জিউতিয়ার (আশ্বিন কৃষ্ণা অষ্টমী) এক মাস আগের এটিই প্রথম সন্তান-ব্রত।
ষষ্ঠী দেবী: স্কন্দের ধর্মপত্নী দেবসেনা, শিশুদের রক্ষাকর্ত্রী — ছঠী (জন্মের ষষ্ঠ দিন), ছট (কার্তিক), ললহী ছট — সবেরই অধিষ্ঠাত্রী দেবী; কুল-পলাশ-কুশের ডাল তাঁর প্রতীক।
মোষের দুধ কেন: ব্রতকথায় গরুর দুধ নিয়ে ভুলের ফলে বাছুরের দুঃখ — তাই গরুর দুধ-দই-ঘির বদলে মোষের; আর লাঙলের বদলে কোদালে ফলানো বা বুনো ফসল — প্রকৃতি ও পশু-রক্ষার লোকশিক্ষা।
পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)
হল ষষ্ঠীর ঘরোয়া বিধি — ভোরে মহুয়ার দাঁতন, পূজা দুপুর/অপরাহ্ণে (ছট মাতা), সন্ধ্যায় ব্রতকথা ও ফলাহার; উপকরণ আগের দিনই জোগাড় করে রাখুন (না-চষা জমির শস্য)।
- ভোরে: স্নান, মহুয়ার ডাল দিয়ে দাঁতন (লোকরীতি), নতুন বা পরিষ্কার পোশাক; সারাদিন লাঙলে চষা জমির শস্য-ফল নয় — কিছু মা নির্জলা/নিরাহার থাকেন, বেশিরভাগই পসহী চাল আর মোষের দইয়ে একবেলা খান।
- ছট মাতার প্রতীক: উঠোন বা পূজার জায়গার মাটি নিকিয়ে ছোট গর্ত বা পুকুরের ছবি (কিছু বাড়িতে) বানান; তাতে ঝরবেরি, পলাশ আর কুশের ডাল (তিনটি একসঙ্গে বেঁধে একটি ঝোপের মতো) দাঁড় করান — এটাই «হরছট»; অথবা দেওয়ালে ছট মাতার ছবি আঁকা।
- সংকল্প: «আমি (নাম) আমার ছেলে/সন্তানের (নাম) দীর্ঘায়ু, সুখ ও রক্ষার জন্য হল ষষ্ঠীর ব্রত রাখছি» — জল ছাড়ুন।
- পূজা: হলুদ-রোলি-অক্ষত, কাঁচা সুতো (ডালগুলিতে জড়ান), সাত রকম শস্য (যব-ছোলা-গম-ধান-ভুট্টা-মুগ-বিউলি — কিছু বাড়িতে 7 রকম ভাজা শস্য «সতনাজা»), মহুয়ার ফুল-ফল, পসহী (তিন্নী) চাল, মোষের দই-ঘি, লাই (ধানের খই), কুল, লাঙলের ছবি/বলরামের মূর্তি; সধবার সামগ্রী (চুড়ি-সিঁদুর) ছট মাতাকে; ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপ।
- বলরাম-পূজা: লাঙল-মুষলের ছবি বা বলরামজির মূর্তি/ছবিকে হলুদ-চন্দন, নীল বস্ত্র (বলরাম নীলাম্বর), মহুয়া-পসহী চাল-দইয়ের ভোগ; «ওঁ বলভদ্রায় নমঃ» / «ওঁ সংকর্ষণায় নমঃ»।
- ব্রতকথা: হল ষষ্ঠীর সাতটি কথা (বা প্রধান কথা — গোয়ালিনী/গরুর দুধের) শোনা; প্রতিবার কথায় «হর ছট মাতা»-র স্মরণ; কথার পর সাত শস্য-মহুয়া-লাই প্রসাদ হিসেবে বিলোনো।
- মায়েদের রীতি: ছট মাতার ডালে জড়ানো সুতো/সন্তানের নামে গিঁট, পূজার পর সন্তানের পিঠে হলুদ-দই দিয়ে ছট মাতার হাত (আশীর্বাদ) বোলানো, পসহী-দইয়ের ফোঁটা; ছেলেমেয়েদের নতুন জামা/মিষ্টি।
- ফলাহার/খাওয়া: সন্ধ্যায় (বা পূজার পর) পসহী চাল, মোষের দই-দুধ-ঘি, মহুয়া, কোদালে খোঁড়া সবজি (কন্দ), ফল; পরদিন সাধারণ খাবারে পারণ; ডালগুলি জলে ভাসিয়ে দেওয়া বা অশ্বত্থ গাছের নিচে রাখা।
পূজা-সামগ্রীর তালিকা
পসহী চাল, মহুয়া, মোষের দই, ঝরবেরি-পলাশ-কুশ, সাত শস্য — হল ষষ্ঠীর অনন্য তালিকা (এক দিন আগে জোগাড় করুন)।
- ঝরবেরি (বুনো কুল), পলাশ (ঢাক-গাছ) ও কুশের ডাল — একটি ঝোপের মতো বাঁধার জন্য কাঁচা সুতো; ছট মাতার ছবি (থাকলে)
- পসহী/তিন্নী (বুনো, না-চষা জমির) চাল — মুদির দোকান/মণ্ডিতে «পসহী চাল» নামে পাওয়া যায়; মহুয়ার শুকনো ফুল ও ফল
- মোষের দুধ, দই, ঘি (গরুর নয় — ব্রতের নিয়ম); লাই (ধানের খই), কুল, সাত শস্য (যব-ছোলা-গম-ধান-ভুট্টা-মুগ-বিউলি)
- হলুদ, রোলি, অক্ষত, চন্দন, মৌলি, পান-সুপারি, সধবার সামগ্রী (চুড়ি-সিঁদুর-টিপ — ছট মাতাকে), ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপ, কর্পূর
- লাঙল-মুষলের ছবি বা বলরামজির মূর্তি/ছবি, নীল বস্ত্র; কলস (জল)
- ব্রতকথার বই (হল ষষ্ঠী/হরছটের সাতটি কথা); ছেলেমেয়েদের জন্য নতুন জামা/মিষ্টি
- খাবার: পসহী চাল, মোষের দই, কন্দমূল (কোদালে খোঁড়া), ফল, মহুয়ার লাড্ডু; সৈন্ধব লবণ
🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন
সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।
পঞ্জিকা দেখুন →ব্রত-কথা
হল ষষ্ঠীর প্রধান কথা: এক গোয়ালিনী ছিল গর্ভবতী; প্রসববেদনা নিয়েও সে দুধ-দই বেচতে বেরোল — পথে ঝরবেরির ঝোপের নিচে সে এক ছেলের জন্ম দিল এবং তাকে সেখানেই রেখে বেচতে চলে গেল। সেদিন ছিল হল ষষ্ঠী — গ্রামের মেয়েরা ব্রতের জন্য মোষের দুধ-দই চাইছিল; গোয়ালিনী লোভে পড়ে গরুর দুধ-দই মোষের বলে বেচে দিল আর ব্রতীদের ব্রত ভঙ্গ করাল। ওদিকে খেতে এক চাষি লাঙল চালাচ্ছিল — তার বলদ ভড়কে গেল, লাঙলের ফলা ঝোপের নিচে শোয়ানো শিশুর গায়ে লাগল, আর শিশুটি মারা গেল।
পসহী চাল, মোষের দই-ঘি, মহুয়া, লাই-কুল; লাঙলে চষা শস্য নিষিদ্ধ
হল ষষ্ঠীর খাবারই এর পরিচয় — না-চষা জমিতে জন্মানো পসহী (তিন্নী) চাল, মোষের দুধ-দই-ঘি, মহুয়া, কোদালে খোঁড়া কন্দমূল, ফল; গম-চাল-ডাল-সবজি (লাঙলে চষা) আর গরুর দুধের জিনিস নিষিদ্ধ; ভোগে সাত শস্য, লাই, কুল, মহুয়া ছট মাতা ও বলরামজিকে।
- ভোগ: পসহী চাল (মোষের দই বা মোষের ঘি দিয়ে), মহুয়ার ফুল/লাড্ডু, লাই (খই), কুল, সাত শস্য (ভাজা), মোষের দুধের পায়েস (কিছু বাড়িতে), ফল
- ব্রতীর খাবার: পসহী চাল-মোষের দই, মহুয়া, কন্দ (রতালু-রাঙা আলু — কোদালে খোঁড়া), কলা-আপেল-নাশপাতি, মোষের দুধ; সৈন্ধব লবণ
- পরিবারের খাবার: সাধারণ, তবে অনেক বাড়িতে সেদিন গোটা পরিবারই গরুর দুধ ও লাঙলে চষা শস্য এড়িয়ে চলে (কুলরীতি)
- ছেলেমেয়েদের জন্য: পসহী-দইয়ের ফোঁটা, মহুয়ার লাড্ডু, নতুন জামা, মিষ্টি; প্রসাদের শস্য সারা বাড়িতে
- নিষিদ্ধ: গম-চাল (চষা জমির)-ডাল-সবজি, গরুর দুধ-দই-ঘি, লাঙল চালানো/খেতের কাজ (লোকনিয়ম), কুলের ডালে পা লাগানো
বিভিন্ন এলাকার রীতি
পূর্বাঞ্চল-অবধের «ললহী ছট», বুন্দেলখণ্ড-মধ্যপ্রদেশের «হলছট/হরছট», বিহারের «ললহী/লল্হা ছট», ছত্তিশগড়ের «কমরছট», গুজরাট-মহারাষ্ট্রের «রান্ধণ ছট/বলরাম জয়ন্তী» — তিথি এক, রূপ অনেক।
দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।
✅ মিল গিলি-রিডিং 1-2 দিনে একই পৃষ্ঠায় যোগ করবে। ধন্যবাদ!কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ পাঠানো হচ্ছেকী করবেন, কী করবেন না
✅ কী করবেন
- এক দিন আগেই পসহী চাল, মহুয়া, মোষের দই, ঝরবেরি-পলাশ-কুশ জোগাড় করে রাখুন; ভোরে মহুয়ার দাঁতন
- ছট মাতা (ডাল) ও বলরামের (লাঙল) পূজা, সাত শস্য-লাই-কুল-মহুয়ার ভোগ, সাতটি ব্রতকথা, সন্তানকে হলুদ-দইয়ের আশীর্বাদ
- সারাদিন লাঙলে চষা শস্য ও গরুর দুধের জিনিস নয় — শুধু পসহী-মোষের দই-মহুয়া-কন্দ-ফল
- সেদিন খেতে লাঙল বা খোঁড়াখুঁড়ি নয় (চাষি পরিবার); গরু-বলদকে বিশ্রাম ও খাবার দিন
- অসুস্থ/গর্ভবতী মায়েরা: ব্রতের বদলে পূজা-কথা, সন্তানকে ফোঁটা; একবেলা ফলাহারই যথেষ্ট
❌ কী করবেন না
- গরুর দুধ-দই-ঘি (ব্রতকথার নিয়ম), লাঙলে চষা কোনো শস্য-ফল-সবজি; চষা জমির ফসলে ভোগ
- গরুর দুধকে মোষের বলে দেওয়া/নেওয়া — ব্রতকথার পাপ; মিথ্যা-ছলনা (ব্রতের প্রাণই সত্য)
- কুল-পলাশ-কুশের ডালে পা লাগানো, পূজার পর আবর্জনায় ফেলা — জলে বা অশ্বত্থতলায় দিন
- ছেলেমেয়েদের ব্রত রাখতে চাপ দেওয়া; পসহী না পেলে ব্রত ছেড়ে দেওয়া — ফল-দুধেও (মোষের) চলে
- হল ষষ্ঠীকে জন্মাষ্টমীর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা — এটি দুই দিন আগে, বলরামের জন্মদিন
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
হল ষষ্ঠী 2027-এ কবে?
ভাদ্রপদ কৃষ্ণা ষষ্ঠী — তিথি ও মুহূর্ত উপরে (দিল্লি); জন্মাষ্টমীর দুই দিন আগে; তিথির সময়সীমা উপরে, পূজা দুপুর-অপরাহ্ণে, ব্রতকথা সন্ধ্যায়।
হল ষষ্ঠীতে কী খাওয়া হয় আর কী হয় না?
খাওয়া হয় — পসহী/তিন্নী চাল (না-চষা জমির), মোষের দুধ-দই-ঘি, মহুয়া, কোদালে খোঁড়া কন্দ, ফল, লাই-কুল; খাওয়া হয় না — লাঙলে চষা জমির গম-চাল-ডাল-সবজি আর গরুর দুধ-দই-ঘি।
পসহী চাল কী, কোথায় পাওয়া যায়?
বুনো বা আপনা থেকে জন্মানো ধান (তিন্নী, পসহর, দেবধান) — লাঙল না চালিয়েই পুকুরপাড়ে জন্মায়; হল ষষ্ঠীর আগে মণ্ডি বা মুদির দোকানে «পসহী চাল» নামে পাওয়া যায়; না পেলে ফল আর মোষের দুধে ব্রত।
মোষের দুধই কেন?
ব্রতকথায় গোয়ালিনী গরুর দুধ মোষের বলে বেচে ছেলেকে হারিয়েছিল — তাই গরুর দুধ নিষিদ্ধ, মোষেরটা গ্রাহ্য; কোনো কোনো লোকমতে গরু বলরাম-কৃষ্ণের প্রিয়, সেদিন তার দুধ বাছুরের জন্য রেখে দেওয়া হয়।
ব্রত কার জন্য — ছেলে না মেয়ে?
প্রথা অনুযায়ী পুত্রবতী মায়েরা ছেলের জন্য রাখেন; এখন বেশিরভাগ বাড়িতে সব সন্তানের (ছেলে-মেয়ে) জন্যই রাখা হয় — ব্রতকথার নিয়ম একই।
ছট মাতার ঝোপ কীভাবে বানাব, পরে কী করব?
ঝরবেরি-পলাশ-কুশের ডাল সুতো দিয়ে বেঁধে নিকোনো মাটিতে বা গর্তে দাঁড় করান, সুতো জড়ান, সাত শস্য-মহুয়া-লাই নিবেদন করুন; পরদিন জলে ভাসিয়ে দিন বা অশ্বত্থ/তুলসীর কাছে রাখুন — পা যেন না লাগে।
হল ষষ্ঠী আর জিউতিয়া/ছট পূজার পার্থক্য কী?
তিনটিই সন্তান/ষষ্ঠী দেবীর সঙ্গে যুক্ত — হল ষষ্ঠী ভাদ্রপদ কৃষ্ণা 6 (বলরাম, পসহী-মোষের দই), জিউতিয়া আশ্বিন কৃষ্ণা 8 (নির্জলা, জীমূতবাহনের কথা), ছট পূজা কার্তিক শুক্লা 6 (সূর্যকে অর্ঘ্য); আলাদা আলাদা পাতা।
আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।
✅ নথিভুক্ত হয়েছে — পরের ব্রতের একদিন আগে বার্তা আসবে।কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ নথিভুক্ত হচ্ছে…📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান
আরও পড়ুন: কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী (দুই দিন পরে) · জীবিত কন্যা (জিউতিয়া) · ষষ্ঠ পূজা · কাজরি তিজ · শীতলা সপ্তম/রান্না ছট
⚠️ এই বিবরণ প্রথাগত বিধি ও লোকবিশ্বাসের (হল ষষ্ঠীর ব্রতকথা) উপর ভিত্তি করে; নিজের কুল-পরিবার ও অঞ্চলের রীতিই সর্বোপরি। তিথি দিল্লির (IST) উদয়-তিথি অনুযায়ী; শারীরিক অসুস্থতায় নিরাহার থাকবেন না।
🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার
