🌑 অমাবস্যা (পিতৃ-তর্পণ, স্নান-দান) 2026
পরের অমাবস্যা কবে — প্রতি মাসের অমাবস্যায় পিতৃপুরুষের তর্পণ, তীর্থস্নান, দান, অশ্বত্থ-পূজা; সোমবতী অমাবস্যা (সোমবার) ও শনি অমাবস্যা (শনিবার) বিশেষ; মৌনী/সর্বপিতৃ/দীপাবলি/হরিয়ালি অমাবস্যার নিজস্ব পাতা আছে; উপরে আসন্ন 12টি তিথি।
- কার্তিক অমাবস্যা (সোমবতী) — সোমবার, 9 নভেম্বর 2026
- মার্গশীর্ষ অমাবস্যা — মংগলবার, 8 ডিসেম্বর 2026
- পৌষ অমাবস্যা — গুরুবার, 7 জানুয়ারি 2027
- মাঘ অমাবস্যা (শনিশ্চরী) — শনিবার, 6 ফেব্রুয়ারি 2027
- ফাল্গুন অমাবস্যা (সোমবতী) — সোমবার, 8 মার্চ 2027
- চৈত্র অমাবস্যা — মংগলবার, 6 এপ্রিল 2027
- বৈশাখ অমাবস্যা — গুরুবার, 6 মে 2027
- জ্যেষ্ঠ অমাবস্যা — শুক্রবার, 4 জুন 2027
- আষাঢ় অমাবস্যা — রবিবার, 4 জুলাই 2027
- শ্রাবণ অমাবস্যা (সোমবতী) — সোমবার, 2 আগস্ট 2027
- ভাদ্রপদ অমাবস্যা — মংগলবার, 31 আগস্ট 2027
- আশ্বিন অমাবস্যা — গুরুবার, 30 সেপ্টেম্বর 2027
অমাবস্যা প্রতিটি চান্দ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের শেষ তিথি, যেদিন চাঁদ দেখা যায় না — বছরে 12টি (অধিক মাস থাকলে 13টি)। এটি পিতৃপুরুষের দিন — তর্পণ (জল-তিল), পিণ্ডদান, ব্রাহ্মণ-ভোজন, গরু-কাক-কুকুরকে গ্রাস; তীর্থস্নান ও দানের দিন, আর অশ্বত্থ-তুলসী-শনি-কালীর পূজার দিন। বলা হয়, অমাবস্যায় পিতৃপুরুষেরা দরজায় আসেন — তাই বাড়ির মেয়েরা এদিন পায়েস-পুরি বানিয়ে পিতৃপুরুষদের নিবেদন করেন, অনেক বাড়িতে এদিন নুন ছাড়া/সাত্ত্বিক খাবার।
যে বারে পড়ে, তার আলাদা মাহাত্ম্য — সোমবারে **সোমবতী অমাবস্যা** (সধবাদের অশ্বত্থ-প্রদক্ষিণ ব্রত — বছরে 1-3টি), শনিবারে **শনৈশ্চরী অমাবস্যা** (শনি-শান্তি — শনিমন্দির, তেল দান), মঙ্গলবারে ভৌমবতী। মাঘের মৌনী, আশ্বিনের সর্বপিতৃ (মহালয়া), কার্তিকের দীপাবলি, শ্রাবণের হরিয়ালি, জ্যৈষ্ঠের বট সাবিত্রী, ভাদ্রপদের কুশগ্রহণী (পিঠোরী) অমাবস্যা বড় পর্ব — তাদের নিজস্ব পাতায়। উপরে পরের অমাবস্যার তারিখ, তিথির সময়-পরিসর, শ্রাদ্ধের মুহূর্ত (কুতুপ/অপরাহ্ণ) ও আসন্ন 12টি তিথি বারের নাম সহ; নিচে বিধি, উপকরণ, কথা, আহার, অঞ্চলভেদে রীতি।
গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন
পিতৃ-দিবস: গরুড় পুরাণ/মনুস্মৃতি — অমাবস্যায় পিতৃপুরুষেরা বায়ুরূপে বংশধরদের দরজায় এসে তর্পণের অপেক্ষা করেন; অমাবস্যার তর্পণ/শ্রাদ্ধ পিতৃদোষের (কোষ্ঠীতে সূর্য-রাহু/শনি) শান্তির মাসিক উপায়; দর্শ-শ্রাদ্ধ (অমাবস্যার শ্রাদ্ধ) পিতৃপক্ষের পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
চন্দ্রহীন দিন — মন (চন্দ্র) দুর্বল, তাই শুভ কাজ (বিবাহ-যাত্রা-নতুন কিছু শুরু) এড়ানো হয়, কিন্তু জপ-তপ-দান-ধ্যান (মৌনী) ও তান্ত্রিক/কালী-সাধনার শ্রেষ্ঠ সময়; সোমবতীতে (চন্দ্রের বার + অমাবস্যা) অশ্বত্থ-প্রদক্ষিণে সধবার সৌভাগ্য-সন্তান; শনৈশ্চরীতে শনি-শান্তি (সাড়েসাতি-ঢৈয়া), শনিমন্দিরে (শিংগণাপুর-কোকিলাবন-তিরুনল্লার) ভিড়।
তীর্থস্নান: অমাবস্যায় গঙ্গা-নর্মদা-গোদাবরী-সঙ্গমে স্নান (মাঘ-কার্তিক-বৈশাখ বিশেষ), তারপর দান — অন্ন, বস্ত্র, তিল, জল, গরু; অশ্বত্থ (বিষ্ণুর বাস) ও তুলসীকে জল-প্রদীপ; কিছু অঞ্চলে অমাবস্যায় খেতে হাল নয় (কৃষির বিশ্রাম, বলদের ছুটি — বৈল-পোলা ভাদ্রপদ অমাবস্যায়)।
পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)
এটি মাসিক অমাবস্যার ঘরোয়া বিধি — সকালে স্নান-তর্পণ, দান, অশ্বত্থ-পূজা, সন্ধ্যায় প্রদীপ; সোমবতী ও শনৈশ্চরীর বিশেষ রীতিও সঙ্গে।
- সকাল: ব্রাহ্মমুহূর্তে/সূর্যোদয়ে স্নান (নদী/তীর্থে, বা বাড়িতে গঙ্গাজল-তিল মেশানো জলে); সূর্যকে অর্ঘ্য; সংকল্প — «অমাবস্যার স্নান-দান-তর্পণ, পিতৃপুরুষের তৃপ্তির জন্য»; অনেক বাড়িতে কয়েক ঘণ্টা মৌন (মৌনীর মতো)।
- তর্পণ (বাড়ির পুরুষেরা/না থাকলে নারী): তামার ঘটিতে জল-কালো তিল-কুশ, দক্ষিণমুখী হয়ে, বুড়ো আঙুলের দিক দিয়ে পিতৃপুরুষদের জল — «(গোত্র) (নাম) তৃপ্যতাম্» 3 বার, পিতা-পিতামহ-প্রপিতামহ ও মাতৃকুল; পৈতে ডান কাঁধে (অপসব্য); পিতৃসূক্ত/গীতা-7; তর্পণ না জানলে শুধু জল-তিল দক্ষিণ দিকে «সর্বে পিতরঃ তৃপ্যন্তাম্»।
- দর্শ-শ্রাদ্ধ (সম্ভব হলে): অপরাহ্ণে/কুতুপ কালে (সময় উপরে) পিণ্ড/পায়েস-পুরি নিবেদন, পঞ্চবলি (গরু-কুকুর-কাক-পিঁপড়ে-দেবতা), ব্রাহ্মণ/মেয়ে-জামাইকে ভোজন-দক্ষিণা; না পারলে গরু-কাককে পায়েস-রুটি আর গরিবকে খাবার।
- দান: অন্ন (চাল-গম), তিল, বস্ত্র, জলপাত্র, ছাতা-জুতো (ঋতু অনুযায়ী), গরুর খাবার; শনৈশ্চরীতে কালো তিল-মাষকলাই-সরষের তেল-লোহা-কালো বস্ত্র; সোমবতীতে সধবার সামগ্রী ও সাদা জিনিস; ভৌমবতীতে গুড়-মসুর।
- অশ্বত্থ-তুলসী: অশ্বত্থকে জল-দুধ-তিল, প্রদীপ, 108/7 প্রদক্ষিণ (সোমবতীতে সধবারা 108 বার সুতো জড়াতে জড়াতে — ফল-মিষ্টি-মুদ্রা নিবেদন করে, কথা শুনে); তুলসীকে জল-প্রদীপ (অমাবস্যায় তুলসী তোলা নিষেধ); শনিমন্দির (শনৈশ্চরী) — তেলের প্রদীপ, «ওঁ শং শনৈশ্চরায় নমঃ», হনুমান চালিসা।
- সন্ধ্যা: বাড়িতে দক্ষিণ দিকে তিল-তেলের প্রদীপ (পিতৃপুরুষদের জন্য), সদর দরজায় প্রদীপ, কালী/দুর্গা-পূজা (কিছু পরম্পরায় — দীপাবলি/কৌশিকী অমাবস্যা); শিবের অভিষেক (চন্দ্রদোষ); সাত্ত্বিক আহার, অনেক বাড়িতে নুন ছাড়া।
- উপবাস: সারাদিন ফলাহার/একবেলা আহার (সোমবতী-শনৈশ্চরীতে বিশেষ করে); নির্জলা নয়; বয়স্ক-রোগীরা সাধারণ সাত্ত্বিক খাবার।
- মেয়েরা: সোমবতী অমাবস্যা — অশ্বত্থ-প্রদক্ষিণ ব্রত (নিচে কথা), স্বামী-সন্তানের দীর্ঘায়ু; মাসিকের সময় তর্পণ-পূজা নয় (শুধু স্মরণ-দান); নববধূর প্রথম সোমবতী বাপের বাড়ি/শ্বশুরবাড়ির রীতি অনুযায়ী।
📿 কিভাবে আমবাসিয়া (পৃ. ৩, স্ন্যান-ড্যান) করতে হয়-বিস্তারিত পদ্ধতি, উপাদানের চেকলিস্ট এবং নিয়ম
পূজা-সামগ্রীর তালিকা
তর্পণের উপকরণ + দান + অশ্বত্থ-পূজা + বার-বিশেষ — অমাবস্যার তালিকা।
- তর্পণ: তামার ঘটি/থালা, জল, গঙ্গাজল, কালো তিল, কুশ (আসন-পবিত্রী), যব, দক্ষিণমুখী আসন, পৈতে
- শ্রাদ্ধ (সম্ভব হলে): পায়েস-পুরি/পিণ্ডের উপকরণ (চাল-যব-তিল-ঘি-মধু), 5টি পাতা (পঞ্চবলি), ফুল (সাদা), ধূপ-প্রদীপ (তিল-তেল), পান-সুপারি, দক্ষিণা
- দান: অন্ন, তিল, বস্ত্র, জলপাত্র, ছাতা/কম্বল, গরুর খাবার; শনৈশ্চরী: কালো তিল-মাষকলাই-সরষের তেল-লোহা-কালো কাপড়; সোমবতী: সধবার সামগ্রী, সাদা জিনিস; ভৌমবতী: গুড়-মসুর
- অশ্বত্থ-পূজা: জল-দুধ-তিল, কাঁচা সুতো (108 প্রদক্ষিণ — সোমবতী), ফল-মিষ্টি-মুদ্রা, প্রদীপ, রোলি-অক্ষত
- তুলসীর প্রদীপ, শিবের অভিষেক (জল-দুধ-বেলপাতা), শনির প্রদীপ (তেল), হনুমান চালিসা
- সন্ধ্যা: তিল-তেলের প্রদীপ (দক্ষিণে), দরজার প্রদীপ; কালী/দুর্গা-পূজা (কিছু পরম্পরায়)
- আহার: পায়েস-পুরি (পিতৃপুরুষদের), সাত্ত্বিক (নুন ছাড়া — কিছু বাড়িতে), ফলাহার
- বই: পিতৃসূক্ত/গীতা-7/সোমবতী-কথা/শনি-স্তোত্র
🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন
সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।
পঞ্জিকা দেখুন →ব্রত-কথা
সোমবতী অমাবস্যার (অশ্বত্থ-প্রদক্ষিণ) কথা: এক মহাজনের সাত বউয়ের মধ্যে সবচেয়ে ছোট বউকে এক ধোপানি আশীর্বাদ দিল «চিরসধবা থাকো»; বউ জিজ্ঞেস করল — ধোপানি বলল «সোমবতী অমাবস্যায় সুতো জড়িয়ে অশ্বত্থের 108 বার প্রদক্ষিণ করবে, তারপর খাবে — এতেই আমার সিঁথির সিঁদুর অক্ষয়»; বউ তাই করল, তার স্বামী সাপের ছোবল/মৃত্যু থেকে রক্ষা পেল (কোথাও: মেয়ের কোষ্ঠীতে বৈধব্য-যোগ সোমবতী-ব্রতে কেটেছিল — সোনা ধোপানির কথা)। শিক্ষা — সোমবতীতে অশ্বত্থ-প্রদক্ষিণে সৌভাগ্য-সন্তানের রক্ষা।
📖 আমাবস্যার পুরো উপবাসের গল্পটি পড়ুন (পৃ. 3 দিন, স্ন্যান-দান)
পায়েস-পুরি (পিতৃপুরুষদের), সাত্ত্বিক আহার, তিল-গুড় — অমাবস্যার রান্নাঘর
অমাবস্যায় পিতৃপুরুষদের জন্য পায়েস-পুরি (বা তাঁদের প্রিয় খাবার) — প্রথমে গরু-কাক-কুকুরকে গ্রাস, তারপর ব্রাহ্মণ/গরিব, তারপর বাড়ির লোক; আহার সাত্ত্বিক — পেঁয়াজ-রসুন-মাংস-মদ নয়, অনেক বাড়িতে নুন ছাড়া/একবেলা; তিল-গুড় (শনৈশ্চরী), সাদা পায়েস (সোমবতী); দক্ষিণে অমাবসৈ-তর্পণের পর সাদামাটা খাবার।
- পায়েস (চাল-দুধ) + পুরি — পিতৃপুরুষদের ভোগ; কুমড়ো/লাউয়ের তরকারি, বিউলির ডালের বড়া, কঢ়ি (শ্রাদ্ধের রীতি)
- পঞ্চবলির গ্রাস: গরু-কুকুর-কাক (পায়েস-রুটি), পিঁপড়ে (আটা-চিনি), দেবতা (ঘি); ব্রাহ্মণ/মেয়ে-জামাইকে ভোজন
- সোমবতী: সাদা জিনিস — পায়েস, দুধ-ভাত, মিছরি; অশ্বত্থকে ফল-মিষ্টি; ব্রতের পারণ অশ্বত্থ-প্রদক্ষিণের পর
- শনৈশ্চরী: তিল-গুড়ের নাড়ু, মাষকলাইয়ের খিচুড়ি (দান ও আহার), সরষের তেল; ভৌমবতী: গুড়-ছোলা
- ব্রতের ফলাহার: ফল, দুধ, সাবু; নুন ছাড়া খাবার (কিছু বাড়িতে) — লাউ-দই-পায়েস
- আঞ্চলিক: মহারাষ্ট্র (পোলা — ভাদ্রপদ অমাবস্যা) পুরণ-পোলি, বলদদের; তামিল (অমাবসৈ) — তর্পণের পর বড়া-পায়সম; বাংলা (কৌশিকী/দীপান্বিতা) — কালীর ভোগ খিচুড়ি; গুজরাট (দিবালী অমাস) — মিষ্টি; পাঞ্জাব (মস্যা) — লঙ্গর-কঢ়ি-ভাত
বিভিন্ন এলাকার রীতি
পাঞ্জাবের মস্যা, তামিলের অমাবসৈ-তর্পণ, মহারাষ্ট্রের পোলা, বাংলার কৌশিকী, উত্তরের সোমবতী-অশ্বত্থ — চাঁদহীন দিনের নানা রীতি।
দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।
✅ মিল গিলি-রিডিং 1-2 দিনে একই পৃষ্ঠায় যোগ করবে। ধন্যবাদ!কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ পাঠানো হচ্ছেকী করবেন, কী করবেন না
✅ কী করবেন
- প্রতি অমাবস্যায় পিতৃপুরুষের তর্পণ (জল-তিল, দক্ষিণমুখী) — না জানলে শুধু জল-তিল আর গরু-কাককে গ্রাস
- স্নান-দান (অন্ন-তিল-বস্ত্র-জল), অশ্বত্থ-তুলসীকে জল-প্রদীপ, সন্ধ্যায় দক্ষিণে তিল-তেলের প্রদীপ
- সোমবতী: অশ্বত্থ-প্রদক্ষিণ (108 সুতো), সৌভাগ্যের কথা; শনৈশ্চরী: শনির প্রদীপ-তেল দান, হনুমান চালিসা
- সাত্ত্বিক/নুন ছাড়া আহার, পায়েস-পুরি পিতৃপুরুষদের; শুভ সূচনা (বিবাহ-যাত্রা) এড়িয়ে চলুন
- পিতৃদোষ থাকলে অমাবস্যার তর্পণ মাসিক প্রতিকার; গীতা-7/পিতৃসূক্ত
❌ কী করবেন না
- অমাবস্যায় তুলসী তোলা, চুল-নখ কাটা, তেল মাখা (কিছু রীতিতে), সন্ধ্যার পর শ্মশান/নির্জন জায়গা (লোকবিশ্বাস)
- মাংস-মদ-তামসিক খাবার, কলহ, মিথ্যা; পিতৃপুরুষের নিন্দা; ভিক্ষুক-অতিথিকে খালি হাতে ফেরানো
- নতুন কাজ শুরু, বিবাহ-বাগদান, যাত্রা (লোকরীতি — শাস্ত্রে শুধু শুভ সংস্কার নিষিদ্ধ)
- উত্তরমুখী হয়ে/বাঁ হাতে তর্পণ; রাতে শ্রাদ্ধ (সূর্যাস্তের পর নয়)
- কুসংস্কার — অমাবস্যা «অশুভ» নয়, পিতৃ-দেবতার দিন; ছোটদের ভয় দেখাবেন না
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
পরের অমাবস্যা কবে? 2026-এর অমাবস্যার তিথিগুলি?
উপরে পরের অমাবস্যার তারিখ, তিথির সময়-পরিসর ও শ্রাদ্ধের মুহূর্ত (কুতুপ/অপরাহ্ণ — দিল্লি) আর আসন্ন 12টি অমাবস্যা মাসের নাম ও বার-বিশেষ (সোমবতী/শনৈশ্চরী) সহ দেওয়া আছে — উদয়া-তিথির নিয়মে; তর্পণ সেদিন, যেদিন অমাবস্যা দিনের বেলায় (অপরাহ্ণে) থাকে — তিথির সময়-পরিসর দেখে নিন।
সোমবতী অমাবস্যা কী আর মেয়েরা কী করেন?
সোমবারে পড়া অমাবস্যা — বছরে 1-3টি; সধবারা ব্রত রেখে কাঁচা সুতো জড়াতে জড়াতে অশ্বত্থের 108 বার প্রদক্ষিণ করেন, ফল-মিষ্টি-মুদ্রা নিবেদন করে, সোনা ধোপানি/মহাজনের বউয়ের কথা শুনে, তারপর খাবার — স্বামী-সন্তানের দীর্ঘায়ু ও অক্ষয় সৌভাগ্য; তীর্থস্নানের (হরিদ্বার-প্রয়াগ) বিশেষ ফল; উপরের তালিকায় «(সোমবতী)» লেখা আছে।
শনৈশ্চরী (শনি) অমাবস্যায় কী করবেন?
শনিবারের অমাবস্যা — শনি-শান্তির শ্রেষ্ঠ দিন: শনিমন্দিরে/অশ্বত্থতলায় সরষের তেলের প্রদীপ, কালো তিল-মাষকলাই-তেল-লোহা-কালো বস্ত্র দান (গরিব/সাফাইকর্মীকে), «ওঁ শং শনৈশ্চরায় নমঃ» 108 বার, হনুমান চালিসা, শনি-স্তোত্র (দশরথ-রচিত), সঙ্গে পিতৃ-তর্পণ; সাড়েসাতি-ঢৈয়া চললে বিশেষ করে; আগে কোষ্ঠী-পরীক্ষা (সাড়েসাতি-রিপোর্ট) করে নিশ্চিত হোন।
পুরোহিত না থাকলে তর্পণ কীভাবে করবেন?
স্নান করে দক্ষিণমুখী বসুন, তামার ঘটিতে জল-কালো তিল-(কুশ); বুড়ো আঙুলের দিক দিয়ে জল ছাড়তে ছাড়তে «(গোত্র) (পিতা/ঠাকুরদার নাম) তৃপ্যতাম্» 3-3 বার, তারপর «সর্বে পিতরঃ তৃপ্যন্তাম্»; শেষে গরু-কাককে পায়েস-রুটি, গরিবকে অন্ন — এটাই সহজ দর্শ-তর্পণ; নারীও করতে পারেন (পুত্র না থাকলে); পূর্ণ বিধির জন্য পিতৃপক্ষের পাতা দেখুন।
অমাবস্যায় কী করা উচিত নয় আর কেন?
শাস্ত্রে শুধু শুভ সংস্কার (বিবাহ-মুণ্ডন-গৃহপ্রবেশ) নিষিদ্ধ — চন্দ্রহীন তিথি, মন দুর্বল; লোকরীতিতে নতুন কাজ-যাত্রা-কেনাকাটা এড়ানো, তুলসী না তোলা, মাংস-মদ নয়, সন্ধ্যার পর নির্জন জায়গা এড়ানো; কিন্তু জপ-দান-তর্পণ-ধ্যানের জন্য এটি শ্রেষ্ঠ দিন — অমাবস্যা «অশুভ» নয়।
কোন কোন অমাবস্যা বড়?
মাঘ — মৌনী (মৌন-স্নান), আশ্বিন — সর্বপিতৃ (মহালয়া), কার্তিক — দীপাবলি (লক্ষ্মীপূজা), শ্রাবণ — হরিয়ালি (চারাগাছ-দোলনা), জ্যৈষ্ঠ — বট সাবিত্রী/শনি জয়ন্তী, ভাদ্রপদ — কুশগ্রহণী/পিঠোরী/পোলা, চৈত্র — ভূতড়ী, ফাল্গুন — ফাল্গুনী; সোমবতী-শনৈশ্চরী বার অনুযায়ী; সবগুলির পাতা hub-এ।
আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।
✅ নথিভুক্ত হয়েছে — পরের ব্রতের একদিন আগে বার্তা আসবে।কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ নথিভুক্ত হচ্ছে…📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান
🌎 বিদেশে অমাবস্যা (পিতৃ-তর্পণ, স্নান-দান) 2026: আমেরিকা · কানাডা · যুক্তরাজ্য · অস্ট্রেলিয়া · সংযুক্ত আরব আমিরাত · কাতার · সৌদি আরব · কুয়েত · ওমান · বাহরাইন · সিঙ্গাপুর · মালয়েশিয়া · নিউজিল্যান্ড · দক্ষিণ আফ্রিকা · মরিশাস · ফিজি · নেদারল্যান্ডস · জার্মানি · আয়ারল্যান্ড
আরও পড়ুন: পিতৃ-পক্ষ ও সর্ব পিতৃ অমাবস্যা · মৌনী অমাবস্যা (মাঘ) · দীপাবলি (কার্তিক অমাবস্যা) · পূর্ণিমা ব্রত
⚠️ এই বিবরণ প্রথাগত বিধি ও লোকবিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে; নিজের কুল-পরিবার, গোত্র-পরম্পরা ও পুরোহিতের রীতিই সবার উপরে। তিথিগুলি দিল্লির সূর্যোদয়-তিথি অনুযায়ী — নিজের শহরের পঞ্জিকা মিলিয়ে নিন; পিতৃদোষ/শনির প্রতিকার জ্যোতিষের বিশ্বাস।
🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার
