🛕 জগন্নাথ রথযাত্রা 2027
আষাঢ় শুক্ল দ্বিতীয়া — পুরীতে জগন্নাথ-বলভদ্র-সুভদ্রা তিনটি রথে চড়ে গুণ্ডিচা মন্দিরের (মাসির বাড়ি) পথে; রথের দড়ি টানা, নয় দিন পরে বাহুড়া (ফেরা); বাড়িতে জগন্নাথপূজা, খিচুড়ি-ভোগ, ছোট রথ।
জগন্নাথ রথযাত্রা হয় আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়ায় — ওড়িশার পুরীতে ভগবান জগন্নাথ (শ্রীকৃষ্ণ), বড় ভাই বলভদ্র আর বোন সুভদ্রা তিনটি বিশাল কাঠের রথে (নন্দীঘোষ, তালধ্বজ, দর্পদলন) চড়ে শ্রীমন্দির থেকে তিন কিলোমিটার দূরে গুণ্ডিচা মন্দিরে (মাসির বাড়ি) যান — লক্ষ লক্ষ ভক্ত রথের দড়ি টানেন; নয় দিন সেখানে থেকে দশমীতে «বাহুড়া যাত্রা»-য় ফেরেন, পথে সুনা বেশ (সোনার সাজ), তারপর নীলাদ্রি বিজে।
এটি এখন সারা ভারতের পর্ব — আমেদাবাদ (ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম রথযাত্রা), কলকাতা (ইসকন), দিল্লি, মুম্বই, বাংলার মাহেশ-মায়াপুর, প্রতিটি শহরে ছোট-বড় রথ; বাড়িতে মেয়েরা জগন্নাথ-ত্রিমূর্তির পূজা করেন, খিচুড়ি-ভোগ দেন, ছোটদের জন্য ছোট রথ, «জয় জগন্নাথ»। রথের দড়ি ছোঁয়ায় শত যজ্ঞের ফল — তাই এত ভিড়। নিচে এই বছরের তিথি, বিধি, সামগ্রী, কথা, প্রসাদ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের রীতি।
গুরুত্ব — এটি ব্রত কেন
স্কন্দপুরাণ (উৎকলখণ্ড): «রথে তু বামনং দৃষ্ট্বা পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে» — রথে বামনের (জগন্নাথ) দর্শনে পুনর্জন্ম হয় না; রথ টানলে শত যজ্ঞের ফল; রথযাত্রায় ভগবান নিজেই জনতার মাঝে আসেন — জাতি-ধর্মের ভেদ ছাড়াই সবাইকে দর্শন দেন (মন্দিরে প্রবেশের নিয়ম আছে, রথে নেই)।
পুরীর রথযাত্রার ক্রম: স্নানপূর্ণিমা (জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা — 108 কলসি জলে স্নান, তারপর দেবতা «অসুস্থ» — অনবসর 15 দিন), নবযৌবন দর্শন, রথযাত্রা (দ্বিতীয়া — পহণ্ডি, ছেরা পহঁরা — গজপতি রাজা সোনার ঝাড়ু দিয়ে রথ ঝাঁট দেন), গুণ্ডিচায় 7 দিন (হেরা পঞ্চমী — লক্ষ্মী অভিমান করে আসেন), বাহুড়া (দশমী), সুনা বেশ (একাদশী), অধরপণা (দ্বাদশী), নীলাদ্রি বিজে (ত্রয়োদশী — লক্ষ্মী রসগোল্লা দিয়ে জগন্নাথের মান ভাঙান)।
রথ প্রতি বছর নতুন — ফাসি-ধাউরা কাঠের; নন্দীঘোষ (জগন্নাথ — 16 চাকা, লাল-হলুদ), তালধ্বজ (বলভদ্র — 14 চাকা, লাল-সবুজ), দর্পদলন/দেবদলন (সুভদ্রা — 12 চাকা, লাল-কালো); 12 বা 19 বছরে নবকলেবর (নতুন বিগ্রহ — নিমকাঠের দারু); জগন্নাথ = কৃষ্ণের দারুব্রহ্ম রূপ, হাত-পা নেই, বড় বড় চোখ — «জগতের নাথ», বোন সুভদ্রা মাঝখানে, রথ ভাই-বোনেরও পর্ব।
পূজা-বিধি (ধাপে ধাপে)
এটি ঘরোয়া বিধি — জগন্নাথ-ত্রিমূর্তির পূজা, ছোট রথ, খিচুড়ি-ভোগ, রথ-দর্শন; পুরী যেতে না পারলে বাড়ির/শহরের রথযাত্রায়।
- স্নানপূর্ণিমা থেকে (জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা — 15 দিন আগে) বাড়ির জগন্নাথ-বিগ্রহ/ছবিকে স্নান করিয়ে «অনবসর» — কিছু বাড়িতে 15 দিন পর্দা, রথযাত্রার সকালে নবযৌবন দর্শন; সহজ রূপ — রথযাত্রার সকালে স্নান ও শৃঙ্গার।
- রথযাত্রার সকাল: স্নান, পরিষ্কার পোশাক; পূজার জায়গায় জগন্নাথ-বলভদ্র-সুভদ্রা (ত্রিমূর্তির ছবি/ছোট বিগ্রহ), হলুদ-লাল ফুল, তুলসী, চন্দন-কুমকুম, দীপ-ধূপ; সংকল্প — «রথযাত্রার দর্শন/সেবায় পরিবারের কল্যাণ»।
- ছোট রথ (ছোটদের সঙ্গে): কাঠের/পিচবোর্ডের/খেলনা রথ, ফুল-রঙিন কাপড়-পতাকা দিয়ে সাজানো, ত্রিমূর্তি বসানো, দড়ি; উঠোনে/গলিতে «জয় জগন্নাথ» বলে টানা, আরতি; অনেক পরিবার সোসাইটি/মন্দিরের রথে যোগ দেন।
- ভোগ: খিচুড়ি (জগন্নাথের প্রিয় — ঘি-মুগ-চাল), ডালমা (ওড়িয়া ডাল-সবজি), পায়েস, রসগোল্লা, ফল, পখাল (জল-ভাত — গরমে), লুচি-হালুয়া; তুলসীপাতা; ভোগের পরে প্রসাদ বিতরণ (জগন্নাথের মহাপ্রসাদ জাতিভেদহীন — সবার জন্য)।
- রথ-দর্শন/দড়ি: শহরের রথযাত্রায় (ইসকন/মন্দির) রথের দড়ি ছোঁয়া-টানা, «জয় জগন্নাথ/হরি বোল»; পুরী গেলে বড়দাণ্ডে রথ-দর্শন (ভিড়ে সাবধান); টিভি/লাইভ-দর্শনও শুভ বলে মানা হয় — দর্শনের সঙ্গে নারকেল-ফল অর্পণ।
- ব্রত (ঐচ্ছিক): অনেক মেয়ে দ্বিতীয়ায় ফলাহার/একবেলা আহার করেন, রাত্রি-জাগরণ ও কীর্তন (জগন্নাথাষ্টকম্ «কদাচিৎ কালিন্দী-তট-বিপিন-সঙ্গীত-তরলো…»); ভাই-বোন — সুভদ্রা-বলভদ্রের স্মরণে বোনকে উপহার (কিছু অঞ্চলে)।
- নয় দিন: গুণ্ডিচা-বাস — বাড়িতে রোজ ভোগ-আরতি; হেরা পঞ্চমী (পঞ্চম দিন) লক্ষ্মীপূজা; বাহুড়া (দশমী) — ফিরতি রথের পূজা, রসগোল্লার ভোগ; সুনা বেশ (একাদশী) — সোনার সাজের ছবি-দর্শন; নীলাদ্রি বিজে (ত্রয়োদশী) — লক্ষ্মী-জগন্নাথকে রসগোল্লা।
- দান: অন্ন-বস্ত্র, খিচুড়ির অন্নসত্র; ভক্তদের জল-শরবত (আষাঢ়ের গরম); রথ-নির্মাণে/অন্নসত্রে সেবা।
📿 কিভাবে জ্ঞাননাথ সূত্র তৈরি করবেন-বিস্তারিত পদ্ধতি, উপাদানের তালিকা এবং নিয়ম
পূজা-সামগ্রীর তালিকা
ত্রিমূর্তির ছবি, ছোট রথ, খিচুড়ি-ডালমা, রসগোল্লা, তুলসী — রথযাত্রার তালিকা।
- জগন্নাথ-বলভদ্র-সুভদ্রা ত্রিমূর্তির ছবি/ছোট বিগ্রহ (নিমকাঠ/মাটি), চৌকি, হলুদ-লাল কাপড়
- ছোট রথ (কাঠ/পিচবোর্ড/খেলনা), সাজানোর জন্য রঙিন কাপড়-পতাকা-ফুল-মালা, দড়ি
- হলুদ-লাল ফুল (গাঁদা-পদ্ম-চাঁপা), তুলসীপাতা, চন্দন, কুমকুম, অক্ষত, মৌলি, মালা
- প্রদীপ, ঘি, ধূপ, কর্পূর, আরতির থালা, শাঁখ, ঘণ্টা, কলশ, নারকেল
- ভোগ: খিচুড়ি (মুগ-চাল-ঘি), ডালমা, পায়েস, রসগোল্লা/ছানাপোড়া, পখাল, লুচি-হালুয়া, ফল (আম-কলা-জাম)
- জগন্নাথাষ্টকম্/কীর্তনের বই, «জয় জগন্নাথ» পতাকা
- দান/অন্নসত্র: খিচুড়ির উপকরণ, জল-শরবত, অন্ন-বস্ত্র
🛍 পূজা-সামগ্রী ও যন্ত্র দেখুন 🙏 পূজা বুক করুন
সূর্যোদয়, চন্দ্রোদয়, রাহুকাল ও চৌঘড়িযা — আপনার শহরের সঠিক সময় অনুযায়ী, বিনামূল্যে।
পঞ্জিকা দেখুন →ব্রত-কথা
রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন (মালব) স্বপ্নে নীলমাধবের দর্শন পেলেন; তিনি বিদ্যাপতিকে পাঠালেন — শবর-রাজা বিশ্বাবসু গোপন গুহায় নীলমাধবের পূজা করতেন; বিদ্যাপতি তাঁর মেয়ে ললিতাকে বিয়ে করে পথ জানলেন, কিন্তু দেবতা অদৃশ্য হলেন। দৈববাণী হল — «সমুদ্র থেকে দারু (কাঠ) আসবে, তা দিয়ে বিগ্রহ গড়ো»; এক বুড়ো ছুতোর (স্বয়ং বিশ্বকর্মা) শর্ত দিলেন — 21 দিন কেউ দরজা খুলবে না; 14তম দিনে শব্দ থেমে গেল, রানি গুণ্ডিচা দরজা খুলে ফেললেন — অসম্পূর্ণ বিগ্রহ (হাত-পা ছাড়া), ছুতোর অদৃশ্য; নারদ বললেন «এই রূপই পূজিত হবে»। তাই জগন্নাথের অসম্পূর্ণ দারুরূপ।
📖 জগন্নাথ যাত্রার পুরো উপবাসের গল্পটি পড়ুন
খিচুড়ি, ডালমা, পখাল, রসগোল্লা, পোড়পিঠা — জগন্নাথের মহাপ্রসাদ
পুরীতে রোজ 56 ভোগ (ছাপ্পান্ন) মাটির হাঁড়িতে কাঠের আঁচে — মহাপ্রসাদ (আনন্দবাজারে সবার জন্য); বাড়িতে খিচুড়ি (জগন্নাথের প্রিয় — কর্মাবাঈয়ের কথা), ডালমা, পখাল-ভাত, পায়েস, রসগোল্লা; রথযাত্রার গরমে শরবত-পানা; ভাই-বোনের পর্ব — মিষ্টি ভাগাভাগি।
- খিচুড়ি: মুগডাল-চাল-ঘি-আদা-হিং (কর্মাবাঈয়ের খিচুড়ি — জগন্নাথের প্রথম ভোগ), ডালমা (অড়হর ডালে কুমড়ো-বেগুন-কাঁচকলা-পাঁচফোড়ন)
- পখাল-ভাত (ভাতে জল-দই-লেবু — ওড়িশার গরমে), শাগভাজা, বড়ি-চুরা, আলুভর্তা
- পায়েস (খিরি), রসগোল্লা (পাহালা/ওড়িয়া — নীলাদ্রি বিজে), ছানাপোড়া, পোড়পিঠা, মালপোয়া, কাঞ্জি
- পানা (বেল/আমের শরবত), ঘোল, ফল (আম-জাম-কলা-লিচু), নারকেলের লাড্ডু
- উত্তর ভারত: লুচি-হালুয়া-খিচুড়ি, ইসকনের প্রসাদ (খিচুড়ি-হালুয়া-সবজি); গুজরাট (আমেদাবাদ): মগ-জাঁবু (মুগ-জাম প্রসাদ), খিচুড়ি-কঢ়ী, ফাফড়া; বাংলা (মাহেশ): খিচুড়ি-লাবড়া, পায়েস, রসগোল্লা
বিভিন্ন এলাকার রীতি
পুরীর বড়দাণ্ড, আমেদাবাদের জামালপুর-যাত্রা, মাহেশের 600 বছরের পুরোনো রথ, ইসকনের রথ প্রতিটি শহরে — জগন্নাথ সবার।
দাদি-দাদির কাছ থেকে শোনা রীতিনীতি, গল্প, গান বা খাবার-2-4 লাইন; আমরা আপনার এলাকার নাম একই পৃষ্ঠায় পড়তে এবং যোগ করতে চলেছি (ফোনটি দেখা যাবে না-কেবল জিজ্ঞাসা করার জন্য)।
✅ মিল গিলি-রিডিং 1-2 দিনে একই পৃষ্ঠায় যোগ করবে। ধন্যবাদ!কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ পাঠানো হচ্ছেকী করবেন, কী করবেন না
✅ কী করবেন
- রথের দড়ি ছোঁয়া/টানা, «জয় জগন্নাথ»; যেতে না পারলে বাড়ির/শহরের রথ বা লাইভ-দর্শন
- জগন্নাথকে খিচুড়ি-ডালমা-রসগোল্লার ভোগ, তুলসীপাতা; মহাপ্রসাদ সবাইকে, ভেদাভেদ ছাড়া
- ছোটদের সঙ্গে ছোট রথ — ত্রিমূর্তি, সাজসজ্জা, কথা; ভাই-বোনের পর্ব — সুভদ্রার স্মরণ
- নয় দিন (গুণ্ডিচা-বাস) রোজ ভোগ-আরতি, বাহুড়া-সুনা বেশ-নীলাদ্রি বিজে পালন করুন
- ভিড়ে জল ও নিরাপত্তা, শিশু-বয়স্কদের হাত ধরে থাকা; অন্নসত্র-জল-শরবতের সেবা
❌ কী করবেন না
- রথের সামনে/চাকার কাছে যাওয়া — দুর্ঘটনা; দড়ির উপর চড়া; ধাক্কাধাক্কি
- মহাপ্রসাদের অপমান — এঁটো ফেলে রাখা, মাটিতে ফেলা; জাতিভেদ করে প্রসাদ না নেওয়া
- স্নানপূর্ণিমা থেকে রথযাত্রা পর্যন্ত (অনবসর) কিছু বাড়িতে বিগ্রহ-দর্শন হয় না — বাড়ির রীতি মানুন
- রথযাত্রার দিনে তামসিক খাবার, নেশা; ভিড়ে দামি জিনিস
- প্লাস্টিক-থার্মোকলের রথ; গাছ কেটে রথ (লোকরীতিতে নতুন রথের জন্য বন দপ্তরের কাঠ)
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
রথযাত্রা 2027-এ কবে আর বাহুড়া কবে?
উপরে এই বছরের আষাঢ় শুক্ল দ্বিতীয়ার (রথযাত্রা) তিথি দেওয়া আছে; বাহুড়া (ফেরা) 8 দিন পরে দশমীতে, সুনা বেশ একাদশীতে, নীলাদ্রি বিজে ত্রয়োদশীতে; স্নানপূর্ণিমা 15-16 দিন আগে (জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা); পুরীর সঠিক সময়সূচি শ্রীমন্দির প্রশাসন প্রকাশ করে।
জগন্নাথের বিগ্রহ অসম্পূর্ণ কেন — হাত-পা ছাড়া?
কথা অনুযায়ী রানি গুণ্ডিচা 21 দিনের আগেই দরজা খুলে ফেলেছিলেন, ছুতোর (বিশ্বকর্মা) বিগ্রহ অসম্পূর্ণ রেখে অদৃশ্য হন; নারদ বলেন এই রূপই পূজ্য; দার্শনিক অর্থ — ব্রহ্মের রূপ অপূর্ণ-অসীম, বড় বড় চোখ = সব দেখেন «জগন্নাথ»; নিমকাঠের দারু দিয়ে, 12-19 বছরে নবকলেবর।
রথের দড়ি ছোঁয়ার ফল কী?
স্কন্দপুরাণ: রথ টানলে/দড়ি ছুঁলে শত যজ্ঞের ফল, রথে বামন-দর্শনে পুনর্জন্ম হয় না; ভাব — নিজের হাতে ভগবানকে টেনে নিয়ে যাওয়া, সেবা; পৌঁছতে না পারলে বাড়ির রথের দড়ি বা শহরের রথযাত্রা — ভাব একই।
হেরা পঞ্চমী আর সুনা বেশ কী?
হেরা পঞ্চমী — রথযাত্রার পঞ্চম দিনে লক্ষ্মী পালকিতে গুণ্ডিচায় এসে অভিমানে জগন্নাথের রথের (নন্দীঘোষ) একটি টুকরো ভাঙিয়ে ফিরে যান (নাট্যলীলা); সুনা বেশ — বাহুড়ার পরের দিন (একাদশী) তিন দেবতা রথে সোনার হাত-পা-মুকুটে — লক্ষ লক্ষ মানুষের দর্শন; নীলাদ্রি বিজে — রসগোল্লায় লক্ষ্মীর মান ভাঙিয়ে মন্দিরে প্রবেশ।
পুরী যেতে না পারলে বাড়িতে জগন্নাথপূজা কীভাবে করবেন?
সকালে ত্রিমূর্তির ছবি/বিগ্রহের পূজা (ফুল-তুলসী-প্রদীপ), খিচুড়ি-ডালমা-রসগোল্লার ভোগ, জগন্নাথাষ্টকম্, ছোটদের সঙ্গে ছোট রথ টানা, শহরের রথযাত্রা/ইসকন বা লাইভ-দর্শন; নয় দিন রোজ আরতি, বাহুড়ায় ফেরার ভোগ — সম্পূর্ণ ফল মানা হয়।
রথযাত্রায় মেয়েরা রথ টানতে পারেন?
হ্যাঁ — পুরীতে সব ভক্ত (নারী-পুরুষ, সব জাতি-ধর্মের) দড়ি টানেন; বারিপদায় (ওড়িশা) সুভদ্রার রথ কেবল মেয়েরাই টানেন; বাড়ির ও শহরের রথে পরিবারের সবাই; ভিড়ে নিরাপত্তার দিকে খেয়াল রাখুন।
আপনার WhatsApp নম্বর লিখুন — প্রতিটি বড় ব্রত-উৎসবের এক দিন আগে তিথি, মুহূর্ত এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা মেসেজে পাবেন। বিনামূল্যে, যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারেন।
✅ নথিভুক্ত হয়েছে — পরের ব্রতের একদিন আগে বার্তা আসবে।কিছু ভুল হয়েছে — আবার চেষ্টা করুন⏳ নথিভুক্ত হচ্ছে…📲 সই-বান্ধবী ও পরিবারকে WhatsApp-এ পাঠান
🌎 বিদেশে জগন্নাথ রথযাত্রা 2027: আমেরিকা · কানাডা · যুক্তরাজ্য · অস্ট্রেলিয়া · সংযুক্ত আরব আমিরাত · কাতার · সৌদি আরব · কুয়েত · ওমান · বাহরাইন · সিঙ্গাপুর · মালয়েশিয়া · নিউজিল্যান্ড · দক্ষিণ আফ্রিকা · মরিশাস · ফিজি · নেদারল্যান্ডস · জার্মানি · আয়ারল্যান্ড
আরও পড়ুন: দেবশায়ানি একাদশী (9 দিন পরে) · বৃহস্পতি পূর্ণিমা · কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী · রক্ষাবন্ধন (বোন-ভাই)
⚠️ এই বিবরণ প্রথাগত বিধি ও লোকবিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে; নিজের বংশ-পরিবার ও অঞ্চলের রীতিই সর্বোপরি। পুরীর সময়সূচি শ্রীজগন্নাথ মন্দির প্রশাসনের সরকারি ঘোষণার সঙ্গে মিলিয়ে নিন; ভিড়ে নিরাপত্তাই সবার আগে।
🌐 Read this page in English · ← সমস্ত ব্রত-উৎসব · সম্পূর্ণ উৎসব-ক্যালেন্ডার
